Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬

আর্থিক সঙ্গতিহীনদের জন্য বাজারে এল কম খরচে কৃত্রিম হাত

নয়া উদ্যোগ ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স (আইআইএসসি)-এর৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১২, ২০১৯, ১১:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১২, ২০১৯, ১১:০১

options
link
আর্থিক সঙ্গতিহীনদের জন্য বাজারে এল কম খরচে কৃত্রিম হাত zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দুর্ঘটনা বা অসুস্থতায় অনেকেরই হাতের কনুই থেকে কাটা যায়৷ অথচ কৃত্রিম হাত লাগানোর মতো আর্থিক সঙ্গতি থাকে না কারও কারও, তাঁদের জন্য সুখবর আনল ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স (আইআইএসসি)। আগের তুলনায় অনেক কম দামে এবার কৃত্রিম হাত লাগাতে পারবেন তাঁরা। শুধু কম খরচই নয়, সেই সঙ্গে কৃত্রিম অঙ্গের আড়ষ্টতা নিয়েও আর চলতে হবে না। কারণ, প্রায় আসল হাতের মতো কর্মক্ষম হবে এই কৃত্রিম হাত।

[ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দেশের অর্থনীতি, সুখবর শোনাল বিশ্বব্যাংক]

এতদিন বিদেশ থেকে আমদানি করা এই কৃত্রিম হাতের দাম পড়ত ৭০ হাজার থেকে সাড়ে তিন লক্ষ টাকা। বিদেশি এই কৃত্রিম হাতের কব্জি, পাঁচটা আঙুল সবই নাড়ানো সম্ভব। এবার সেই একই রকম নমনীয় ও কার্যক্ষম কৃত্রিম হাত তৈরি করছে আইআইএসসি। আর এর জন্য খরচ পড়বে ৫০ হাজার টাকারও কম। বেশ কয়েক বছর আগে এই কৃত্রিম হাত তৈরিতে সাফল্য এলেও এতদিন তা ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে ছিল। অবশেষে দেশে ৪৫ জনের উপর পরীক্ষামূলক গবেষণা চালিয়ে বাজারে আনতে চলেছে আইআইএসসি।

Advertisement

[অপটু নার্সদের টানাটানির জের, ধড় থেকে আলাদা সদ্যজাতর মাথা]

এই কৃত্রিম হাতের প্রধান গবেষক দীবাকর সেন জানান, এতদিন বাজারে যে হাতগুলি পাওয়া যেত সেগুলি ইলেক্ট্রোমায়োগ্রাম নির্ভর। কিন্তু ভারতীয় প্রতিষ্ঠানে তৈরি এই কৃত্রিম হাতে পেশীর নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। আর তা সম্ভব বৈদ্যুতিক চার্জের মাধ্যমে। এই পদ্ধতিতে হাতের পেশীর থেকে স্পন্দন কৃত্রিম হাতে সংবাহিক হতে পারবে। ফলে কৃত্রিম হাত ব্যবহারকারী যে কোনও আকার বা আকৃতির কোনও বস্তু তুলতে বা ধরতে পারবেন। একবার এই কৃত্রিম হাতে চার্জ দিলে তা প্রায় দেড়দিন পর্যন্ত কার্যকর থাকে বলেও জানিয়েছেন অধ্যাপক সেন। শুধু তাই নয়, এই কৃত্রিম হাতের ওজন মাত্র ৫৫০ গ্রাম। কৃত্রিম এই অঙ্গকে আপন করে নিতে মাত্র এক সপ্তাহের প্রশিক্ষণই যথেষ্ট বলে দাবি করেছেন গবেষকরা। আইআইএসসি-র সঙ্গে এই প্রকল্পে যৌথভাবে কাজ করেছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.