Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬

মেয়ের বাড়ির আপত্তি, প্রেমিকের সঙ্গে কিশোরীর বিয়ে দিলেন সরকারি কর্তারাই

জানেন, কোথায় ঘটেছে এই ঘটনা?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৫, ২০১৭, ১৩:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৫, ২০১৭, ১৩:৫৪

options
link
মেয়ের বাড়ির আপত্তি, প্রেমিকের সঙ্গে কিশোরীর বিয়ে দিলেন সরকারি কর্তারাই zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কথায় বলে, যার শেষ ভাল, তার সব ভাল। বাস্তবে ঠিক তেমনটাই ঘটল রাজস্থানের কিশোরী অনু বাঘেলের জীবনেও। অনুর বয়স যখন ১৫ বছর, তখন প্রেমিকের সঙ্গে বাড়ি ছেড়েছিল সে। কিন্তু, গর্ভবতী হয়ে পড়ায় তাকে ফিরিয়ে নিতে অস্বীকার করে পরিবারের লোকেরা। সেই থেকে সরকারি হোমে ছিল অনু। ১৮ বছর পূর্ণ হতেই প্রেমিক শচীনের সঙ্গে অনুর বিয়ে দিয়ে দিলেন স্থানীয় শিশুকল্যাণ কমিটির সদস্যরা। বিয়েতে হাজির ছিল দম্পতির দুই বছরের শিশুকন্যাও।

[সন্তানের স্মৃতি বুকে আগলে বয়স্কদের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন এই দম্পতি]

Advertisement

রাজস্থানের ডোলপুরের বাসিন্দা অনু বাঘেল। ঢোলপুরেরই ভারতপুরের বাসিন্দা শচীন কুমারের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে ওবিসি সম্প্রদায়ের কিশোরীটির। কিন্তু, শচিনের পরিবার তপশিলি জাতি সম্প্রদায়ের। তাই এই সম্পর্ক মেনে নেয়নি অনুর পরিবার। বছর দুয়েক আগে প্রেমিকের সঙ্গে যখন পালিয়ে গিয়েছিল অনু, তখন তার বয়স মাত্র ১৫। ঘটনায় শচীন কুমারের বিরুদ্ধে থানায় অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করে অনুর পরিবারের লোকেরা। কয়েক মাস পরেই অনু ও শচীনের সন্ধান পায় পুলিশ। কিন্তু, অনু গর্ভবতী হয়ে পড়ায়, তাকে ফিরিয়ে নিতে অস্বীকার করে পরিবারের লোকেরা। ১৫ বছরের কিশোরীকে সরকারি হোমে পাঠিয়ে দেয় পুলিশ। পরে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেয় অনু। অন্যদিকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে জেলে যেতে হয় শচীনকে।

[ভারতীয় সেনাকে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি দিয়ে সাহায্যের অঙ্গীকার আমেরিকার]

আঠেরো মাস জেলে ছিলেন শচীন। গত বছর জামিনে মুক্তি পান তিনি। চলতি বছরের জুলাই মাসে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ থেকে বেকসুর খালাস পান শচীন। ঢোলপুর শিশুকল্যাণ কমিটির চেয়ারম্যান বিজেন্দর পারমার বলেন, ‘ চলতি মাসেই ১৮ বছর পূর্ণ করেছে অনু। আমরা জানতে চেয়েছিলাম, ও এখন কী করতে চায়?  অনু আমাদের বলে, শচীনের কোনও আপত্তি না থাকলে, তাঁকে বিয়ে করতে চায়। আমরা পাত্রের বাড়ির লোকের সঙ্গে যোগাযোগ করি। অনু ও তাঁর শিশুকন্যাকে গ্রহণ করতে রাজি হয়ে যান ওঁরা।’  এরপরই অনু ও শচীনের বিয়ের আয়োজন করেন শিশুকল্যাণ কমিটির সদস্যরা। বুধবার ধূমধাম করে বিয়েও হয়ে গেল। বাবা-মায়ের বিয়েতে হাজির ছিল দু’বছরের শিশুকন্যাও। শিশুকল্যাণ কমিটির লোকেরা হাজির থাকলেও, বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেননি অনুর বাড়ির লোকেরা। মেয়ে নিচু জাতের ছেলেকে বিয়ে করায় খুশি নন তাঁরা।

[বাড়ল আধার লিঙ্কের মেয়াদ, কতদিন বাড়ল সময়সীমা?]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.