সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্রমশই বাড়ছিল বুকের ব্যথা। তিনি বুঝতে পারছিলেন এই অবস্থায় হাসপাতালে না গেলে তিনি হয়তো মারা যাবেন। তবু সব বুঝেও হাইওয়েতে নিজের যাত্রীদের অস্বস্তিকর অবস্থায় ফেলতে চাননি গুজরাটের (Gujarat) ৪০ বছর বয়সি এক বাস চালক। তাই আরও ১৫ কিমি পথে বাস চালিয়ে সেটিকে ডিপোয় নিয়ে যায় তিনি। আর তারপরই ঢলে পড়েন মৃত্যুর কোলে। এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল রাজ্যের রাধনপুরে।
মৃত বাস চালকের নাম ভরমল আহির। রাত সাড়ে আটটায় যাত্রা শুরু করেন তিনি। রাধনপুরে তাঁর পৌঁছনোর কথা ছিল সকাল ৭টা ৫ মিনিটে। কন্ডাক্টর দীনেশ দেশাই জানাচ্ছেন, ”আহির জানিয়েছিলেন তাঁর বুকে ব্যথা হচ্ছে। শরীরে অস্বস্তি রয়েছে। উনি আমাকে বলছিলেন, হাসপাতালে না নিয়ে গেলে হয়তো উনি মারাই যাবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ব্যথা চেপে বাকি ১৫ কিমি পথ চালিয়ে বাসটিকে তিনি ডিপোতে নিয়ে যান। কেননা ওই ভোরে যাত্রীদের সমস্যায় ফেলার ইচ্ছা ছিল না ওঁর।”
[আরও পড়ুন: ছাত্রীদের বিনামূল্যে স্যানিটারি ন্যাপকিন দিতে হবে, কেন্দ্রকে নীতি প্রণয়নের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের]
এমন দুর্ভাগ্যজনক মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন বাসের ডিপোর কর্মীরা। দীনেশের মতে, ”যদি উনি ব্যথা চেপে গাড়ি না চালাতেন আমরা ওঁকে হারাতাম না। আমরা ১৫ মিনিটে দেরিতে ডিপোয় পৌঁছাই। গাড়ি পার্ক করার পর নিজের সিটে বসেই মারা যান আহির।” মৃতের মামা যতীনভাই জানাচ্ছেন, ”ও ভেবেছিল সবাইকে ডিপোয় পৌঁছে দিয়ে তবে হাসপাতালে যাবে। ঈশ্বরের আশীর্বাদে ওই অবস্থাতেও সকলকে নিরাপদেই গন্তব্যে পৌঁছে দিয়েছে আহির। কিন্তু নিজেকে আর বাঁচাতে পারল না।”
[আরও পড়ুন: ‘সতর্কতামূলক গ্রেপ্তারি’ আইন ঔপনিবেশিক, রাষ্ট্রকে অসীম শক্তিশালী করতে পারে: সুপ্রিম কোর্ট]
সর্বশেষ খবর
-
মধ্যরাতে মদন মিত্রের গাড়িতে হামলা, ছোঁড়া হল ডিম! বললেন, ‘মৃত্যুকে অনেক কাছ থেকে দেখলাম’
-
তালশাঁস তো ঢের খেয়েছেন, কিন্তু লস্যি থেকে পায়েস, সেরা ৩ সুস্বাদু রেসিপি জানেন?
-
‘বেকার বলে স্ত্রী, সন্তানের দায়িত্ব এড়াতে পারেন না স্বামী’, বলল দিল্লি হাই কোর্ট
-
হাওড়ায় তৃণমূল নেতার দলীয় অফিসে উদ্ধার বহু জাল ওষুধ! ড্রাগ কন্ট্রোল হানার পর ফাঁস চক্র
-
কাশীধামের আদলে সাজবে তারকেশ্বর মন্দির, পশ্চিমবঙ্গ দিবসে আসতে পারেন মোদি