Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Corona Pandemic

মাত্র ১ টাকায় সিলিন্ডার ভরতি অক্সিজেন, উত্তরপ্রদেশের ব্যবসায়ীর উদ্যোগকে কুর্নিশ দেশবাসীর

অক্সিজেনের আকালে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে বিপাকে পড়েছেন করোনা আক্রান্তরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৩, ২০২১, ১৭:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৩, ২০২১, ১৭:১৫

options
link
মাত্র ১ টাকায় সিলিন্ডার ভরতি অক্সিজেন, উত্তরপ্রদেশের ব্যবসায়ীর উদ্যোগকে কুর্নিশ দেশবাসীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশে মারাত্মক আকার ধারণ করেছে করোনার সংক্রমণ (Corona Pandemic)। বিভিন্ন রাজ্যে দেখা দিয়েছে অক্সিজেনের ঘাটতি। এই পরিস্থিতিতে অনেক জায়গাতেই কালোবাজারি হচ্ছে অক্সিজেনের। কোথাও কোথাও তা বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার প্রতি ৩০ হাজার টাকায়। এর ফলে বিপাকেও পড়েছেন করোনা রোগীরা। কিন্তু এর মধ্যেই পরিত্রাতা হিসেবে দেখা দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) হামিরপুরের এক ব্যবসায়ী। করোনা আক্রান্তদের জন্য মাত্র এক টাকায় নিজের কারখানা থেকে অক্সিজেন সিলিন্ডার ভরে দিচ্ছেন তিনি। আর তাঁর এই কাজকেই কুর্নিশ জানিয়েছে গোটা দেশ।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামিরপুরের সুমেরপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় রয়েছে মনোজ গুপ্তার রিমঝিম ইস্পাত ফ্যাক্টরি। গতবছরই করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় আক্রান্ত হয়েছিলেন মারণ এই ভাইরাসে। আর এবার নিজেই কোভিডে আক্রান্তদের সেবায় ব্রতী হয়েছেন। জানা গিয়েছে, মাত্র ১ টাকার বিনিময়ে নিজের কারখানা থেকে অক্সিজেনের সিলিন্ডার ভরতে সাহায্য করেছেন তিনি। ইতিমধ্যে হাজারেরও বেশি অক্সিজেন সিলিন্ডার ভরা হয়েছে মনোজের কারখানা থেকে। প্রাণ বেঁচেছে কয়েকশো করোনা রোগীর।

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনা চিকিৎসায় জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োগ করা যাবে ‘ভিরাফিন’, ছাড়পত্র দিল DCGI]

এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে সংবাদসংস্থা আইএএনএসকে বলেন, “গত বছর নিজেই করোনায় ভুগেছি। ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে আমাকেও যেতে হয়েছ। আমার প্ল্যান্টে প্রতিদিন ১০০০টি করে সিলিন্ডারে অক্সিজেন ভরা যায়। এক টাকার বিনিময়ে ওই সিলিন্ডারগুলি ভরে দিচ্ছি।” জানা গিয়েছে, মনোজের কারখানা থেকে অক্সিজেন ভরাতে করোনা আক্রান্তের পরিবারকে আরটি-পিসিআর টেস্টের রিপোর্ট, চিকিৎসকদের শংসাপত্র এবং আধার কার্ড জমা দিতে হয়। তাহলেই মাত্র ১ টাকার বিনিময়ে অক্সিজেন পেয়ে যাবেন তাঁরা। ঝাঁসি, বান্দা, ললিতপুর, কানপুর, ওরাই, লখনউয়ের অনেকেই মনোজের ওই কারখানায় অক্সিজেন পেতে ভিড় করেছেন। এদিকে, গাজিয়াবাদের ইন্দিরাপুরমের এক গুরুদোয়ারায় শুরু হয়েছে অক্সিজেন লঙ্গর। চালু করা হয়েছে একটি হেল্পলাইন নম্বরও। ওখান থেকেই করোনা আক্রান্তদের পরিবার প্রয়োজনীয় অক্সিজেন পেতে পারেন।

[আরও পড়ুন: করোনা যুদ্ধে এবার শামিল রাম মন্দির তহবিল, অনুদানের অর্থে গড়া হবে অক্সিজেন প্লান্ট]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.