Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Political Rallies

ভোটে শিথিল নিয়ম, নির্বাচনের দোরগোড়ায় দাঁড়ানো রাজ্যগুলিতে রাজনৈতিক সভার অনুমতি কেন্দ্রের

বিহারে বিধানসভা ভোট ছাড়াও ১১ রাজ্যে রয়েছে উপনির্বাচন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৮, ২০২০, ১৮:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৮, ২০২০, ১৮:২৪

options
link
ভোটে শিথিল নিয়ম, নির্বাচনের দোরগোড়ায় দাঁড়ানো রাজ্যগুলিতে রাজনৈতিক সভার অনুমতি কেন্দ্রের zoom
প্রতীকী ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত ৩০ সেপ্টেম্বর আনলক ৫’এর নতুন গাইডলাইন প্রকাশ করেছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। এবার সেই গাইডলাইনে যে বারোটি রাজ্যে সামনেই নির্বাচন (Poll-Bound states) রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে কিছু রদবদল করা হল। সংশোধিত গাইডলাইনে বলা হয়েছে, এই সব রাজ্যগুলিতে এখন থেকেই রাজনৈতিক সমাবেশ (Political Rallies) করা যাবে। আগের গাইডলাইনে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত এই ধরনের সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। অক্টোবরেই বিহারে বিধানসভা নির্বাচন। ২৮ অক্টোবর, ৩ নভেম্বর ও ৭ নভেম্বর – তিন দফায় ভোট। কিন্তু এখনও পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞার কারণে সেখানে কোনও প্রচার সভা করা যায়নি। এবার অবশ্য তাতে বাধা রইল না। 

বিহার ছাড়া ১১টি রাজ্যে রয়েছে উপনির্বাচন – তেলেঙ্গানা, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাট, কর্নাটক, হরিয়ানা, ঝাড়খণ্ড, ছত্তিশগড়, মণিপুর, নাগাল্যান্ড ও ওড়িশা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে এই সব রাজ্যের রাজনৈতিক দলগুলির উদ্দেশে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, রাজনৈতিক সমাবেশ করার সময় যেন করোনা সংক্রান্ত সব রকমের সতর্কতা মেনে চলা হয়। ৩০ সেপ্টেম্বরের গাইডলাইনে যা যা নিয়ম আছে, তা প্রাথমিকভাবে পালন করতে হবে। কনটেনমেন্ট জোনের বাইরে থাকা এলাকাগুলিতেই রাজনৈতিক সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বাক স্বাধীনতার অপব্যবহার, তবলিঘি ইস্যুতে সংবাদমাধ্যমকে কটাক্ষ সুপ্রিম কোর্টের]

৩০ সেপ্টেম্বর শেষ হয়েছিল আনলক ৪ পর্বের সময়সীমা। এরপর পঞ্চম ধাপে পা দেওয়ার আগেই নয়া গাইডলাইন জারি করে কেন্দ্রীয় সরকার। সেখানে জানানো হয়েছিল, ১৫ অক্টোবরের পর স্কুল-কলেজ, সিনেমা হল, থিয়েটার খোলা যাবে। তবে সিনেমা হল বা থিয়েটারে দর্শক সংখ্যা থাকবে অর্ধেক। এদিকে, দেশে দৈনিক সংক্রমণের তুলনায় সুস্থতার হার অনেকটাই বেশি।  ফলে ক্রমে কমছে সক্রিয় বা চিকিৎসাধীন করোনা রোগীর সংখ্যা। সংখ্যাটা কমতে কমতে বৃহস্পতিবার ৯ লক্ষের কাছাকাছি চলে এসেছে। যা স্বস্তি দিচ্ছে স্বাস্থ্যমন্ত্রককে। এই অবস্থায় নির্দিষ্ট সংখ্য়ক লোকজন নিয়ে রাজনৈতিক সভা, সমাবেশেও নিয়ম কিছু শিথিল করে দিল কেন্দ্র।

[আরও পড়ুন: ‘লাদাখে দ্রুত পালটা দিতে তৈরি বাহিনী’, বায়ুসেনা দিবসে হুঙ্কার আর কে এস ভাদুড়িয়ার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.