Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬

‘চিনা এয়ারফোর্সকে কড়া জবাব দিতে সক্ষম ভারতীয় বায়ুসেনা’

স্থলপথেও চিনকে রুখতে তৈরি ভারত৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৭, ০৮:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৭, ০৮:০৮

options
link
‘চিনা এয়ারফোর্সকে কড়া জবাব দিতে সক্ষম ভারতীয় বায়ুসেনা’ zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দক্ষিণ-চিন সাগর থেকে শুরু করে অরুণাচল সীমান্ত৷ ভারত ও চিনের মধ্যে বিবাদ চলেই আসছে৷ দুপক্ষই এশিয়া মহাদেশে আধিপত্যে বজায় রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছে৷ তবে ভারতের সহনশীল ও শান্তি রক্ষার চেষ্টাকে বরাবর দুর্বলতার লক্ষণ বলে মনে করে এসেছে চিন৷ তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার ক্ষমতায় এসেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে লাল চিনের উসকানি আর বরদাস্ত করা হবে না৷ তাই ভারতীয় সেনার আধুনিকীকরণে কসুর রাখছে না কেন্দ্র৷

(চিনের এই ৫টি অস্ত্রেই চিন্তিত ভারত)

এমনই পরিস্থিতিতে, সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, বায়ুসেনা প্রধান বিএস ধানওয়া দেশকে কে আশ্বস্ত করেছেন যে চিনা হামলার যোগ্য জবাব দিতে সক্ষম ভারতীয় বায়ুসেনা বা আইএএফ৷ তিনি জানিয়েছেন ইতিমধ্যে সীমান্তবর্তী এলাকায় পরিকাঠামো উন্নত করছে আইএএফ৷ পূর্ব-লাদাখে একটি নতুন বায়ুসেনা ঘাঁটি তৈরি করা হয়েছে৷

Advertisement

(নিশানায় ভারত-আমেরিকা ও জাপান, মহড়ায় নামল চিনের ‘রকেট ফোর্স’)

সম্প্রতি, দু’টি ফিফথ জেনারেশন ফাইটার জেট তৈরি করেছে চিন৷ এ বিষয়ে বায়ুসেনা প্রধান জানিয়েছেন যে, ভারতের কাছে রয়েছে রাফালের মত অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান৷ আর চিনা ফিফথ জেনারেশন ফাইটার জেটগুলি এখনো পরীক্ষামূলক স্তরে রয়েছে৷ তিনি আরও জানান, যে বায়ুসেনার হাতে রয়েছে অত্যাধুনিক এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, যা চিনা জঙ্গিবিমান খুঁজতে ও ধ্বংস করতে সক্ষম৷ ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগে জোর দিয়ে বায়ুসেনা প্রধান বলেন যে, ভারতের মাটিতে বিমান বানানো ছাড়াও,  প্রযুক্তির হস্তান্তরের উপর ও জোর দেওয়া হবে৷ এর দ্বারা ভবিষ্যতে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে আরও অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান বানাতে সক্ষম হবে ভারত৷

(দক্ষিণ চিন সাগরে বিপজ্জনকভাবে মুখোমুখি চিন-মার্কিন যুদ্ধবিমান!)

তবে স্থলপথেও চিনকে রুখতে তৈরি ভারত৷ সম্প্রতি, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের সব থেকে বড় দু’টি শহর পোর্ট ব্লেয়ার ও দিগলিপুরকে রেলের মাধ্যমে জুড়ে দেওয়ার প্রকল্প ঘোষিত হয়েছে৷ বিশ্বের ব্যস্ততম বানিজ্যিক পথ মালাক্কা প্রণালীর উপর নজর রেখে ভারত মহাসাগরে আদিপত্য বজায় রাখার চেষ্টায় এই পদক্ষেপ ভারতের৷ সম্প্রতি, ভারত অত্যাধুনিক কামান কেনার জন্য ৭০০ মিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে৷ সূত্রের খবর, এই কামানগুলি বিশেষভাবে চিন সীমান্তে মোতায়েন করা হবে৷ এছাড়াও ৯০,০০০ সৈনিকদের নিয়ে গড়ে তোলা হচ্ছে মাউন্টেন কর্পস৷ পাহাড়ি এলাকায় যুদ্ধে পারদর্শী এই সৈন্যদলটি লালফৌজের উসকানির জবাব দেবে৷

মাসুদ আজহারকে ‘জঙ্গি’ ঘোষণায় ফের বাধা দিল চিন

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.