Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Bangladesh

বাংলাদেশে কেমন হল নির্বাচন? মুখ খুলল ভারত, দিল্লি থেকে প্রতিক্রিয়া হাসিনারও

বৃহস্পতিবার সকাল ৭.৩০ থেকে বিকেল ৪.৩০ পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ পর্ব। প্রাথমিক জানা গিয়েছে, প্রায় ৫০ শতাংশ ভোট পড়েছে। এর পরেই সামনে এল দিল্লির সংক্ষিপ্ত মন্তব্য।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬, ১৮:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬, ১৮:৩৫

options
link
বাংলাদেশে কেমন হল নির্বাচন? মুখ খুলল ভারত, দিল্লি থেকে প্রতিক্রিয়া হাসিনারও zoom
বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল (বাঁ দিকে) ও শেখ হাসিনা। ফাইল চিত্র।

বাংলাদেশে কি আদৌ ‘বিশ্বাসযোগ্য’ নির্বাচন হয়েছে? প্রশ্ন উঠছে ভারতের প্রতিক্রিয়ায়। বৃহস্পতিবার সকাল ৭.৩০ থেকে বিকেল ৪.৩০ পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ পর্ব। প্রাথমিক জানা গিয়েছে, প্রায় ৫০ শতাংশ ভোট পড়েছে। এর পরেই সামনে এল দিল্লির সংক্ষিপ্ত মন্তব্য। সেখানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের প্রতি ভারত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছে। পাশাপাশি বর্তমান নির্বাচনের ফলাফলের দিকেও নজর রাখা হচ্ছে। অন্যদিকে দিল্লি থেকে হাসিনার বার্তা, এই নির্বাচন প্রহসন ছাড়া কিছু নয়। বর্তমান ভোটপ্রক্রিয়াকে বাতিলেরও আবেদন জানালেন তিনি। 

বৃহস্পতি সন্ধ্যায় পদ্মাপাড়ের নির্বাচন নিয়ে সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া দেন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের প্রতি ভারত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছে। পাশাপাশি বর্তমান নির্বাচনের ফলাফলের দিকেও নজর রাখা হচ্ছে।” তবে ফল নিয়ে মন্তব্যের আগে ভারত মনে করাতে চায়, বরাবরের মতোই বাংলাদেশে “অবাধ, সুষ্ঠু, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের” পক্ষে ভারত।

Advertisement

বৃহস্পতি সন্ধ্যায় পদ্মাপাড়ের নির্বাচন নিয়ে সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া দেন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।

অন্যদিকে বর্তমান নির্বাচন প্রহসন বললেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে বর্তমান নির্বাচনকে বাতিল করার দাবি তুললেন তিনি। হাসিনার বক্তব্য, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনুস একটি অবৈধ, বেআইনি নির্বাচন অনুষ্ঠিত করেছে, যেখানে আওয়ামি লিগকে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি। হাসিনার বক্তব্য, “১১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা থেকে ভোটকেন্দ্র দখল, গুলি চালানো, ভোট কেনার জন্য ব্যাপক অর্থের ব্যবহার, ব্যালট পেপারে স্ট্যাম্পিং এবং ফলাফলের শিটে এজেন্টদের স্বাক্ষর নেওয়ার মাধ্যমে প্রহসন শুরু হয়। ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে দেশের বেশিরভাগ ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি অত্যন্ত কম ছিল। রাজধানীর পাশাপাশি দেশের অন্যান্য অংশেও ভোটকেন্দ্রগুলি সম্পূর্ণ ভোটাশূন্য ছিল।”

এই যুক্তিতেই “অবৈধ এবং বেআইনি নির্বাচনকে বাতিল করার দাবি তুলেছেন তিনি।” পাশাপাশি ইউনুসের পদত্যাগ, সমস্ত রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী এবং পেশাদারদের মুক্তি এবং আওয়ামি লিগের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শেখ হাসিনা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.