২৮ ভাদ্র  ১৪২৬  রবিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

২৮ ভাদ্র  ১৪২৬  রবিবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অমরনাথ যাত্রায় হতে পারে বড় ধরনের জঙ্গি হামলা। আর সেই হামলার পিছনে রয়েছে ‘আন্তর্জাতিক জঙ্গি’ মাসুদ আজহারের ভাই ইব্রাহিম আজহার। গোয়েন্দা সূত্রে খবর পেয়ে সেনা এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে। আর সেই ইঙ্গিত পাওয়ার পরই মাঝপথেই বন্ধ করে দেওয়া হয় অমরনাথ যাত্রা।

[আরও পড়ুন: ক্ষমতা হারানোর হতাশা, রাজনীতি ছাড়ছেন ‘অ্যাক্সিডেন্টাল চিফ মিনিস্টার’ কুমারস্বামী!]

গোয়েন্দাদের সূত্র অনুযায়ী, আইইডি বিস্ফোরণ ঘটিয়ে উত্তর কাশ্মীরের সোপোরে বড়সড় নাশকতা চালানোর ছক কষেছিল পাক মদত পুষ্ট জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ। অনুমান, এই পরিকল্পনার ‘মাস্টারমাইন্ড’ ইব্রাহিম আজহার। গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের মুজফফরাবাদে গত মাসেই দেখা গিয়েছিল ইব্রাহিম আজহারকে।

শুক্রবারই লেফেটেন্যান্ট জেনারেল কেজেএস ধীলন জানিয়েছেন, অমরনাথের যাত্রা পথে উদ্ধার করা হয়েছে একটি ল্যান্ডমাইন, যেখানে পাকিস্তান অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরির ছাপ রয়েছে। এছাড়াও টেলিস্কোপিক ভিউয়ের ব্যবস্থা সম্পন্ন একটি এম-২৪ আমেরিকান স্নাইপার রাইফেলও পাওয়া গিয়েছে। এর থেকে স্পষ্ট যে, পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন অমরনাথ যাত্রীদের উপর বড়সড় হামলার ছক কষেছিল। সম্ভবত সেই পরিকল্পনায় মদত ছিল পাক সেনাবাহিনীরও। এরপরেই অমরনাথ যাত্রীদের উপত্যকা ছেড়ে বেরিয়ে আসার পরামর্শ দিয়েছে জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসন। বলা হয়েছে, ‘যাঁরা অমরনাথ পৌঁছে গিয়েছেন বা যাঁরা পথে রয়েছেন, সকলের উদ্দেশেই জম্মু ও কাশ্মীর সরকারের পরামর্শ তাঁরা যেন নিজেদের পরিকল্পনা যত দ্রুত সম্ভব কাটছাট করে ওই এলাকা থেকে বেরিয়ে যান।’

[আরও পড়ুন: যুদ্ধকালীন তৎপরতা কাশ্মীরে! ছুটি বাতিল চিকিৎসকদের, জঙ্গি হামলার কাঁটায় ত্রস্ত উপত্যকাবাসী]

গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৯৯৯ সালে ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের আইসি-৮১৪ বিমান অপহরণের অন্যতম মূল চক্রী ছিল এই ইব্রাহিম আজহার। ছেলে উসমান হায়দারের মৃত্যুর বদলা নেওয়া জন্য বেশ কয়েকবার উপত্যকায় ঢুকে ভারতের বিরুদ্ধে নাশকতার ছকও কষেছিল এই ইব্রাহিমই। এমনকী সীমান্ত রেখা বরাবর হামলা চালানোর জন্য দলও তৈরি করে মাসুদ আজহারের এই ভাই।
এই তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে খতম হয়েছে জিনাত উল ইসলাম নায়কু নামের জইশ কম্যান্ডার। সোপিয়ানে জইশ-ই-মহম্মদের স্থানীয় জঙ্গি হিসাবে পরিচিত নায়কুর সঙ্গে পাকিস্তানে সক্রিয় যোগাযোগ ছিল। উপত্যকায় হিংসা ছড়ানো, পুলিশ হত্যা, সোপিয়ান পুলিশ স্টেশনে বোমাবর্ষণের ঘটনার নেপথ্যে নায়কুর ভূমিকা রয়েছে। শুক্রবারই সোপিয়ানে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিকেশ হয় ওই জঙ্গি।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং