Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৭ জুলাই ২০২৬

ব্লু হোয়েল গেমের মরণকামড় থেকে দেশকে বাঁচাতে কড়া পদক্ষেপ কেন্দ্রের

কী নির্দেশিকা কেন্দ্রের?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৫, ২০১৯, ১৪:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৫, ২০১৯, ১৪:৪৪

options
link
ব্লু হোয়েল গেমের মরণকামড় থেকে দেশকে বাঁচাতে কড়া পদক্ষেপ কেন্দ্রের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নীল তিমির থাবায় ত্রস্ত গোটা দেশ। বেঙ্গালুরু, মধ্যপ্রদেশের পর এ রাজ্যের কিশোরও ব্লু হোয়েলের ফাঁদে পা দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছে। ক্রমেই গোটা দেশে নীল তিমির আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। আর তাই এই গেমকে বন্ধ করতে কড়া পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র।

গুগল, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম, মাইক্রোসফট এবং ইয়াহুর মতো জনপ্রিয় সোশ্যাল সাইটগুলি থেকে ব্লু হোয়েল চ্যালেঞ্জ গেমটির লিঙ্ক মুছে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। যত শীঘ্র সম্ভব এ কাজ করতে বলেছে মোদি সরকার। জানা গিয়েছে, গত ১১ আগস্ট তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক থেকে এই সব ওয়েবসাইটগুলির কাছে একটি নির্দেশিকা পাঠানো হয়। যেখানে বলা হয়, ভারতে ব্লু হোয়েল চ্যালেঞ্জ গেম খেলতে গিয়ে কিশোরের আত্মহত্যার খবর সামনে এসেছে। সে কারণে প্রতিটি ওয়েবসাইটকে অনুরোধ জানানো হচ্ছে যাতে এই ভয়ঙ্কর গেমের সমস্ত লিঙ্ক সরিয়ে ফেলা হয়। সেই সঙ্গে মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে, এমন সব ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ গেম মুছে ফেলতে বলা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[যোগীর নির্দেশই সার, জাতীয় সংগীত গাইল না মাদ্রাসার পড়ুয়ারা]

কী এই ব্লু হোয়েল চ্যালেঞ্জ? আপাতদৃষ্টিতে নিরীহ। কিন্তু খুব সহজেই কাউকে বশীভূত করতে পারে। এমনই একটি অনলাইন গেম ‘কিলার হোয়েল’। মোট ৫০টি চ্যালেঞ্জ। প্রথমে ভোর ৪টেয় কোনও ভয়ের সিনেমা দেখা। তারপর ক্রমে কখনও হাত কেটে ছবি আঁকা, কারও সঙ্গে কথা না বলা, ছাদের একেবারে কোণে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা এবং সব শেষে ছাদ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করা। শুধু চ্যালেঞ্জে অংশ নিলেই হবে না, তার প্রমাণও দিতে হবে প্রতি পদে। সব কর্মকাণ্ড ভিডিও তুলে প্রমাণ হিসেবে পাঠাতে হবে। ইতিমধ্যে ইউরোপ ও রাশিয়ায় মারাত্মক এই গেমের কবলে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন শতাধিক মানুষ। তাদের বেশিরভাগই কিশোর ও কিশোরী। এই গেমের উৎপত্তি রাশিয়ায়। সেখান থেকে সমস্ত বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। চলতি বছরের শুরুতেই এই গেমটি যিনি তৈরি করেছেন, তাঁকে গ্রেপ্তার করে রুশ পুলিশ। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে গেমটি দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই লিঙ্ক পাঠিয়ে বন্ধু-বান্ধবদের এই চ্যালেঞ্জ নিতে উৎসাহিত করেছে। আর তাতেই বাড়ছে আতঙ্ক। সম্প্রতি পুণে ও ইন্দোরের দুই কিশোরকে আত্মঘাতী হওয়া থেকে কোনওক্রমে রক্ষা করা গিয়েছিল। কিন্তু ‘ব্লু হোয়েল গেমে’র মরণকামড় থেকে বাঁচানো যায়নি পশ্চিম মেদিনীপুরের  কিশোরকে। নীল তিমির নেশা থেকে কিশোর কিশোরীদের মুক্ত করতে তাই এবার কড়া পদক্ষেপ কেন্দ্রের।

[জল থইথই স্বাধীনতা দিবস, দেশপ্রেমে ভাসছে সোশ্যাল মিডিয়া]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.