২ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

পরীক্ষার একদিন আগেও NEET-JEE নিয়ে অনিশ্চয়তা, সুপ্রিম কোর্টে আজ রিভিউ পিটিশনের শুনানি

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: August 31, 2020 9:02 am|    Updated: August 31, 2020 9:15 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাতে মাত্র একটি দিন। কেন্দ্রের সুপারিশ এবং সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশ অনুযায়ী মঙ্গলবার থেকেই শুরু হচ্ছে JEE মেন পরীক্ষা। ১-৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হবে সর্বভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারিং। ১৩ সেপ্টেম্বর সর্বভারতী ডাক্তারি পরীক্ষা NEET. কিন্তু এখনও এই দুই পরীক্ষা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। করোনা আবহে পরীক্ষা পিছনোর দাবিতে ৬ বিরোধী রাজ্যের দায়ের করা রিভিউ পিটিশনের দ্রুত শুনানি হতে পারে সুপ্রিম কোর্টে। পরীক্ষার দিনক্ষণ পুনর্বিবেচনার পক্ষে রায় দিতে পারে শীর্ষ আদালত, এমনই আশায় বুক বাঁধছে মামলাকারী রাজ্যগুলি। অন্যদিকে, রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, JEE-NEET নিয়ে তাদের কোনও প্রস্তুতি নেই। কারণ, পরীক্ষার দায়িত্ব ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির (NTA)।

সর্বভারতীয় ডাক্তারি, ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষা পিছতে চেয়ে পশ্চিমবঙ্গ-সহ ৬ অবিজেপি রাজ্য সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। পাঞ্জাব, রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ড, ছত্তিশগড়ের সেই আবেদন খারিজ হয়। কেন্দ্রের নির্দিষ্ট করে দেওয়া দিনেই পরীক্ষা হবে বলে জানিয়ে দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। এর পরিপ্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য রিভিউ পিটিশন (Review Petetion) দায়ের করা হয়। তার পাশাপাশি অবশ্য ছত্তিশগড় সরকার পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিনামূল্যে পরিবহণ পরিষেবা দেওয়ার ঘোষণা করে রবিবার। অর্থাৎ পরীক্ষা একান্তই না পিছোলে বিকল্প ব্যবস্থাও করে রেখেছে সে রাজ্যের সরকার। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিয়ালও সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের কাছে আবেদন জানিয়েছেন, পরীক্ষাকেন্দ্রে ছাত্রছাত্রীদের পৌঁছে দেওয়ার জন্য।

আজ, সোমবার জরুরি ভিত্তিতে সেই রিভিউ পিটিশনের শুনানি দেশের শীর্ষ আদালতে। ১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বরের JEE এবং ১৩ তারিখের NEET পিছিয়ে যাবে কি না, এখনও তা নিয়ে ঘোর অনিশ্চয়তা থাকছে। ফলে পরীক্ষার্থী, মামলাকারী – সবপক্ষই আজ তাকিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দিকে।

[আরও পড়ুন: জনপ্রিয়তা কমার ইঙ্গিত? ইউটিউবে প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাতে’র ভিডিওয় ডিসলাইকের বন্যা]

এদিকে, এবছর থেকেই এই পরীক্ষা নেওয়ার কথা ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির। সর্বভারতীয় স্তরে এ ধরনের পরীক্ষার সমগ্র দায়িত্ব ওই সংস্থারই। তাই রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর এ নিয়ে কোনও প্রস্তুতিই নেয়নি বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তবে দূরদূরান্তের পরীক্ষার্থীরা কীভাবে কেন্দ্রে পৌঁছবেন, তা নিয়ে তাদের এবং অভিভাবকদের দুশ্চিন্তার শরিক হয়েছেন তিনি। এদিকে, আজই কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত বর্ষের পরীক্ষার দিনক্ষণ স্থির করতে উপাচার্যদের নিয়ে ভারচুয়াল বৈঠকে বসছেন শিক্ষামন্ত্রী। দিনক্ষণ এবং পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই তা চূড়ান্ত করে ফেলতে হবে।

[আরও পড়ুন: সরকারি অফিসে নিষিদ্ধ পতাকা তোলার জের, দিল্লিতে গ্রেপ্তার দুই খালিস্তানি জঙ্গি]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement