জম্মু ও কাশ্মীরকে পূর্ণরাজ্যের মর্যাদা দিক কেন্দ্রীয় সরকার। এই দাবিতে সোচ্চার হয়ে উঠলেন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। এই দাবিতে রবিবার যন্তর মন্তরে অবস্থানে বসেছেন জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই তিনি বলেন, ‘আমরা এই ইস্যুতে সংসদ অধিবেশনে সোচ্চার হয়েছি। যন্তর মন্তরে অবস্থানে বসেছি। এরপরও যদি আমরা পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা না পাই তাহলে কি এবার আমাদের ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে আবেদন করতে হবে?’
কেন্দ্রকে সতর্ক করে ওমর বলেন, “জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণ দীর্ঘদিন ধরে পূর্ণরাজ্যের মর্যাদা পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। আর বিলম্ব সহ্য করা হবে না। রাজনৈতিক নেতা, সংসদ এবং সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রাজ্যের মর্যাদা পুনরুদ্ধারের আশ্বাস দেওয়া সত্ত্বেও, কেন্দ্র বারবার তার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। আমাদের জনগণ কেন্দ্রের উপর আস্থা রেখেছিল, কিন্তু তার ফল কী হল? একরাশ মিথ্যা প্রতিশ্রুতি।” মুখ্যমন্ত্রীর আরও অভিযোগ, “গণতান্ত্রিক প্রতিনিধিত্বকে শক্তিশালী করার পরিবর্তে গোপনে শাসন প্রক্রিয়া সহজ করতে আসন পুনর্বিন্যাস প্রক্রিয়া করা হয়েছিল। এবং এখন অপারেশন লোটাসের মাধ্যমে দেশের বিরোধী দলগুলোকে দুর্বল ও ভেঙে ফেলার চেষ্টা চলছে।” পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা প্রসঙ্গে সরাসরি মোদিকে নিশানায় নিয়ে ওমর বলেন, “আপনারা নির্বাচনের সময় বড় বড় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, আপনারা বলেছিলেন যে এটি মোদির প্রতিশ্রুতি। আমি প্রধানমন্ত্রী মোদিকে অনুরোধ করছি জম্মু ও কাশ্মীরকে পুনরায় রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া হোক।”
আরও পড়ুন:
ওমর বলেন, ‘আমরা এই ইস্যুতে সংসদ অধিবেশনে সোচ্চার হয়েছি। যন্তর মন্তরে অবস্থানে বসেছি। এরপরও যদি আমরা পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা না পাই তাহলে কি এবার আমাদের ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে আবেদন করতে হবে?’
এছাড়াও ২০২২ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে আসন পুনর্বিন্যাস ইস্যু তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রের সেই সিদ্ধান্তের জেরে আমাদের বিধানসভার আসন সংখ্যা ৮৩ থেকে বেড়ে ৯০ হয়। এরপর ২০২৪ সালের নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দল জম্মু ও কাশ্মীরের পূর্ণ মর্যাদার দাবিকে সমর্থন করেছিল। ওমরের কথায়, “আমাদের এই দাবি কেন্দ্রের কাছে কোনও অনুগ্রহ নয়, বরং জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণের কাছে করা একটি প্রতিশ্রুতি।”
উল্লেখ্য, সম্প্রতি বিজেপির বিরুদ্ধে ন্যাশনাল কনফারেন্সের সরকার ভাঙার অভিযোগ তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। অভিযোগ করেন, তাঁর দলের নেতাকে ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকার টোপ দিয়েছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এসব করে ওদের বিশেষ লাভ নেই। ন্যাশনাল কনফারেন্সের বিধায়করা নিজেদের বিক্রি করবেন না। ২০ কোটি তো দূর, ১০০ কোটি টাকা দিলেও একজনও বিধায়ক নিজের সততা বিক্রি করবেন না। কারণ, আমরা জানি আমাদের ঈশ্বরের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।” যদিও ওমর আবদুল্লার এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মাকে পৃথিবী থেকে সরালেই ঘরে ফিরবে বউ, শাশুড়ির শর্ত মেনে জন্মদাত্রীকে খুনের চেষ্টা ছেলের!
-
কোভিড আক্রান্ত কুমার শানুপুত্র জান! ফের ফিরছে আতঙ্কের দিন?
-
‘না পোষালে চাকরি ছেড়ে দিন’, প্রাইভেট প্র্যাকটিস নিয়ে চিকিৎসকদের কড়া ‘ওষুধ’ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
-
স্কুল পাঠাগারে জঙ্গিদের মহিমান্বিত করে বই! গ্রেপ্তার ৩, উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ ওমরের
-
বেডরুমের পরিবেশেই লুকিয়ে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য! কেমন ঘরে থাকলে হবেন মোহময়ী?