Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১২ জুলাই ২০২৬

বিয়েবাড়িতে ব্যান্ড বাজানোই পেশা এই গ্রামের মানুষদের

কোথায় আছে এই 'ব্যান্ড' গ্রাম?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০১৭, ১৩:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৪, ২০১৭, ১৩:২৬

options
link
বিয়েবাড়িতে ব্যান্ড বাজানোই পেশা এই গ্রামের মানুষদের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নতুন গানের সুর চলবে ? নাকি, সেই পুরনো নস্টালজিয়ার সুরে পা মেলাবেন। পছন্দ আপনার। তবে যে গানই বাজুক না কেন, আপনি নাচবেনই। আর এঁরাও তৈরি যেকোনও গানে বিয়ের অনুষ্ঠান মাত করতে। পাঞ্জাবের এই গ্রামকে ব্যান্ড অধ্যুষিত গ্রাম বললে খুব একটা ভুল বলা হবে না। লুধিয়ানা থেকে পঁচিশ কিমি দূরে সাঙ্গরুর জেলার পোহির গ্রাম। ৩০টি ব্যান্ড রয়েছে এই গ্রামে। যারা উত্তর ভারতের যে প্রান্তেই বিয়ের অনুষ্ঠান হোক না কেন, যেতে প্রস্তুত।

band2

Advertisement

৪৫০০ লোকের গ্রামে ৩০০-র বেশি মানুষ এই পেশায় যুক্ত। পাইপ ব্যান্ডে সাধারণত চারজন পাইপ বাজিয়ে, তিনজন ড্রামার, একজন বাস ড্রামার এবং একজন ব্যান্ড মাস্টার। শেহনাই বা ট্রাম্পেটের মতো যন্ত্রও ব্যবহার করা হয় কোনও কোনও ব্যান্ডে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

অদ্ভুত অথচ রঙিন সব নামকরণ করা হয় এই সব ব্যান্ডের। খুব সহজেই নজর কাড়ে। যেমন ধরুন মুসকান ফৌজি ব্যান্ড, বা লাভলি খালসা পাইপ ব্যান্ড, আবার রয়েছে হীরা ইন্টারন্যাশনাল ব্যান্ড। বিয়ে থেকে শুরু করে ছোটখাটো যেরকম অনুষ্ঠানই হোক না কেন, ডাক পেলেই হাজির তারা।

[চালকের কানে ফোন? এমন ছবি তুললেই মিলবে পুরস্কার]

বছর তিরিশেক আগেকার গল্প, গুরদীপ সিং বলে এক ব্যক্তি সেনাবাহিনী থেকে অবসর নিয়ে গ্রামে ফিরে প্রথম পাইপ ব্যান্ড তৈরি করেন। প্রায় জনা দশেক মানুষকে প্রশিক্ষণও দেন এর জন্য। গত সাত মাসে ১২৫টি বিয়েবাড়িতে বাজিয়েছেন তারা। লুধিয়ানা, চণ্ডীগড়, জলন্ধর ছাড়াও, রাজ্যের বাইরের এলাকা থেকে ডাক পড়ে গুরদীপের ব্যান্ডের। রাজস্থান, হিমাচল, বিহার, হরিয়ানার মতো রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়ান এঁরা। দিনপ্রতি ৬০০০ টাকা করে পারিশ্রমিক তাদের। যে কোনও বড় বাজেটের বিয়েতে অবশ্য বেড়ে যায় তাদের উপার্জন। আর অমুষ্ঠান অনুযায়ী বদলে যায় এদের গানের নির্বাচন। তাদের মূর্চ্ছনায় বিয়েবাড়িতে রং লাগে। তাদের সুরে অন্য মাত্রা নেয় যে কোনও অনুষ্ঠান।

band3

তবে শুধু এপ্রিল থেকে নভেম্বর। এই কটা মাসই ভরা থাকে সংসার। বিয়ের মরসুমে ঘরে লক্ষ্মী এলেও, বছরের বাকি সময়টা বসে থাকতে হয় এদের। আবার বেজে ওঠার প্রতীক্ষায় থাকে ট্রাম্পেটগুলোও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.