Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
Hathras Rape Case

সিবিআইয়ের চার্জশিটের পর বাড়ছে চাপ! গ্রাম ছাড়তে চায় হাথরাসের নির্যাতিতার পরিবার

ওই গ্রাম আর নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষে নিরাপদ নয়, জানাচ্ছেন তাদের আইনজীবীও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০২০, ১২:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০২০, ১২:১৫

options
link
সিবিআইয়ের চার্জশিটের পর বাড়ছে চাপ! গ্রাম ছাড়তে চায় হাথরাসের নির্যাতিতার পরিবার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ শুক্রবারই হাথরাসের (Hathras) গণধর্ষণ মামলার চার্জশিট (Chargesheet) পেশ করেছে সিবিআই (CBI)। টিভিতে খবর দেখে আনন্দে কেঁদে ফেলেছিলেন নির্যাতিতার বাবা। ধর্ষণের অভিযোগকে চাপা দিতে ‘অনার কিলিং’-এর যে দাবি তুলেছিল অভিযুক্তর পরিবার, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তা নস্যাৎ করে দেওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন তাঁর দাদারা। কিন্তু এবার নির্যাতিতার পরিবার জানিয়ে দিল, গ্রাম ছাড়ার ব্যাপারে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে তারা।

কিন্তু কেন? হঠাৎই গ্রাম ছাড়ার কারণ কী? নির্যাতিতার এক দাদার কথায়, ‘‘চার অভিযুক্তের পরিবার খুবই প্রভাবশালী। গ্রামে দলিত পরিবারও বেশি নেই। সব মিলিয়ে যে চার-পাঁচটি পরিবার রয়েছে তারা ঝামেলা এড়াতে আমাদের এড়িয়ে চলে। বাকি ৬৩টি পরিবারই উচ্চবর্ণের। তারা আমাদের সঙ্গে কথাও বলে না। শুক্রবার চার্জশিট পেশ হওয়ার পরে পরিস্থিতি আরও প্রতিকূল হয়ে উঠেছে।’’

Advertisement

[আরও পড়ুন: ফের কংগ্রেস সভাপতি পদে সোনিয়াপুত্র? নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাহুলের]

আপাতত সিআরপিএফের নিরাপত্তা কর্মীরা পাহারায় রয়েছেন। কিন্তু তাঁরা আর কতদিন? নির্যাতিতার দাদার আরজি, সরকার যদি দিল্লিতে তাঁদের জন্য একটি বাড়ির ব্যবস্থা করে দিতে পারে তাহলে গ্রাম ছাড়বেন তাঁরা। ওই গ্রামে থাকা যে আর নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষে নিরাপদ নয়, সেই দাবি করেছেন তাদের আইনজীবীও। পাশাপাশি মামলাটি দিল্লিতে সরিয়ে নেওয়ার দাবিও জানাচ্ছেন তিনি।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর হাথরাসের দলিত যুবতীকে চার যুবক গণধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। গণধর্ষণের পরে যুবতীর উপরে বীভৎস অত্যাচারও করা হয়। এর ফলে তাঁর শরীরে নানা জায়গায় হাড় ভেঙে যায়। সারা শরীর পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যায়। পরে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় গর্জে ওঠে গোটা দেশ। দোষীদের দ্রুত বিচার করে শাস্তি দেওয়ার দাবিতে মুখর হয় সবাই। সমালোচিত হয় যোগী সরকারের ভূমিকাও। ঘটনাটিকে ‘অনার কিলিং’ বলেও দাবি করা হয়। যদিও সিবিআইয়ের চার্জশিটে গণধর্ষণ ও খুনেরই উল্লেখ করা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: বিপাকে ফারুখ আবদুল্লা, ক্রিকেট কেলেঙ্কারি মামলায় প্রায় ১২ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.