Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৭ জুন ২০২৬
গ্রেট গ্রিন ওয়াল

অভিনব উদ্যোগ, ১৪০০ কিমি দীর্ঘ সবুজ দেওয়াল তৈরির পথে ভারত

কেন এমন সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১০, ২০১৯, ১৪:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১০, ২০১৯, ১৪:৪০

options
link
অভিনব উদ্যোগ, ১৪০০ কিমি দীর্ঘ সবুজ দেওয়াল তৈরির পথে ভারত zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চিনের যেমন ‘গ্রেট ওয়াল’, ভারতের কী? উত্তর, ‘গ্রেট গ্রিন ওয়াল’।

হ্যাঁ। ক্ষয়ের ফলে জমি মরুভূমিতে পরিণত হওয়া রুখতে অভূতপূর্ব ‘গ্রেট গ্রিন ওয়াল’ তৈরির কথা ভাবছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রাথমিকভাবে খবর, গুজরাটের পোরবন্দর থেকে হরিয়ানার পানিপথ পর্যন্ত বিস্তৃত হবে এই ১৪০০ কিলোমিটার লম্বা এবং ৫ কিলোমিটার চওড়া ‘গ্রিন বেল্ট’ তথা সবুজ বলয়। বলাই বাহুল্য, নানা ধরনের গাছগাছালিতে আচ্ছাদিত থাকবে এই ‘গ্রিন বেল্ট’। এই সবুজ প্রাচীরের নির্মাণ-প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলে জমির ক্ষয় নিয়ন্ত্রণ করা যেমন সম্ভব হবে, তেমনই প্রতিহত করা যাবে মরুভূমির প্রসারও। এমনকী, ফি বছর গরমে রাজস্থানের থর মরুভূমি থেকে যে বিপুল পরিমাণ ধুলো দেশের পশ্চিম প্রান্তের একাধিক শহরে এসে জমা হয়, সেই সমস্যারও সমাধান হবে। শুধু তাই নয়। এই প্রাচীর নির্মাণের কাজ শেষ হলে, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে ক্ষয়ের কবলে পড়া দেশের অন্তত ২৬ মিলিয়ন হেক্টর জমি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে বলেই পূর্বাভাস বিশেষজ্ঞদের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: পরিযায়ী পাখি টানতে সাজছে সাঁতরাগাছি ঝিল, তৈরি হচ্ছে আইল্যান্ড]

কিন্তু হঠাৎ কেন এই পরিকল্পনা?

গোটা বিষয়টি এখনও পর্যন্ত ভাবনা-চিন্তার স্তরে থাকলেও যেটুকু জানা গিয়েছে তা হল- গুজরাট, হরিয়ানা এবং দিল্লি ঘেঁষে আরাবল্লি পর্বতের একটি বিস্তীর্ণ অঞ্চল ভূমিক্ষয়ের কবলে পড়ে অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গিয়েছে। আরও স্পষ্ট করে বললে, ইসরোর ২০১৬ সালের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, গুজরাট, রাজস্থান এবং দিল্লির অন্তত ৫০ শতাংশ জমিই ক্ষয়ে গিয়েছে। আর ক্ষয়ের হাত থেকে সেই জমি পুনরুদ্ধার করতেই গুজরাট থেকে দিল্লি-হরিয়ানা সীমান্ত পর্যন্ত এই সবুজ প্রাচীর তৈরি করার পরিকল্পনা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। গত প্রায় এক দশক ধরেই কেন্দ্রের তরফে এই উদ্যোগ গ্রহণ করার কথা ভাবা হচ্ছিল বলে জানা গিয়েছে। তবে ভারতের এই উদ্যোগ বিশ্বে সর্বপ্রথম নয়। এ কাজে নয়াদিল্লি অনুপ্রাণিত হয়েছে আফ্রিকাকে দেখে। আফ্রিকায় ২০০৭ সালে শুরু হয়েছিল ‘গ্রেট গ্রিন ওয়াল’ প্রোজেক্ট। আফ্রিকা মহাদেশের সেনেগালের রাজধানী ডাকার থেকে জিবুতি পর্যন্ত প্রসারিত ‘গ্রেট গ্রিন ওয়াল’ প্রোজেক্টের কাজ এখনও পর্যন্ত সম্পূর্ণ হয়নি। আরও স্পষ্ট করে বললে, এত বছরে মাত্র ১৫ শতাংশই এগিয়েছে প্রাচীর নির্মাণের কাজ।

[আরও পড়ুন: ভিন গ্রহের সন্ধান ও সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে নয়া আবিষ্কার, নোবেল পেলেন ৩ পদার্থবিজ্ঞানী]

তবে এই ‘গ্রেট গ্রিন ওয়াল’ নির্মাণের প্রাথমিক পরিকল্পনার উদয় হয় চলতি বছরেরই সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে আয়োজিত রাষ্ট্রসংঘের সম্মেলনে চতুর্দশতম কনফারেন্স অফ দ্য পার্টিস (সিওপি১৪) থেকে। ওই অনুষ্ঠানে মাইলের পর মাইল জমির ক্ষয়ের ফলে মরুভূমিতে পরিণত হওয়া রুখতে একাধিক পদক্ষেপ করার কথা বলা হয়েছিল। যার মধ্যে ছিল গাছগাছালিতে ভরা দীর্ঘ একটি সবুজ প্রাচীর গড়ে তোলার বিষয়ও। আর সেখান থেকেই আফ্রিকার ধাঁচে ভারতেও প্রকৃতিকে বাঁচানোর স্বার্থে এই অভিনব ‘গ্রিন বেল্ট’ গড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.