Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Gyanvapi Mosque

‘শিবলিঙ্গ’ রয়েছে, জ্ঞানবাপীর ওজুখানার পূর্ণাঙ্গ সমীক্ষা চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হিন্দু পক্ষ

সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে জ্ঞানবাপী মসজিদের ‘বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা’র রিপোর্ট।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০২৪, ১৯:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০২৪, ১৯:১৮

options
link
‘শিবলিঙ্গ’ রয়েছে, জ্ঞানবাপীর ওজুখানার পূর্ণাঙ্গ সমীক্ষা চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হিন্দু পক্ষ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মসজিদের ওজুখানায় রয়েছে ‘শিবলিঙ্গ’। যে জায়গাটির পূর্ণাঙ্গ সমীক্ষা প্রয়োজন। এমন দাবি নিয়েই এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল হিন্দু পক্ষ। তাদের আবেদন, আর্কিওলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার (ASI) ডিরেক্টর জেনারেলকে যেন ওই এলাকাটির খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত।

সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে জ্ঞানবাপী মসজিদের ‘বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা’র রিপোর্ট। ASI রিপোর্ট জানাচ্ছে, বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদের ভিতর হিন্দু দেবদেবীর মূর্তির অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। হনুমান, গণেশ এবং নন্দীর মতো মূর্তি জ্ঞানবাপীর অন্দরে মিলেছে। শুধু তাই নয়, ওজুখানা চত্বরে অসম্পূর্ণ শিবলিঙ্গের অস্তিত্বও পাওয়া গিয়েছে। এই রিপোর্টকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই মুসলিম পক্ষের কাছে জ্ঞানবাপী হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তরফে দাবি করা হয়, এএসআইয়ের হাতে যে সমস্ত প্রমাণ এসে পৌঁছেছে, তাতে এই উপসংহারে আসাই যায় যে এটি আসলে হিন্দু মন্দির। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরাই এখানে আরাধনা করতেন। ভিএইচপির কার্যকরী সভাপতি অলোক কুমার জানান, ১৯৯১ সালের ‘ধর্মীয় উপাসনাস্থল রক্ষা আইন’ মেনেও তাই এই স্থানকে হিন্দু মন্দির বলে ঘোষণা করা উচিত। পাশাপাশি সেখানে হিন্দুদের পুজো করার অনুমতিও দেওয়ার দাবি তোলেন তিনি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: অবশেষে সন্দেশখালি নিয়ে মুখ খুললেন অভিষেক, কী বললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক?]

এবার ওজুখানার ‘রহস্য উন্মোচনে’র আবেদন নিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হিন্দু পক্ষ। তাদের তরফে মামলাকারীর আর্জি, এএসআই-কে ওই চত্বরটি ভালোভাবে পরীক্ষানিরীক্ষা করার অনুমতি দেওয়া হোক। সেখানে থাকা ‘শিবলিঙ্গ’কে অক্ষত রেখেই যেন এই সমীক্ষা করা হয়।

যদিও এএসআইয়ের রিপোর্টকেই চূড়ান্ত বলে ধরে নিতে রাজি নয় মুসলিম পক্ষ। বরং তারা এই রিপোর্ট নিয়ে সন্দীহান। তাদের দাবি, এএসআই তার চেয়ে নতুন কিছুই পায়নি। শুধু নতুন করে সমস্ত মাপঝোপের বিস্তারিত তথ্য দিয়েছে মাত্র।

[আরও পড়ুন: গদি হারাতে পারেন ‘চিনপন্থী’ মুইজ্জু, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে ইম্পিচমেন্টের পথে বিরোধীরা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.