সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কনকনে ঠান্ডায় হাত-পা জমে যাচ্ছে৷ নিঃশ্বাস নিতেও বেশ কষ্ট হচ্ছে৷ তা সত্ত্বেও হিমশীতল লেকের বুক চিরে দাঁড় বেয়ে নৌকোটিকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন কুমারন এম৷ আর এভাবে নিজেই নিজের রেকর্ড ভেঙে ফেললেন তিনি৷ তৈরি হল নয়া জাতীয় রেকর্ড৷
পেশায় তিনি ভূবিজ্ঞানী৷ আর নেশা হল প্যাডলিং৷ উদ্দেশ্য একটাই৷ সমাজকে জলাশয় সংরক্ষণের বিষয়ে আরও সচেতন করে তোলা৷ আর সেই লক্ষ্যেই বারবার পাড়ি দেন অজানা ঠিকানায়৷ দুর্গম এলাকায় দাঁড় বেয়ে ইতিমধ্যেই রেকর্ডের হ্যাটট্রিক করে ফেলেছেন চেন্নাইয়ের এই ব্যক্তি৷ তিন-তিনবার লিমকা বুক রেকর্ড নাম তুলেছেন৷ গত সপ্তাহে ফের নজির গড়লেন কুমারন৷
তা এবার কী করলেন তিনি? সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৬ হাজার ৬১৮ ফুট উপরে অবস্থিত সো তাক লেকে টানা ৪৫ মিনিট প্যাডেল করলেন৷ শুনে সহজ মনে হলেও কাজটা কিন্তু বেশ কঠিন ছিল৷ ছাং লা পাসের কাছে লাদাখের এই বোট যাত্রায় বারবারই শ্বাস কষ্টে ভুগছিলেন তিনি৷ তীব্র যন্ত্রণায় মাথা ফেটে যাচ্ছিল৷ কিন্তু তাতেও হাল ছাড়েননি ভূবিজ্ঞানী৷ পাহাড়ের কোলে বয়ে যাওয়া লেকে পড়ে গেলে শরীর অতিরিক্ত ঠান্ডা হয়ে হাইপোথার্মিয়া হওয়ার সম্ভাবনাও ছিল প্রবল৷ তাতে কী! একবার যখন কুমারন ভেবে নিয়েছেন তিনি রেকর্ড গড়বেন, তখন তাঁকে আটকায় সাধ্য কার!
এর আগে ১৬ হাজার ফুট উঁচুতে সুরজ তালে প্যাডেল করে রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি৷ এবার নয়া ইতিহাস গড়ে কুমারন বললেন, “চেন্নাই উপকূলে সমুদ্রের জলে প্যাডেলের অভিজ্ঞতাটা কাজে লাগল৷ তখনই শিখেছিলাম, কীভাবে দেহের ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়৷” জানিয়ে দিলেন, এখানেই থামছেন না৷ ভবিষ্যতে আরও বড় কোনও নজির গড়তে চান কুমারন৷
সর্বশেষ খবর
-
আর কিছুক্ষণেই যাদবপুরে ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ এবিভিপির, অভিযানে প্রস্তুত এসএফআইও
-
‘ককরোচ’ বিক্ষোভের জেরে, জেন জি’র মন বুঝতে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে মন্ত্রীদের পাঠাবে মোদি সরকার
-
মির্জা গালিব স্ট্রিটের অগ্নিকাণ্ডে এত মৃত্যু কীভাবে? ফরেনসিকে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
-
নিয়ম মেনে চলছে তো! তৃণমূলের ‘আবর্জনা’ সাফাইয়ে ১ মাস ধরে হোটেল-রেস্তরাঁ-মলে চলবে অভিযান
-
‘একজনকে বিয়ে করব, একজনকে সারারাত নাচাবো’, দুই নৃত্যশিল্পীকে কুকথা বলা সেই টিকিট পরীক্ষক গ্রেপ্তার