সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গোয়া মানেই সমুদ্রসৈকতে বিয়ারের বোতল হাতে বসে প্রকৃতির সৌন্দর্যে ডুব দেওয়া। গোয়ায় ছুটি কাটাতে যাওয়া মানেই নীল জল আর নরম পানীয় ভুলে মদিরার নেশায় বুঁদ হওয়া। কিন্তু এবার ছবিটা পালটাতে চলেছে। ক্যান্ডোলিম বা মিনামার বিচে আর বিয়ারের বোতল হাতে পড়ন্ত সূর্য উপভোগ করার লাইসেন্স মিলবে না। কারণ, সৈকতে মদ্যপান নিষিদ্ধ করতে চলেছে সরকার।
[কেন্দ্রের উচ্চবর্ণ সংরক্ষণ বিলের বৈধতা যাচাই করবে সুপ্রিম কোর্ট]

রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী মনোহর আজগাওঁকর জানিয়ে দিলেন, এবার থেকে বিচে বিয়ার পান করলেই হবে মোটা অঙ্কের জরিমানা। শুধু তাই নয়, অভিযুক্তের জেলও হতে পারে। পর্যটন মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, টুরিস্ট হাব কিংবা বিচে প্রকাশ্যে রান্না করলে অথবা মদ্যপান করলে বা বোতল ছড়িয়ে নোংরা করলে দু’হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। দলগতভাবে এমন কাজ করলে দশ হাজার টাকা পর্যন্তও জরিমানা হতে পারে বলে খবর। এমন কাণ্ড কেউ ঘটালে, তাঁর ছবি তুলে পর্যটন মন্ত্রকে পাঠানো হবে। এবং তারপরই জরিমানার শাস্তি নেমে আসবে অভিযুক্তের উপর। কিন্তু যদি কেউ জরিমানা দিতে না পারেন, সেক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন অব টুরিজম ট্রেড অ্যাক্টের আওতায় তিন মাসের জন্য জেলও হতে পারে তাঁর। প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তে স্বভাবতই বেশ হতাশ পর্যটকরা। নিশ্চিন্ত মনে আর বিচে বসে বিয়ার পান উপভোগ করতে পারবেন না কেউই।
[পড়ে গেলেন চিত্র সাংবাদিক, সাহায্যের হাত বাড়িয়ে প্রশংসা কুড়োলেন রাহুল]
তবে পর্যটন মন্ত্রী জানাচ্ছেন, এতদিন সৈকতে মদ্যপান করার উপর কোনও নিষেধাজ্ঞা ছিল না। ফলে দিনের পর দিন সৈকত দূষিত হচ্ছিল ভাঙা বোতল-ক্যানে, প্লাস্টিক, চিপসের প্যাকেটে। নতুন নিষেধাজ্ঞার পর সৈকত পরিষ্কার থাকলে পর্যটকদেরও ভাল লাগবে। আগামী ২৯ জানুয়ারি থেকেই নতুন নিয়ম চালু হওয়ার কথা। তবে গোয়া প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তে বেশ অসন্তুষ্ট গোয়া ট্রাভেল অ্যান্ড টুরিজম সংস্থা। এতে পর্যটকরা ক্ষুণ্ণ হবে বলেই মনে করছে তারা।ফলে গোয়া ভ্রমণে টান কমবে। তবে সরকারের আশা, জরিমানা ও জেল যাওয়ার ভয় থাকলে আরও সচেতন হবেন পর্যটকরা।
সর্বশেষ খবর
-
তাইল্যান্ড-কলকাতা মাদক চালান! পর্যটক সেজে মারাত্মক ‘মলি’ পাচারে এসে গ্রেপ্তার দুই বিদেশিনী
-
দিনেদুপুরে যুবককে গাড়িতে তুলে চম্পট! সল্টলেকে ‘ফিল্মি কায়দা’য় অপহরণের কিনারা পুলিশের
-
‘ছাত্রক্ষোভ রাজনৈতিক ফায়দা তোলার হাতিয়ার’, রাহুল গান্ধীকে তোপ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর
-
স্বাস্থ্য ভবনে পদোন্নতির ঝড়, মুখ্যমন্ত্রীর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের বড় প্রমোশন
-
দায়িত্ব নিয়েছিলেন ১৮ দিন আগে, কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা লকেটের দাদার