Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
Nepal

ভূমিকম্প নাকি ভয়ংকর তুষারধস! কেন প্রলয়ঙ্করী বিপর্যয় নেপালে? কী বলছেন ভূবিজ্ঞানীরা

মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী উত্তর নেপালের রসুয়া জেলা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৬, ২০:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৬, ২০:১৩

options
link
ভূমিকম্প নাকি ভয়ংকর তুষারধস! কেন প্রলয়ঙ্করী বিপর্যয় নেপালে? কী বলছেন ভূবিজ্ঞানীরা zoom
ভয়াবহ হড়পা বানে বিধ্বস্ত নেপাল।
Advertisement

আকাশে চক্কর কাটছে একের পর এক কপ্টার। নীচে জল থইথই জনপদ। বিপন্ন মানুষের আর্তনাদ। কিন্তু কপ্টার নেমে বানভাসিদের উদ্ধার করে যে নিয়ে যাবে সেই উপায় নেই। বুধবার সকালে এমনই মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী রইল উত্তর নেপালের রসুয়া জেলা। কিন্তু কেন এমন পরিস্থিতি! তথ্য বলছে, গত২৪ ঘন্টায় দেশের কোনও প্রান্তে মেঘভাঙা বৃষ্টি হয়নি। তারপরও এত জলরাশি এল কোথা থেকে! নেপালের ভয়াবহ পরিস্থিতি সামনে আসতেই এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে বিভিন্নমহলের। যদিও ভূবিজ্ঞানীদের একাংশের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ, নদীর গতিপথে তুষারধসের জেরে পাথর এবং বরফের স্তূপ আটকে ছিল। এই অবস্থায় ক্রমশ বাড়তে থাকে জলের চাপ। আর সেই চাপ থেকে ভয়াবহ হড়পা বান।

একইমত ভূগোলের গবেষক তথা চোপড়া কলেজের অধ্যক্ষ মধুসূদন কর্মকারেরও। তিনি বলেন, ”মঙ্গলবার রাতে উত্তর নেপালের কোথাও মেঘভাঙা বৃষ্টির খবর নেই। তবে স্যাটেলাইটে প্রাপ্ত ছবি বলছে তিব্বতে অতিভারী বৃষ্টি হয়েছে।” 

কাঠমাণ্ডুর ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্ডিগ্রেটেড মাউন্টেন-এর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি হিমবাহ থেকে হওয়া তুষারধসের কারণেই এই ভয়াবহ বিপর্যয়। সবথেকে ভয়ঙ্কর বন্যা হয়েছে লেন্ডে খোলা নদীতে। জলবায়ু গবেষণা সংস্থার বিশেষজ্ঞ শাশ্বত সান্যাল সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে জানাচ্ছেন, ১৪ মাসে পরপর দুবার বন্যায় ফুলে ফেঁপে উঠেছে এই লেন্ডে নদী। কিন্তু এবার তুষারধস বিপদ বাড়িয়েছে। আচমকা জলের স্রোত বেড়ে যাওয়ায় তোড়ে ভেসে গিয়েছে সব। এই ঘটনায় বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, হিমালয়ের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার এ এক বিপদ সঙ্কেত।

Advertisement

কার্যত একইমত ভূগোলের গবেষক তথা চোপড়া কলেজের অধ্যক্ষ মধুসূদন কর্মকারেরও। তিনি বলেন, ”মঙ্গলবার রাতে উত্তর নেপালের কোথাও মেঘভাঙা বৃষ্টির খবর নেই। তবে স্যাটেলাইটে প্রাপ্ত ছবি বলছে তিব্বতে অতিভারী বৃষ্টি হয়েছে। সেখানে তুষারধসের কারণে নদীর স্বাভাবিক গতিপথ সাময়িকভাবে আটকে ছিল কিনা সেটাও দেখার বিষয় রয়েছে।” তবে ভূমিকম্পের কোনও তথ্য তিনি পাচ্ছেন না বলেই জানাচ্ছেন মধুসূদন কর্মকার। এদিকে ‘দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তুষার ধসের কারণে লেন্ডে নদী বাধাগ্রস্ত হয়ে একটি হ্রদ তৈরি হয়েছিল। সেই হ্রদের বাঁধ ভেঙে যায়। পত্রিকাটিতে আরও বলা হয়েছে, প্রায় একই সময়ে তিব্বত অংশে ভূমিকম্প হয়। ভারতের আবহাওয়া গবেষকরাও খতিয়ে দেখছেন তিব্বতের কেরুং বা সংলগ্ন উচুঁ এলাকায় তুষারধসের কারণে নদীর স্বাভাবিক গতিপথ সাময়িকভাবে আটকে গিয়েছিল কিনা। আর তা ‘ভেঙে’ বিশাল জলরাশি নিয়ে নেপালে ঝাপিয়ে পড়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.