Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Owaisi Hindenberg

ভারতীয় সংস্থা হলে হিন্ডেনবার্গকে UAPA আইনের আওতায় আনা হতো, দাবি ওয়েইসির

'মুসলিমদের গলা কাটার পরামর্শ দিচ্ছেন বিজেপি নেতা', দাবি আইমিম সাংসদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৩, ১৭:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৩, ১৭:২১

options
link
ভারতীয় সংস্থা হলে হিন্ডেনবার্গকে UAPA আইনের আওতায় আনা হতো, দাবি ওয়েইসির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের সংস্থা হলে হিন্ডেনবার্গকে (Hindenberg) ইউএপিএ আইনের আওতায় ফেলে দেওয়া হত- বিস্ফোরক মন্তব্য করেলন আইমিম (AIMIM) প্রধান আসাদুদ্দিন ওয়েইসি (Asaduddin Owaisi)। হিন্ডেনবার্গের রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই হুহু করে পড়ছে আদানির শেয়ার। বাজেট অধিবেশনের শুরু থেকেই এই বিষয় নিয়ে উত্তাল সংসদের দুই কক্ষ। বিরোধীদের আক্রমণের জবাব দিতে মুখ খুলতে হয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে (Narendra Modi)। এহেন পরিস্থিতিতে মুখ খুললেন আসাদুদ্দিন।

হিন্ডেনবার্গ রিপোর্ট প্রকাশের পরেই প্রশ্ন ওঠে, রকেটের গতিতে আদানির (Adani Group) উত্থানের নেপথ্যে সরকারের কতখানি অবদান ছিল? অন্যান্য বিরোধী দলের আক্রমণের সঙ্গে সুর মিলিয়ে আসাদুদ্দিন বলেন, “হিন্ডেনবার্গ যদি ভারতীয় সংস্থা হতো, তাহলে এখনই ইউএপিএ আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া হত। আদানির বিরুদ্ধে রিপোর্ট পেশ করার ‘অপরাধে’ চরম বিচার প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হত সংস্থাটিকে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: লখনউয়ের নাম বদলে হবে লক্ষ্মণ নগরী! উত্তরপ্রদেশের উপ মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যে জল্পনা তুঙ্গে]

হিন্ডেনবার্গ ছাড়াও একাধিক ইস্যুতে মুখ খুলেছেন আইমিম সাংসদ। সাম্প্রতিক কালে নানা রঙ নিয়ে রাজনীতিতে জড়িয়েছেন বিজেপি নেতারা। সেই বিষয়ে আসাদুদ্দিনের দাবি, তাহলে কি জাতীয় পতাকার রঙ পালটে দেবে মোদি সরকার? ওয়েইসির প্রশ্ন, “কালবুর্গি স্টেশন থেকে সবুজ রঙ সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, কারণ সেটা মুসলিমদের রঙ। তাহলে কি জাতীয় পতাকা থেকেও সবুজ রঙ সরিয়ে দেবে মোদি সরকার?”

মুসলিমদের সুরক্ষা নিয়েও সরব হয়েছেন ওয়েইসি। তিনি বলেন, “বিজেপি সাংসদ বলেছেন শুধু সবজি কাটার জন্য ছুরি ব্যবহার করবেন না, মুসলিমদের মাথা কাটতেও ছুরি কাজে লাগান। কেউ আবার বলছেন, সমাজ থেকেই বয়কট করা হোক মুসলিমদের।”আইমিম সাংসদের মতে, “একটি মাসও এমন যায়নি, যখন মুসলিমদের উপর হামলার ঘটনা ঘটেনি।” সব মিলিয়ে, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তায় ওয়েইসি।

[আরও পড়ুন: গরম শিকের ছ্যাঁকা, যৌন নির্যাতন, কিশোরী পরিচারিকাকে নারকীয় অত্যাচারে গ্রেপ্তার দম্পতি]

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.