Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Supreme Court

‘লাইন ক্রস করবেন না’, হাই কোর্টের বিচারপতিকে আঙুল উঁচিয়ে হুমকি আইনজীবীর! কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?

মামলার শুনানি চলাকালীন হাই কোর্টের বিচারপতিকে আঙুল উঁচিয়ে হুমকি দিয়েছিলেন আইনজীবী। বলেছিলেন, "লাইন ক্রস করবেন না!"

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১৭:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১৭:২৩

options
link
‘লাইন ক্রস করবেন না’, হাই কোর্টের বিচারপতিকে আঙুল উঁচিয়ে হুমকি আইনজীবীর! কী বলল সুপ্রিম কোর্ট? zoom
ছবি: সংগৃহীত।

মামলার শুনানি চলাকালীন হাই কোর্টের বিচারপতিকে আঙুল উঁচিয়ে হুমকি দিয়েছিলেন আইনজীবী। বলেছিলেন, “লাইন ক্রস করবেন না!” পরে তাঁকে আদালত অবমাননার নোটিসও ধরিয়েছে হাই কোর্ট। তার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়লেন সেই আইনজীবী। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চের মন্তব্য, “আপনি এখানে এসেছেন এটা দেখানোর জন্য যে, হাই কোর্ট আপনার কিচ্ছু করতে পারেনি!”

গত বছর অক্টোবরে সমাজমাধ্যমে ঝাড়খণ্ড হাই কোর্টের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটির সত্যতা সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল যাচাই করেনি। অভিযোগ, ওই ভিডিওয় মহেশ তিওয়ারি নামে এক আইনজীবী হাই কোর্টের বিচারপতি রাজেশ কুমারের উদ্দেশে আঙুল উঁচিয়ে কিছু অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন। সেই ঘটনা সংক্রান্ত মামলার প্রেক্ষিতে মহেশের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি বলেন, “উনি ক্ষমা চাইতে চাইলে তা করতেই পারেন। আবার রক্তচক্ষু দেখাতে চাইলে তা-ও পারেন। আমরা এখানে বসে নজর রাখছি। তারপর দেখব কী করা যায়।” আইনজীবী ক্ষমা চাইলে হাই কোর্টকে বিষয়টি সহানুভূতির সঙ্গে দেখার পরামর্শও দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

Advertisement

এক মহিলার হয়ে হাই কোর্টে মামলা লড়ছিলেন মহেশ। দেড় লাখ টাকা বকেয়া থাকায় মহিলার বাড়ির বিদ্যুতের সংযোগ কেটে দিয়েছে বিদ্যুৎ দপ্তর। মহেশের আবেদন ছিল, তাঁর মক্কেল ২৫ হাজার টাকা জমা দিলে যেন তাঁর বাড়িতে বিদ্যুতের লাইন আবার জুড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু বিচারপতির বক্তব্য ছিল, তাঁর মক্কেলকে বকেয়ার অন্তত ৫০ শতাংশ জমা করতে হবে। মহেশ তা মেনেও নিয়েছিলেন। এর পরেই আইনজীবী এবং বিচারপতির মধ্যে বচসা বাধে। সেই বচসার সময় মহেশের কথা বলার ধরন নিয়ে পরে আপত্তি তোলেন বিচারপতি। রাজ্য বার কাউন্সিলকে বিষয়টি নিয়ে পদক্ষেপ করার কথাও বলেন। সেই সময় আবার বিবাদে জড়ান দু’জন। মহেশ বিচারপতিকে বলেন, “আমি আমার মতো করেই কথা বলব। আপনার কথা শুনে চলব না। আপনি আমাকে অপমান করতে পারেন না।”

অভিযোগ, সেই সময়েই কথায় কথায় মহেশ বিচারপতিকে বলেন, “আমি ৪০ বছর ধরে আইনজীবীর পেশায় রয়েছি। আপনি লাইন ক্রস করবেন না। দয়া করে লাইন ক্রস করবেন না।” এর পরেই ঝাড়খণ্ড হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ মহেশের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার নোটিস জারি করে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.