জঙ্গিদের মহিমাণ্বিত করে বই! ঘটনায় যুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করল জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের নায়কের ভূমিকায় দেখানো হয়েছে, এমন অভিযোগ ওঠে প্রকাশনা সংস্থার বিরুদ্ধে। চলতি মাসের শুরুতেই এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য তৈরি হয় উপত্যকায়। এরপরেই কড়া পদক্ষেপ করল সে রাজ্যের পুলিশ। পাশাপাশি স্কুলের লাইব্রেরি থেকে ইতিমধ্যেই বিতর্কিত বইগুলি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরই শিক্ষাদপ্তরের আট কর্মী ও এক চুক্তিভিত্তিক কর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, দপ্তরের কে বা কারা ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে খবর। পাশাপাশি সরকারের তরফে ঘটনায় উচ্চপর্যায়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ, বইগুলিতে জঙ্গি তথা বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা মকবুল ভাটকে ‘শহিদ’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। পাশাপাশি, সইদ আলি শাহ গিলানি, মাসারাত আলম ভাট এবং মিরওয়াজিজ উমার ফারুকের মতো বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদেরও ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ
আরও পড়ুন:
‘পার্সোনালিটিস অ্যান্ড লেজেন্ডস অব জে অ্যান্ড কে’ এবং ‘গ্রেট পার্সোনালিটিস অব জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর’ নামে বই দুটি নিয়েই মূলত অভিযোগ ওঠে। রবিবার ওবেরয় বুক সার্ভিসের ইন্দরপাল সিং ও নয়ডার ডমিন্যান্ট পাবলিসার্স-এর অমরদীপ সিং ও গিরিশ অরোরাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার করা হয়েছে আরও একজনকে। কাউন্টার ইনটেলিজেন্স অফিসাররাই অভিযান চালিয়ে এই তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। ধৃতদের বিরুদ্ধে বিএনএসের ৪৯, ৬১, ১৫২, ১৯৬ ও ৩৫৩ ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ দুটি সংস্থার দপ্তরের তল্লাশি চালায় বলে খবর। জানা গিয়েছে, কাশ্মীর জুড়ে মোট ২৫১ কপি বই ছড়িয়ে গিয়েছিল। সেগুলি সব তুলে নেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ, বইগুলিতে জঙ্গি তথা বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা মকবুল ভাটকে ‘শহিদ’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। পাশাপাশি, সইদ আলি শাহ গিলানি, মাসারাত আলম ভাট এবং মিরওয়াজিজ উমার ফারুকের মতো বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদেরও ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। এমনকী বইতে জম্মু-কাশ্মীরকে ভারতের অধিকৃত বলেও বর্ণনা করা হয়েছে। এই পরিভাষাগুলি সাধারণত পাকিস্তানের সরকারি বক্তব্যে ব্যবহৃত হয়। সেই ভাষা কীভাবে জম্মু-কাশ্মীরের বইগুলিতে ব্যবহার করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে ওমর আবদুল্লা সরকারকে তোপ দাগে বিজেপি। বিজেপি নেতা তথা জম্মু-কাশ্মীরের বিরোধী দলনেতা সুনীল শর্মা শিক্ষামন্ত্রী সাকিনা ইতুকে বরখাস্তের দাবি তোলেন। তিনি বলেন, “আমরা চাই শিক্ষামন্ত্রী সাকিনা ইতুকে বরখাস্ত করা হোক। শুধু তাই নয়, তাকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করা হোক। তরুণ প্রজন্মকে কলুষিত করার লক্ষ্যে শিক্ষা জেহাদ চলছে।”
সর্বশেষ খবর
-
আশঙ্কাই সত্যি! বারুইপুরে গণপিটুনিতে উসকানির অভিযোগে গ্রেপ্তার বামনেতা লাহেক আলি
-
মাকে পৃথিবী থেকে সরালেই ঘরে ফিরবে বউ, শাশুড়ির শর্ত মেনে জন্মদাত্রীকে খুনের চেষ্টা ছেলের!
-
কোভিড আক্রান্ত কুমার শানুপুত্র জান! ফের ফিরছে আতঙ্কের দিন?
-
‘না পোষালে চাকরি ছেড়ে দিন’, প্রাইভেট প্র্যাকটিস নিয়ে চিকিৎসকদের কড়া ‘ওষুধ’ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
-
বেডরুমের পরিবেশেই লুকিয়ে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য! কেমন ঘরে থাকলে হবেন মোহময়ী?