Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Gujarat

‘সেলিম যদি সুরেশ সেজে মেয়েদের ফাঁসায়’, বিয়ের নিয়মে বিরাট বদল আনছে গুজরাটের বিজেপি সরকার

'লাভ জেহাদ' তত্ত্ব উল্লেখ করে বিয়ের নিয়মাবলি বদলাতে চলেছে গুজরাটের বিজেপি সরকার। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে লাভ জেহাদ-এর বিপদের কথা মনে করিয়েছেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী হর্ষ সাংঘি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬, ১৫:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬, ১৫:৩১

options
link
‘সেলিম যদি সুরেশ সেজে মেয়েদের ফাঁসায়’, বিয়ের নিয়মে বিরাট বদল আনছে গুজরাটের বিজেপি সরকার zoom
বিয়ে কমিয়ে দেয় ক্যানসারের ঝুঁকি!

‘লাভ জেহাদ’ তত্ত্ব উল্লেখ করে বিয়ের রেজিস্ট্রেশনের (Marriage Registry) নিয়মাবলি বদলাতে চলেছে গুজরাটের (Gujarat) বিজেপি সরকার। বিয়ের নথিভুক্তিকরণে আইনি ফাঁকফোকর দূর করা সরকারের উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী হর্ষ সাংঘি। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে লাভ জেহাদ-এর বিপদের কথা মনে করিয়েছেন তিনি। প্রস্তাবিত নয়া বিধিতে বিয়ের নথিভুক্তির সময় পাত্রপাত্রীর অভিভাবকদের বিস্তারিত নথি পেশ ও নোটিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিয়ের নথিভুক্তিকরণে পাত্রপাত্রীর বাবা-মা বা অভিভাবকদের সম্মতি প্রদান বাধ্যতামূলক হচ্ছে, বিশেষ করে প্রেমিকযুগল যদি বাড়ির অমতে পালিয়ে বিয়ে করতে চান।

এহেন নিয়মবিধি চালু হলে গুজরাটই হবে দেশের প্রথম রাজ্য যেখানে বিয়ের নথিভুক্তির জন্য অভিভাবকদের নোটিফিকেশন বাধ্যতামূলক। উপমুখ্যমন্ত্রীর সওয়াল, আইনের লাগাতার অপব্যবহারের মধ্যে, বিশেষত প্রেমের বিয়ে, পালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে মেয়েদের রক্ষা করা, জালিয়াতি রোখা, স্বচ্ছতা ফেরাতেই ২০০৬ সালের বিবাহ রেজিস্ট্রেশন আইন বদলের ভাবনাচিন্তা চলছে। সরকারের প্রকৃত প্রেমের বিয়েতে কোনও আপত্তি নেই, কিন্তু বিয়ের নামে প্রতারণা, শোষণের বিরুদ্ধে কঠোর হতে হবে, বলেন তিনি। এপ্রসঙ্গে তাঁর, ‘প্রেমে কোনও আপত্তি নেই। তবে কোনও এক সেলিম সুরেশ সেজে একটি মেয়েকে ফাঁসালে তাকে আমরা ছাড়ব না,’ জাতীয় মন্তব্যেই আসল অভিপ্রায় স্পষ্ট।

Advertisement

আবেদনকারীদের এই মর্মে ঘোষণা করতে হবে যে, তাঁরা দুজনেই বিয়ের ব্যাপারে বাবা-মা বা অভিভাবকদের জানিয়েছেন। এছাড়াও পাত্রপাত্রীকে আবেদনপত্রে অভিভাবকদের নাম-ধাম, ঠিকানা, আধার নম্বর ও যোগাযোগের বিস্তারিত তথ্যও জানাতে হবে।

প্রস্তাবিত বিধি অনুসারে, প্রতিটি বিয়ের রেজিস্ট্রেশনের আবেদন জমা দিতে হবে অ্যাসিস্ট্যান্ট রেজিস্ট্রারের কাছে। আবেদনকারীদের এই মর্মে ঘোষণা করতে হবে যে, তাঁরা দুজনেই বিয়ের ব্যাপারে বাবা-মা বা অভিভাবকদের জানিয়েছেন। এছাড়াও পাত্রপাত্রীকে আবেদনপত্রে অভিভাবকদের নাম-ধাম, ঠিকানা, আধার নম্বর ও যোগাযোগের বিস্তারিত তথ্যও জানাতে হবে। অ্যাসিস্ট্যান্ট রেজিস্ট্রার নথিপত্র দেখে সন্তুষ্ট হলে ১০টি কাজের দিনের মধ্যে পাত্রপাত্রীর অভিভাবকদের জানাবেন। পাত্রপাত্রীকেও আধার কার্ড, জন্মের শংসাপত্র, স্কুল ছাড়ার সার্টিফিকেট, ছবি, যেক্ষেত্রে সম্ভব, বিয়ের আমন্ত্রণপত্রও জমা দিতে হবে। এমনকী পাত্রপাত্রীদের উভয় পক্ষের সাক্ষীদেরও ছবি, আধার সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে হবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.