Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
মুম্বই বিমানবন্দর থেকে ধৃত মুসা

ধৃত মুম্বই বিস্ফোরণে অভিযুক্ত জঙ্গি মুসা, উদ্ধার পাকিস্তানি পাসপোর্ট

মাদক পাচার মামলায় দীর্ঘদিন ধরে গুজরাট পুলিশের নজরে ছিল সে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২০, ১৩:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২০, ১৩:০১

options
link
ধৃত মুম্বই বিস্ফোরণে অভিযুক্ত জঙ্গি মুসা, উদ্ধার পাকিস্তানি পাসপোর্ট zoom
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১৯৯৩ সালে মুম্বইয়ে ধারাবাহিক বিস্ফোরণে অভিযুক্ত জঙ্গি মুনাফ হালারি মুসা ধৃত। সোমবার সকলে মু্ম্বই বিমানবন্দর থেকে গুজরাট ATS তাকে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে দেড় হাজার কোটির মাদক পাচারের মামলাও রয়েছে। সেই মামলার তদন্ত করছে গুজরাট পুলিশের সন্ত্রাস দমন শাখা। সূত্রের খবর, এদিন তার কাছ থেকে পাকিস্তানি পাসপোর্টও উদ্ধার হয়েছে। এদিন নাইরোবি থেকে ফিরেছিল সে। 

[আরও পড়ুন : প্রেমপ্রস্তাব খারিজ করায় অধ্যাপিকার গায়ে আগুন, ৭ দিন পর হাসপাতালে মৃত্যু তরুণীর]

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিদেশ থেকে সোমবারই সকালে দেশে ফিরেছিল সে। মু্ম্বই বিমানবন্দরে পা রাখতেই তাকে পাকড়াও করে গুজরাটের সন্ত্রাসদমন শাখা। জানা গিয়েছে, গত বছর এক ড্রাগ পাচার চক্রের তদন্তে নামে তারা। সেই পাচার চক্রে সম্পর্কে হদিশ করতে নেমেই মুসার হদিশ পায় ATS। তারপর থেকেই তাকে ধরতে জাল বিছিয়েছিল তারা। সোমবার দেশে পা দিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তকারী এক আধিকারিক জানান, “গুজরাট ATS মাদক পাচারের মামলায় মুসার ভূমিকা খতিয়ে দেখছে।” সূত্রের খবর, দাউদ গোষ্ঠীর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা ছিল। ফলে মুসাকে জারে করে দাউদের বিষয়ও বহু তথ্য মিলবে বলে মনে করা হচ্ছে। 

[আরও পড়ুন : ‘ভারতীয় নাগরিকত্ব পেলে অর্ধেক বাংলাদেশ ফাঁকা হয়ে যাবে’, দাবি কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর]

এদিকে মু্ম্বইয়ের ধারাবাহিক বিস্ফোরণের সঙ্গেও নাম জড়িয়েছিল মুসার। তারপর থেকে দক্ষিণ আফ্রিকায় গা ঢাকা দিয়েছিল সে। ১৯৯৩ সালের ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণে প্রায় ২৬০ জন প্রাণ হারিয়েছিল। জখম হয়েছিলেন অন্তত ৭০০ জন। সেই ঘটনায় মুসার বড়সড় ভূমিকা ছিল বলেই খবর। প্রসঙ্গত,  এই মামলায় জড়িত সাজাপ্রাপ্ত এক অপরাধী প্যারোলে থাকাকালীন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। যদিও পরে তাকে হাতেনাতে পাকড়াও করে পুলিশ। অভিযুক্তের নাম জালিস আনসারি। সে ‘ডঃ বম্ব’ নামেই পরিচিত। দেশজুড়ে প্রায় ৬০টি বিস্ফোরণ মামলায় নাম জড়িয়েছে আনসারির।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.