Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
গৌতম গম্ভীর

‘কেউ ছাড় পাবে না’, উসকানিমূলক মন্তব্যের জন্য নিজের দলের নেতাকেই বিঁধলেন গম্ভীর

ট্রাম্প আসার পরই হিংসা মেনে নেওয়া যায় না, মন্তব্য বিজেপি সাংসদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২০, ১৭:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২০, ১৭:০১

options
link
‘কেউ ছাড় পাবে না’, উসকানিমূলক মন্তব্যের জন্য নিজের দলের নেতাকেই বিঁধলেন গম্ভীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লিতে হিংসায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে নিজের দলের নেতাকেই বিঁধলেন বিজেপি সাংসদ গৌতম গম্ভীর। তাঁর নিজের দলের নেতা কপিল মিশ্র উসকানিমূলক মন্তব্য করেছেন, তা একপ্রকার শিকার করে নিয়ে কপিলের শাস্তির দাবি করলেন টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন তারকা ওপেনার। গম্ভীরের সাফ কথা, যেই উসকানিমূলক মন্তব্য করুক, তাঁকে ছাড় দেওয়া হবে না।

[আরও পড়ুন: দিল্লির হিংসা রুখতে প্রয়োজনে নামানো হবে সেনা, অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের পর ইঙ্গিত কেজরির]

মঙ্গলবার দিল্লির হিংসায় আহত পুলিশকর্মীকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন গম্ভীর। সেখানে সাংবদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি সাংসদ বলেন, “যা হচ্ছে, তা দুর্ভাগ্যজনক। এটা যেই করুক, আপ-বিজেপি বা কংগ্রেস, যে দলেরই কর্মী হোক, তাদের ছাড় দেওয়া উচিত নয়। তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। কপিল মিশ্রর বক্তব্যও গ্রহণযোগ্য নয়। এটা দিল্লির ব্যাপার। কোনও রাজনৈতিক দলের ব্যাপার নয়। কেউ উসকানিমূলক মন্তব্য করলে তাঁকে শাস্তি পেতেই হবে। সে যেই হোক না কেন ছাড় দেওয়া হবে না।” শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে এদিন গম্ভীর শাহিনবাগের CAA বিরোধীদেরও তোপ দেগেছেন। তাঁর কথায়, “শাহিনবাগের আন্দোলন এতদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবেই চলছিল। আর এখন ট্রাম্প এসেছেন বলে হিংসা শুরু। এটা ঠিক নয়। শান্তিপূর্ণ আন্দোলন নিয়ে কিছু বলব না। কিন্তু পাথর ছোঁড়াকে কখনও সমর্থন করা যায় না। আপনি একজন পুলিশকর্মীর সামনে কীভাবে বন্দুক উঁচিয়ে দাঁড়াতে পারেন?”

[আরও পড়ুন: নিরাপত্তার কড়াকড়িতে মেলানিয়ার স্কুল সফরে ‘নো এন্ট্রি’, মুখ ভার বহু সংবাদমাধ্যমের]

উল্লেখ্য, রবিবারই কপিল মিশ্র একটি ভিডিও প্রকাশ করে দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের হুঁশিয়ারি দেন। তিনদিনের মধ্যে বিক্ষোভ বন্ধ না করলে, তাঁদের বিরুদ্ধে হিংসাত্মক পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন। তারপরই শুরু হয় হিংসা। যা ক্রমশ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। জাফরাবাদ, ভজনচকপুরা, ব্রহ্মপুরী, গোকুলপুরী এলাকার পরিস্থিতি রীতিমতো অগ্নিদগ্ধ। দফায় দফায় হওয়া সংঘর্ষের জেরে এখনও পর্যন্ত এক পুলিশকর্মী-সহ মোট ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। এ নিয়ে রাজনৈতিক তরজাও কম হচ্ছে না। বিরোধীরা একযোগে এই হামলার দায় চাপাচ্ছে কেন্দ্রের উপর।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.