Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

গুজরাটে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ চলছে, অগ্নিপরীক্ষা মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানির

ভাগ্যপরীক্ষা ৯৭৭ জন প্রার্থীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯, ১৫:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯, ১৫:২৫

options
link
গুজরাটে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ চলছে, অগ্নিপরীক্ষা মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচন। প্রধানমন্ত্রীর আসনে কে বসবেন, ঠিক করে দেবে লোকসভা নির্বাচন। কিন্তু তা সত্ত্বেও কোথাও যেন একটা গুজরাট বিধানসভা নির্বাচন দেশজুড়ে বাড়তি গুরুত্ব পেয়ে গিয়েছে। সম্ভাব্য কারণ হতে পারে, যে এবার সম্মুখসমরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কংগ্রেসের হবু-সভাপতি রাহুল গান্ধী। আর সেই লড়াইয়ের ঢাকেই কাঠি পড়ল শনিবার। গুজরাটের বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম পর্বের ভোট শুরু হল নির্বিঘ্নে। সকাল থেকে ভোট দেওয়ার জন্য ভোটদান কেন্দ্রগুলিতে লাইন দিতে শুরু করেছেন ভোটাররা। ভোট শুরু হয়েছে সকাল ৮ টা থেকে। চলবে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত।

[বিজেপির অস্ত্র মিছিলের পরিণাম রাজস্থানের ঘটনা, তোপ অভিষেকের]

এদিনের প্রথম পর্বের ভোটযুদ্ধে লড়াই মোট ৮৯টি বিধানসভা কেন্দ্রে। ভাগ্য নির্ধারিত হবে ৯৭৭ জন প্রার্থীর। এর মধ্যে ৫৭ জন মহিলা। প্রথম পর্বের হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি। তিনি লড়ছেন রাজকোট পশ্চিম কেন্দ্র থেকে। তবে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী তিনি। ভোটের আগেই বলেন, গুজরাটে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো কোনও শক্তি নেই। একই সুর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদের গলাতেও। সংবাদসংস্থা এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘গুজরাটে বিজেপি ঐতিহাসিক জয় পাবে।’ ঠিক কারণে বিজেপি জিতবে, সেটাও স্পষ্ট করে জানিয়েছেন। ‘মোট তিনটি কারণে বিজেপি জয় পাবে। প্রথমত, বিজেপি রাজ্যের উন্নতিতে অনেক কাজ করেছে। দ্বিতীয়ত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্ব। তৃতীয়ত, কংগ্রেস মোদিজীকে যেভাবে অপমান করেছে, সেটা গুজরাটের মানুষরা কখনই মেনে নেবে না।’

একই রকম আশাবাদী বিজেপি কর্মী-সমর্থকরাও। উলটোদিকে, হার্দিক প্যাটেলের হাত ধরে সৌরাষ্ট্র, কচ্ছ, সুরাট-সহ বেশিরভাগ কেন্দ্রে ভাল ফল করার ব্যাপারে আশাবাদী কংগ্রেস। সৌরাষ্ট্রে যেখানে প্যাটেলদের সংখ্যা বেশি, সেখানে সুরাটে নোট বাতিল এবং জিএসটি ইস্যুতে অল আউট ঝাঁপাতে চাইছে রাহুল গান্ধীর দল। তাঁদের তরফ থেকে উল্লেখযোগ্য প্রার্থী হলেন, জিগনেশ মেভানি এবং অল্পেস ঠাকুর। দলিত নেতা জিগনেশ নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন ভাদগাম থেকে। আর ভোটের কয়েকদিন আগেই কংগ্রেসে যোগ দেওয়া অল্পেস লড়ছেন রাধানপুর থেকে।

[লরির সঙ্গে ধাক্কা, অ্যাম্বুল্যান্সে পুড়ে মৃত্যু নার্স-স্বাস্থ্যকর্মীর]

যদিও ইতিহাস কিন্তু অন্য কথা বলছে। ২০১২ সালে বিধানসভা নির্বাচনে এই ৮৯টি আসনের মধ্যে বিজেপির দখলে গিয়েছিল ৬৭টি আসন। আর কংগ্রেস সেখানে পেয়েছিল মাত্র ১৬টি। অর্থাৎ চারভাগের একভাগ। সেখানে পতিদার সম্প্রদায় এবং নোটবাতিল-জিএসটি ইস্যুর সাহায্যে কংগ্রেস কতটা লড়াই করে এখন সেটাই দেখার। এদিকে, ভোটের আগেই নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, ভোটে ব্যবহৃত সমস্ত ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট মেশিন একদম ঠিকঠাক কাজ করছে। ভোটের কারণে গোটা রাজ্যে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। আর বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে রাখা হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরাও।

[তাঁর সুপারি দিতেই কি পাকিস্তান গিয়েছিলেন মণিশঙ্কর? প্রশ্ন মোদির]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.