Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২০ জুন ২০২৬
CAA

‘এ দেশে থাকতে না চাইলে পাকিস্তানে যাও’, পরামর্শ দিয়ে বিতর্কে মীরাটের পুলিশ সুপার

CAA বিরোধী আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে পুলিশ সুপারের মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৮, ২০১৯, ১২:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৮, ২০১৯, ১২:৩৯

options
link
‘এ দেশে থাকতে না চাইলে পাকিস্তানে যাও’, পরামর্শ দিয়ে বিতর্কে মীরাটের পুলিশ সুপার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুসলমান যুবকদের পাকিস্তানে চলে যাওয়ার নিদান দিয়ে বিতর্কে পুলিশ আধিকারিক। সম্প্রতি একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ভিডিওয় দেখা গিয়েছে মীরাটের পুলিশ সুপার অখিলেশ নারায়ণ সিং স্থানীয়দের উদ্দেশে বলছেন, ‘দেশে থাকতে ইচ্ছা না করলে পাকিস্তানে চলে যান।’ তার এই বার্তা ঘিরে উঠেছে সমালোচনার ঝড়। কীভাবে এ দেশের নাগরিকদের অন্য দেশে পাঠিয়ে দেওয়ার হুমকি দিতে পারেন পুলিশ আধিকারিক, সেই প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।

CAA বিরোধী আন্দোলনে থমথমে উত্তরপ্রদেশ। ক্ষোভের আগুন প্রশমিত হয়েছে ঠিকই। তবে মীরাটের অবস্থা যথেষ্ট ভয়ংকর। গত শুক্রবার নমাজ পাঠের পর থেকে আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মিরাট। সম্প্রতি উত্তপ্ত মিরাটের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। ওই ভিডিওয় মূলত মীরাটের পুলিশ সুপার অখিলেশ নারায়ণ সিংকে দেখা গিয়েছে। ওই পুলিশ আধিকারিক একটি রাস্তায় ঘোরাফেরা করছেন। সেখানে ফেজ টুপি পরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন বেশ কয়েকজন মুসলিম যুবক। বিক্ষোভ প্রশমন করার চেষ্টা করছেন বলেই মনে হতে পারে। তবে তাঁর কথা শুনে রেগে আগুন মুসলমান ধর্মাবলম্বীরা। ওই ভিডিওতে শোনা গিয়েছে পুলিশ আধিকারিক বলছেন, “কোথায় যাচ্ছ? আমি এই রাস্তাকে ঠিক করে দেবো।” ওই রাস্তায় জড়ো হওয়া যুবকেরা উত্তর দেন তাঁরা জুম্মাবারে নমাজ পড়তে যাচ্ছেন। পালটা আবার উত্তর দেন পুলিশ আধিকারিক। তিনি বলেন, “ঠিক আছে। কিন্তু যাঁরা মাথায় কালো এবং নীল কাপড় বেঁধে রেখেছেন তাঁরা পাকিস্তানে চলে যান। থাকবেন এখানে আর গুণ গাইবেন অন্য জায়গার। দেশে থাকতে মন না চাইলে চলে যাও।” মুসলিম যুবকদের গ্রেপ্তারির হুমকিও দিয়েছেন মীরাটের পুলিশ সুপার। তিনি বলেন, “বাড়ি থেকে বের করে প্রত্যেককে জেলে ঢুকিয়ে দেব। আমি সকলকে শেষ করে দেব।” ঠিক কী কারণে সকলকে শেষ করে দেওয়ার কথা বললেন ওই পুলিশ আধিকারিক, সে বিষয়ে যদিও এখনও কিছুই জানা যায়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ৫০ পয়সার কয়েন অবহেলায় ফেলে রেখেছেন? ব্যাংকে জমা দিলেই হতে পারে লক্ষ্মীলাভ]

মীরাট পুলিশের দাবি, উত্তরপ্রদেশের ২১টি জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি অশান্তি হয়েছে মীরাটে। পুলিশের আরও দাবি, ওই এলাকায় পুলিশের উপরে বিক্ষোভকারীরা হামলা চালিয়েছে সবচেয়ে বেশি। CAA বিরোধী আন্দোলনে শুধুমাত্র মীরাটেই প্রাণ হারিয়েছেন মোট ছ’জন। তাঁদের প্রত্যেকের শরীরে মিলেছে গুলির চিহ্ন। নিহতের পরিজনদের দাবি, নির্বিচারে চালানো পুলিশের গুলিতেই মৃত্যু হয়েছে ওই বিক্ষোভকারীদের। যদিও পুলিশের পালটা দাবি, বিক্ষোভ দেখানোর সময় বিক্ষোভকারীদের চালানো গুলিতেই মারা গিয়েছেন ওই ৬ জন।

এদিকে, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন(CAA) বিরোধী আন্দোলনের জেরে ক্ষুব্ধ উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াও শুরু করেছে পুলিশ। মোট ৪৯৮ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তার মধ্যে মীরাটে রয়েছে অন্তত ১৪৮ জন। এছাড়াও সরকারি সম্পত্তি নষ্টের অভিযোগে এখনও পর্যন্ত ১ হাজার ১১৩জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.