Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Andaman

আন্দামানে যখের ধন! ২ লক্ষ কোটি লিটার তেলের খনির হদিশ, ফুলেফেঁপে উঠবে রাজকোষ

এই তৈলখনি ভারতের অর্থনীতির চেহারা আমূল বদলে দিতে পারে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০২৫, ১০:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০২৫, ১০:৫১

options
link
আন্দামানে যখের ধন! ২ লক্ষ কোটি লিটার তেলের খনির হদিশ, ফুলেফেঁপে উঠবে রাজকোষ zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আন্দামানে যখের ধন পেল ভারত! সোমবার কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী জানালেন, আন্দামান সাগরে খনিজ তেলের বিরাট ভাণ্ডার থাকার ইঙ্গিত পেয়েছে ভারত। অনুমান করা হচ্ছে, অন্তত ২ লক্ষ কোটি লিটার খনিজ তেল রয়েছে ওই অঞ্চলে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এই তৈলখনি ভারতের অর্থনীতির চেহারা আমূল বদলে দিতে পারে।

কেন্দ্রীয়মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী জানান, যদি আমাদের অনুমান সঠিক হয়, তাহলে এই তৈলখনির জেরে ভারতের জিডিপি একধাক্কায় ৫ গুণ বেড়ে যাবে। কেন্দ্রের অনুমান, সম্প্রতি ছোট্ট দেশ গুয়ানাতে যেমন তেলের ভাণ্ডারের খোঁজ মেলার পর এই দেশের চেহারা বদলে গিয়েছে। ভারতেরও তেমনই সুদিন আসতে চলেছে। মন্ত্রী বলেন, ভারত শক্তি ও জ্বালানি ক্ষেত্রে আত্মনির্ভর হওয়ার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালাচ্ছে। আন্দামানে তেলের ভাণ্ডারের খোঁজ সেই লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। যদি আমাদের চেষ্টা সফল হয় তবে শক্তি ও জ্বালানি ক্ষেত্রে ভারতের এক নয়া পরিচয় তৈরি হবে। আমাদের বিশ্বাস এই তেলের খনি ভারতের জ্বালানি চাহিদার বেশিরভাগই পূরণ করতে সক্ষম হবে। সেক্ষেত্রে বাইরের দেশ থেকে তেল আমদানি অনেকাংশে কমে যাবে। এবং অর্থনৈতিকভাবে ভারত আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

Advertisement

সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ২০০২ সাল থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে জ্বালানি ক্ষেত্রে আমাদের খুব বেশি অগ্রগতি হয়নি। এই অবস্থায় মোদি সরকারের উদ্যোগে পুরনো নীতিতে পরিবর্তন আনা হয়। আগে যেখানে অনুসন্ধান ক্ষেত্রে খুব বেশি অর্থ ব্যয় করত না ভারত। বরং বিনিয়োগে জোর দেওয়া হত। নয়া নীতিতে অনুসন্ধান ক্ষেত্রে জোর দেওয়া হয়েছে। সেইমতো ২০২৪ অর্থবর্ষে ওএনজিসি মোট ৫৪১টি কুয়ো খুড়েছে, যা বিগত ৩৪ বছরে সর্বোচ্চ। যার জেরে অসম, গুজরাট, রাজস্থান, মুম্বই ও কৃষ্ণা-গোদাবরী অঞ্চলে তেলের খনির খোঁজ মিলেছে। এছাড়া বিশাখাপত্তনম, মাঙ্গালোর ও পাদুরেও তেলের রিজার্ভ রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ওড়িশা ও রাজস্থানে সম্প্রতি তেলের ভাণ্ডারের খোঁজ মিলেছে। সেই পথে হেঁটে এবার আন্দামানে

উল্লেখ্য, এতদিন ভারত নিজের প্রয়োজনের জ্বালানি তেলের ৮৫ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করত। অপরিশোধিত তেলের ক্ষেত্রে বিশ্বে তৃতীয় বৃহত্তম আমদানিকারক দেশ ভারত। যার জেরে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি অস্থির হয়ে উঠলে বারবার সমস্যার মুখে পড়তে হয় ভারতকে। সাম্প্রতিক ইজরায়েল ও ইরানের যুদ্ধে সেই উদ্বেগ নতুন করে মাথাচাড়া দিয়েছে ভারতের জন্য। এই পরিস্থিতিতে আন্দামানে যদি তেল উত্তোলন শুরু হয়, তবে ভারতকে আর অন্য কোনও দেশের উপরে নির্ভর করতে হবে না।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.