Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
IAF

ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে শিক্ষা, বায়ুসেনার চপারে ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী গাইডেড মিসাইল মোতায়েন ভারতের

রুশ অ্যাটাক হেলিকপ্টারে মোতায়েন ইজরায়েলের ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী স্পাইক মিসাইল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৬, ২০২২, ০৯:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৬, ২০২২, ০৯:২৪

options
link
ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে শিক্ষা, বায়ুসেনার চপারে ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী গাইডেড মিসাইল মোতায়েন ভারতের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইউক্রেন (Ukraine) যুদ্ধ থেকে শিক্ষা। এবার বায়ুসেনার চপারে ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী গাইডেড মিসাইল মোতায়েন করল ভারত। রুশ অ্যাটাক হেলিকপ্টার ও ইজরায়েলি গাইডেড অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক মিসাইলের এই যুগলবন্দি মূলত চিনকে নজরে রেখেই করা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: ইস্টারেও রক্তাক্ত মারিওপোল, আজভস্টাল কারখানায় প্রবল গোলাবর্ষণ রুশ ফৌজের]

বায়ুসেনা সূত্রে খবর, রাশিয়া থেকে কেনা ‘Mi-17V5’ অ্যাটাক হেলিকপ্টারগুলিতে বসানো হয়েছে ইজরায়েলি ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী স্পাইক মিসাইল। প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে সহজে আঘাত হানতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি। এর বিশেষত্ব হচ্ছে, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে দৃষ্টিসীমার বাইরে গিয়ে নির্ধারিত নিশানায় আছড়ে পড়তে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্রটি। ফলে শত্রুর ধরাছোঁয়া বা নজরের বাইরে থেকে হেলিকপ্টার চালক এই মিসাইলটি ছুঁড়তে সক্ষম হন। এদিকে, রাশিয়া থেকে কেনা ‘Mi-17V5’ হেলিকপ্টারগুলি শত্রু বাহিনীর ট্যাঙ্ক, বিশেষ করে সাঁজোয়া গাড়িগুলিকে ধ্বংস করতে সক্ষম। ফলে এই দুই হাতিয়ারের যুগলবন্দি যে অত্যন্ত ঘাতক তা স্পষ্ট।

Advertisement

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, রুশ ট্যাঙ্কের বধ্যভূমিতে পরিণত হয়েছে ইউক্রেন। কিয়েভ, মারিওপোল, সুমি, শেরনিহিভ, খারকভের রাস্তায় দাউ দাউ করে জ্বলতে দেখা গিয়েছে রাশিয়ার টি-৭২ ও টি-৯০ ট্যাঙ্কগুলিকে। আমেরিকার দেওয়া ‘জ্যাভলিন’ অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক মিসাইল এতটাই সফল হয়েছে যে ভালবেসে ইউক্রেনীয় সেনারা ওই ক্ষেপণাস্ত্রের নাম দিয়েছে ‘সন্ত জ্যাভলিন’। আর সেই ঘটনা থেকেই শিক্ষা নিয়েছে ভারত। বলে রাখা ভাল , গালওয়ান সংঘর্ষের পরই পূর্ব লাদাখে বিশাল সংখ্যক ট্যাঙ্ক মোতায়েন করে চিনের সেনাবাহিনী। এবার সেই বাহিনীকে জবাব দিতেই বায়ুসেনার চপারে ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী গাইডেড মিসাইল মোতায়েন করল ভারত।

সমর বিশেষজ্ঞদের অনেকেই বলছেন, ভারতীয় সেনাতেও টি-৭২ ও টি-৯০ ট্যাঙ্ক ব্যবহৃত হয়। এমনকী ভারতীয় বায়ুসেনাও ব্যবহার করে রাশিয়ার অস্ত্র। তাহলে কি আধুনিক যুদ্ধের নিরিখে গুরুত্ব হারাচ্ছে এই অস্ত্রগুলি? সেক্ষেত্রে এই অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধের ক্ষেত্রে রণসজ্জার কৌশলে কি বড় বদল আনা দরকার? এই জায়গাগুলিই খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা মনে করছেন, এই যুদ্ধের ভিডিও দেখে ভারতীয় সেনা আগামিদিনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা নিতে পারে। রাশিয়ার ‘ভুল’গুলি থেকেই উদ্ভাবিত হতে পারে নয়া কৌশল। আর তাই এই যুদ্ধটাকে পাঠ্যের মতো করেই বিবেচনা করা উচিত ভারতীয় বাহিনীর।

[আরও পড়ুন: দ্বিতীয়বার ফরাসি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত ম্যাক্রোঁ, ‘বন্ধু’কে শুভেচ্ছা জানালেন মোদি]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.