৫ আশ্বিন  ১৪২৫  শনিবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  |  পুজোর বাকি আর ২৪ দিন

মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও রাশিয়ায় মহারণ ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বড় বড় উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরাও যা পারেন না, তাই করে দেখিয়েছেন পঁচাত্তর বছরের এক আদিবাসী বৃদ্ধা। শুধুমাত্র জঙ্গলের পাতা কুড়িয়ে। বৃদ্ধার নাম গোরিবেন ভাদেরা। জঙ্গলের পাতা কুড়িয়ে মাত্র ১৪ দিনে প্রায় ৯৭,০০০ টাকা উপার্জন করলেন ওই আদিবাসী বৃদ্ধা। বৃহস্পতিবার তাঁর হাতে ৯৬,৭২৮ টাকার চেক তুলে দিল গুজরাট রাজ্য বন উন্নয়ন নিগম।

[স্বাধীনতা দিবসের আগে রাজধানীর নিরাপত্তায় নামছে দেশের প্রথম মহিলা SWAT টিম]

গত কয়েক দশক ধরে পাতায় ছাওয়া কুঁড়েঘরই ঠিকানা গুজরাত-রাজস্থান সীমান্তের পরোসদা গ্রামের বাসিন্দা গোরিবেনের পরিবারের। চরম দারিদ্র নিত্যসঙ্গী। স্থানীয় ভুট্টা খামারে দিনমজুরের কাজ করেন গোরিবেনের দুই ছেলে। সেই আয় সংসারের নয়টি ক্ষুধার্ত প্রাণের দিন আনা দিন খাওয়া। জঙ্গলের পাতা তোলার কাজে রেকর্ড গড়ায় পুরস্কার স্বরূপ এদিন তাঁর হাতে মোট ৯৬,৭২৮ টাকার চেক তুলে দিয়েছেন রাজ্যের উপ-মুখ্যমন্ত্রী নীতিন প্যাটেল। সবরকান্থা জেলার খেদব্রহ্ম শহরে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে পুরস্কার নিতে নাতি দীপককে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন গোরিবেন।

[হিন্দু মহাসভার অধ্যক্ষ নেতাজির প্রপ্রৌত্রী রাজ্যশ্রী]

অবাক করার মতো বিষয়, জুলাই মাসে মাত্র ১৪ দিনে রেকর্ড পরিমাণ তিমরু পাতা তুলতে সক্ষম হয়েছে গোরিবেনের পরিবার। প্রতি বছর বর্ষায় মাত্র ১৫-২০ দিনের জন্যই পূর্ব গুজরাটের পাহাড়ি জঙ্গল এলাকায় দেখা যায় এই পাতা। বিড়ি তৈরির কাজে এই পাতার চাহিদা সারা বছরই থাকে। স্থানীয় ৩৪ হাজার আদিবাসী পরিবারের ভাগ্য পরিবর্তনে সহায়ক হয়েছে জঙ্গলের তিমরু পাতা। জীবনে প্রথম এই পরিমাণ টাকা একসঙ্গে দেখলেন গোরিবেন। আপ্লুত বৃদ্ধা পরে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “আমি চাই সকলে এমন রোজগার করে ভাল বাড়ি তৈরি করুক। এই অর্থ আমরা ঘর মেরামতির পিছনেই খরচ করব।” গোরিবেনের নাতি দীপক জানিয়েছেন, “ভুট্টা চাষেও ভালই আয় হয়। তবে তার জন্য দীর্ঘ কয়েকমাস ধরে দিনরাত পরিশ্রম করতে হয়। মাত্র কয়েক দিন খেটে এত টাকা রোজগার করা যায়, জানতাম না।”

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং