BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘খাবার দিন, নাহলে বাড়ি যেতে দিন’, কাতর আরজি পরিযায়ী শ্রমিকদের

Published by: Sucheta Chakrabarty |    Posted: April 17, 2020 3:44 pm|    Updated: April 17, 2020 10:18 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনের জেরে দেশের বিভিন্ন স্থানে আটকে পরিযায়ী শ্রমিকরা (Migrant Worker)। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের বাড়ি ফেরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তাই হায়দরাবাদে আটকে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকরা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে একটি হৃদয় বিদারক ভিডিও বানিয়েছেন। সেই ভিডিওতে তাঁরা সরকারের কাছে বাড়ি ফেরার কাতর আরজি করেছেন। আর তা না হলে তাঁরা যে রাজ্যে আটকে সেই রাজ্যে তাঁদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবারের ব্যবস্থা করে দেওয়ার দাবি করেন।

মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধান। লকডাউনের ময়াদ বেড়ে যাওয়ায় বাড়ি ফেরার দাবি জানিয়ে মুম্বইয়ের বান্দ্রার রাস্তায় দেখা গিয়েছিল পরিযায়ী শ্রমিকদের বিক্ষোভ। সেই বিক্ষোভ থামাতে গিয়ে বেগ পেতে হয়েছিল পুলিশকে। কোনও ধর্ম নয় কোনও বর্ন নয়। তাঁরা বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন জীবনধারণের প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে। তবে সেই বিক্ষোভের পথে না হেঁটে ক্ষোভ প্রশমন করে হায়দরাবাদে আটকে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকেরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য একটি ভিডিও বানান। সেখানে তাঁরা লকডাউনের দ্বিতীয় পর্বে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার ও বাড়ি ফেরার আরজি জানান। বিহারের পরিযায়ী শ্রমিক বলম রাই, তিনি আটকে বেগমপেটে। তিনি বিহার ও তেলেঙ্গানা সরকারের কাছে আরজি জানান তাঁকে ৩ মে পর্যন্ত পর্যাপ্ত খাদ্য সামগ্রী দিয়ে সাহায্য করতে। পাশাপাশি প্রশান্তি নগরের পরিযায়ী শ্রমিকেরা সরকারের কাছে গাড়ি জোগাড় করার আবেদন করেন, যাতে তাঁরা হায়দরাবাদ থেকে সহজেই বাড়ি ফিরতে পারেন।

[আরও পড়ুন:পরিসংখ্যানে ভুল স্বীকার চিনের, ইউহানে করোনায় মৃতের সংখ্যা বাড়ল ৫০ শতাংশ]

অন্যদিকে চেরলাপেল্লি ও চারমিনারের পরিযায়ী শ্রমিকেরা জানান, আধার কার্ড ও ৫০০ টাকার পরিবর্তে তেলেঙ্গানা মুখ্যমন্ত্রী কেসিআর (KCR) ১২ কেজি রেশন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা পূরণ করেননি। বৃহস্পতিবার ২৪ বছরের এক পরিয়াযী শ্রমিক টানা ২১ দিনের লকডাউনে আটকে থেকে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। শেষে খাবারের অভাব ও বাড়ি ফিরতে না পেরে হায়দরাবাদে আত্মঘাতী হন।

[আরও পড়ুন:আতঙ্কের মাঝে স্বস্তি, করোনা মুক্ত আন্দামানের ১১ জনই]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement