১০ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৬ নভেম্বর ২০২০ 

Advertisement

ট্রেনে সোনা-রুপো-নগদ পাচারের ঘটনায় আতঙ্কে যাত্রীরা, তদন্ত শুরু রেলের

Published by: Paramita Paul |    Posted: November 21, 2020 3:09 pm|    Updated: November 21, 2020 3:09 pm

An Images

সুব্রত বিশ্বাস: লকডাউন পরবর্তী সময় তুলনামূলক ফাঁকা থাকছে ট্রেন (Train)। সেই সুযোগকে দুষ্কৃতীরা কাজে লাগাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে। ট্রেনের মাধ্যমে পাচার হচ্ছে সোনা-রুপো-নগদ। আর দুষ্কৃতীদের এই প্রবণতায় বেজায় চিন্তায় পড়েছেন যাত্রীরা।
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পশ্চিম রেলের রতলাম স্টেশনে এক ব্যক্তিকে ধরে পড়েন। তাঁর কাছ থেকে ১ কেজি ৩৩ গ্রাম সোনা, ৫৬ কেজি ৯ গ্রাম রুপো ও কয়েক কোটি নগদ টাকা উদ্ধার করেছে আরপিএফ। এরপরই প্রশ্ন উঠেছে রেল যোগাযোগ কি তবে এখন সোনা-রুপো-টাকা পাচারের মুখ্য পরিবহন হয়ে উঠছে?

[আরও পড়ুন : নৃশংস!‌ মোবাইলের ইন্টারনেট ডেটা শেষ করে ফেলায় ভাইকে কুপিয়ে খুন করল দাদা]

গত ৫ নভেম্বর হাওড়া স্টেশনে ৩ কেজি ১৪১ গ্রাম সোনা (Gold) ও ১৬ কেজি ১৭৪ গ্রাম রুপো (Silver)-সহ চারজনকে আটক করে আরপিএফের এসটিএফ বিভাগের কর্মীরা। এছাড়াও সম্প্রতি বিভিন্ন স্টেশনে এমন মূল্যবান সামগ্রী আটক করেছে আরপিএফ। আনলক পর্বে বারবার এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন রেল। আয়কর দপ্তরও এনিয়ে চিন্তিত। এ ধরনের সক্রিয় পাচার চক্র বন্ধের উদ্দেশ্যে পদক্ষেপ করতে চলেছে রেল।

রতলম ডিভিশনের আরপিএফ কমান্ড্যান্ট রমন কুমার জানান, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে স্টেশনে সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে এক ব্যক্তিকে আটক করে আরপিএফ। তাঁর কাছে থাকা কয়েকটি প্লাস্টিক বস্তা তল্লাশি করে আরপিএফ সোনা, রুপা ও নগদ অর্থ উদ্ধার করে। বস্তা ভরতি টাকার পরিমাণ ২ কোটি ৩০ লক্ষ। ১০ থেকে ২ হাজারের নোটে মিলেছে নগদ টাকা। আয়কর দপ্তরের হাতে ধৃতকে বমাল তুলে দেওয়া হয়।

[আরও পড়ুন : উত্তরপ্রদেশে চোলাইয়ের রমরমা! বিষমদ খেয়ে মৃত ৬, হাসপাতালে আরও ১৫]

ধৃত ব্যক্তি নিজেকে ক্যারিয়ার হিসাবে পরিচয় দিয়েছে। জানিয়েছে, রাতে জয়পুর-মুম্বই এক্সপ্রেসে নাগদা থেকে এক ব্যক্তি আসছিল। তাঁকেই সেগুলি দেওয়ার কথা ছিল। তার আগেই গ্রেপ্তার করা হয়। ওই ব্যক্তির খোঁজ চলছে। আটক মূল্যবান ধাতুর মধ্যে বাট যেমন রয়েছে তেমন রয়েছে কয়েন ও অলঙ্কার। ধৃতের কাছে টিকিট বা কোনও রকম অনুমতি পত্র ছিল না স্টেশনে ঢোকার জন্য। আটক সোনা, রুপোর বাজার মূল্য কোটি টাকার বেশি। হাওড়ায় আটক সোনা, রূপার মূল্য ছিল দেড় কোটি টাকার বেশি বলে জানান আরপিএফ এসটিএফ ইনচার্জ অরবিন্দ কুমার।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement