সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নয়ডায় ফের ছাত্রের রহস্যমৃত্যু। শুক্রবার রাতে হস্টেল থেকে উদ্ধার সারদা বিশ্ববিদ্যালয়ের বি.টেক কম্পিউটার সায়েন্সের ছাত্রের দেহ। জানা যাচ্ছে, ক্যাম্পাস থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত হোস্টেলের ঘর থেকে ছাত্রের ফাঁস লাগানো দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক অনুমান, ২৪ বছরের ওই যুবক মানসিক অবসাদে আত্মঘাতী হয়েছেন। জানা যাচ্ছে, বছর চব্বিশের মৃত যুবকের বাড়ি বিহারের পূর্ণিয়া জেলায়।
পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়েছে। তাতে ছাত্র লিখেছেন, কিছুদিন ধরেই তিনি প্রচণ্ড মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন। দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষায় তিনি অকৃতকার্য হন। তারপর থেকে কলেজ যাওয়া বন্ধ করে দেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে অবশিষ্ট ফি ফেরত দেওয়ারও অনুরোধ করেছিলেন ওই ছাত্র। পুলিশ জানিয়েছে, সুইসাইড নোট অনুযায়ী কোনও এফআইআর দায়ের করা হয়নি। তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, নোটে ওই ছাত্র স্পষ্টভাবে লিখেছেন, আত্মহত্যার সিদ্ধান্তের জন্য কেউ দায়ী নয়। তিনি মানসিকভাবে হতাশ ছিলেন।
ছেলের আত্মহত্যার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় এবং হস্টেল কর্তৃপক্ষকেই দায়ী করছেন যুবকের বাবা। তাঁর ছেলে কলেজ যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল, সেকথা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে জানায়নি বলেই অভিযোগ করছেন তিনি। মৃত্যুর আগের দিনও ছেলের সঙ্গে পরিবারের কথা হয়। ছেলে যে মানসিক চাপে আছে তা বুঝতেই পারেননি তাঁরা।
‘আত্মঘাতী’ ছাত্রকে কলেজের পড়ুয়া বলেই মানতে নারাজ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তাঁরা সাফ জানাচ্ছেন, বিগত দুই বছরে ওই ছাত্র নিজের নাম কলেজে নথিভুক্ত করেনি। দ্বিতীয় বর্ষে ফেল করার পর ছাত্র নতুন করে আর ভর্তিও হয়নি। গোটা বিষয়টা অবগত করে ছাত্রকে মেল করা হয়েছিল। যদিও ওই ছাত্র বা তার পরিবারের তরফে কোনওরকম সাড়া মেলেনি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
সর্বশেষ খবর
-
মাথার উপর দিয়ে চলে গেল ট্রাক! আমেরিকায় ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারের মর্মান্তিক মৃত্যু
-
ডিজিটাল ভারতের সাফল্যের মূল্য যেন সাধারণ মানুষকে চোকাতে না হয়!
-
গৃহহীন এখনও ২৩ লক্ষ, রাজ্যে সময়মতো ‘আবাস প্লাস’ সমীক্ষা শেষ করতে চালু সেলফ সার্ভে
-
মুখ্যমন্ত্রীর কপ্টারে যান্ত্রিক ত্রুটি! কেশপুরে যাওয়ার পথে কোলাঘাটে জরুরি অবতরণ
-
ট্রাইব্যুনালে কত নিষ্পত্তি? এসআইআর মামলায় কমিশনের কাছে তথ্য তলব সুপ্রিম কোর্টের