সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কয়েক বছর ধরেই ভারতে সাম্প্রদায়িক বিভাজনের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠছে। কিছু কিছু জায়গায় সংখ্যালঘু মুসলিম যুবকদের উপর অত্যাচারের ঘটনায় কট্ররপন্থী হিন্দু সংগঠনের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলছেন কেউ কেউ। কোনও কোনও ক্ষেত্রে আবার কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপিকে এই ধরনের ঘটনার জন্য দায়ী করেছে বিরোধীরা। ঠিক সেই সময়ে বিজেপি শাসিত কর্ণাটকে অবস্থিত বিখ্যাত লিঙ্গায়েত (Lingayat) মঠের প্রধানের দায়িত্ব নিতে চলেছেন এক মুসিলম যুবক। চার সন্তানের পিতা ৩৩ বছরের ওই যুবকের নাম দিওয়ান শরিফ রহিমসাহাব মুল্লা। আগামী ২৬ তারিখ তিনি এই দায়িত্ব নেবেন বলে মঠ কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর।
Karnataka: A 33-year-old Muslim man, Dewan Sharief Mullah, is all set to become a seer at Muruga Rajendra Mutt, in Gadag. He was ordained by Sri Murugarajendra Koraneswara Swami of the mutt. Sharief says “Nobody asked me to do it, the almighty came in my mind & guided me.” (19.2) pic.twitter.com/2zZHwJAvSN
Advertisement— ANI (@ANI) February 20, 2020
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক বছর আগে উত্তর কর্ণাটকের গাদগ জেলায় অবস্থিত অসুতি গ্রামে মঠ তৈরির জন্য দু’একর জমি দান করেছিলেন ওই যুবকের বাবা। খাজুরি মঠের তৎকালীন প্রধান পুরোহিত মুরুগারাজেন্দ্র কোরনেশ্বর শিবযোগীর কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে এই জমি দিয়েছিলেন তিনি। পরে ওই অসুতি মঠের পুরোহিতের দায়িত্ব নেন রহিমসাহাব মুল্লা। তারপর থেকে সেখানকার দায়িত্বই সামলে আসছেন তিনি। কিন্তু, তাঁর ধর্মীয় জ্ঞান ও সততা তাঁকে এই কর্ণাটকের উত্তর প্রান্তে অবস্থিত গাদগ জেলার লিঙ্গায়েত মঠের প্রধান পদে উত্তীর্ণ করল।
[আরও পড়ুন: ‘পাকপ্রেমী কাশ্মিরী ছাত্রদের জিভ কাটলেই ৩ লাখ নগদ’, নিদান শ্রী রাম সেনা নেতার]
এপ্রসঙ্গে ওই যুবক রহিমসাহাব বলেন, আগে পাশের গ্রামে আমার একটি চালকল ছিল। তা থেকে যা রোজগার হত তা দিয়ে সংসার চালাতাম। আচমকা একদিন আমার মনে হয়, ভগবান আমাকে অসুতি মঠের পুরোহিতের দায়িত্ব নিতে বলছেন। তারপরই আমি এই দায়িত্ব নিই। এখন আবার আরও বড় দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে মঠ কর্তৃপক্ষের তরফে।
[আরও পড়ুন: ‘১০০ কোটিকে শিক্ষা দেবে ১৫ কোটি মুসলিম’, হুমকি AIMIM নেতার ]
মুসলিম সম্প্রদায়ের একজন যুবককে কেন লিঙ্গায়েত মঠের প্রধান বানানো হচ্ছে? এই প্রশ্নের উত্তরে অসুতি মঠের প্রধান পুরোহিত শিবযোগী বলেন, ‘লিঙ্গায়ত মঠের নিয়ম অনুযায়ী একটি পরিবারের প্রধান কখনই পুরোহিত হিসেবে নিযুক্ত হতে পারেন না। কিন্তু, চার সন্তানের পিতা মুল্লার ক্ষেত্রে বিষয়টি আলাদা। বাসভন্নার দর্শন সারা বিশ্বের জন্য নিবেদিত। তাঁর শিক্ষা অনুযায়ী, আমরা ধর্ম ও জাতিভেদ মানি না। সব সম্প্রদায়ের ভক্তদের কাছে টেনে নিই। আর মুল্লাকে লিঙ্গায়েত মঠের প্রধান বানানোর পিছনে কারণ হল, একজন পরিবারভুক্ত মানুষই কেবল সামাজিক ও আত্মিক কাজে নিপুণ হতে পারেন।’
সর্বশেষ খবর
-
‘কর বাড়ালেই রাজস্ব বাড়বে তার কোনও মানে নেই’, অর্থ দপ্তরের দায়িত্ব নিয়েই উত্তরবঙ্গে স্বপন
-
কলেজের ইউনিয়ন রুমে মদের বোতল, নিষিদ্ধ কফ সিরাপ-সিরিঞ্জ, এবার শোরগোল জলপাইগুড়িতে
-
সুরেন্দ্রনাথে ‘বেডরুম’ থেকে নিয়োগ দুর্নীতি, উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রিত্ব পেয়ে ঝোড়ো ব্যাটিং জগন্নাথের
-
‘আঁধার করে আসে’… বিকেলেই নামল রাত, কলকাতাজুড়ে প্রবল বৃষ্টিপাত
-
বাংলার খেলাকে ধ্বংস করেছেন অরূপ! ময়দানকে স্বজনপোষণমুক্ত করার অঙ্গীকার নয়া ক্রীড়ামন্ত্রীর