২২ আষাঢ়  ১৪২৭  মঙ্গলবার ৭ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

নজরে চিন, এক মাসেরও কম সময়ে অরুণাচলে সেতু তৈরি করল ভারত  

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: April 25, 2020 10:35 am|    Updated: April 25, 2020 10:35 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চিনকে নজরে রেখে  উত্তর-পূর্ব ভারতে সামরিক পরিকাঠামো আরও মজবুত করল ভারত। ধোলা-শদিয়া, বগিবিলের পর এবার অরুণাচল প্রদেশে চিন সীমান্তে একটি নয়া ব্রিজ তৈরি করেছে সরকার।   

[আরও পড়ুন: করোনা LIVE UPDATE: দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ২৪ হাজার ছাড়াল, মৃত বেড়ে ৭৭৫]   

চিন সীমান্তে যাতায়াতের পথ সুগম করতে উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন এলাকায় গত চার বছরে একাধিক সেতু তৈরি করেছে ভারত সরকার। নানা রাস্তার সংস্কার, সম্প্রসারণ করা হয়েছে। অনেক রাস্তা চওড়া করে সীমান্ত পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। সেরকমই আরেকটি বড় পদক্ষেপ করল সরকার। অরুণাচল প্রদেশে সুবনসিরি নদীর উপর দাপোরিজো ব্রিজের উদ্বোধন করা হল। এক মাসেরও কম সময়ে এই সেতু তৈরি হয়েছে। লকডাউন চলার সময়েও জরুরিভিত্তিতে কাজ করেছেন বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনের কর্মী ও অফিসাররা। শতাধিক শ্রমিক এই নির্মাণকাজে অংশ নিয়েছেন। দুটি গাড়ি পাশাপাশি পার হতে পারবে এই সেতুতে। অনেক নিচে রয়েছে খরস্রোতা নদী। মূলত যাতায়াতের সুবিধা ছাড়াও চিন সীমান্তে দ্রুত লক্ষাধিক সৈন্য এবং সাঁজোয়া গাড়ি এই সেতু দিয়ে পারাপার করানো যাবে। তবে ভারী ট্যাঙ্ক পার হতে সময় লাগবে। কারণ সেতুটি একসঙ্গে ৪০ টনের বেশি ওজন বহন করতে পারবে না। আগে বগিবিল সেতু, ধোলা শদিয়া সেতু, সিসেরি সেতু-সহ একাধিক সুবিশাল সেতু অসম ও অরুণাচলে নির্মাণ করেছে বিআরও।

উল্লেখ্য, অসমে ধোলা-শদিয়া সেতুর পর দেশের দীর্ঘতম ও এশিয়ার দ্বিতীয় দীর্ঘতম ব্রিজ বগিবিল। ৪.৯৪ কিলোমিটারের এই ব্রিজ নির্মাণে খরচ হয়েছে ৫,৯০০ কোটি টাকা। এর ফলে অসমের ডিব্রুগড় থেকে অরুণাচলের রাজধানী ইটানগরের মধ্যে দূরত্ব অনেকটাই কমেছে। ফলে চিন সীমান্তে অনেক কম সময়য়েই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করতে পারবে ভারত। উল্লেখ্য, বহুদিন ধরেই অরুণাচলের উপর দাবি জানিয়ে এসেছে বেজিং। সম্প্রতি তিব্বতে প্রচুর সেনা, বোমারু বিমান ও ট্যাঙ্ক মোতায়েন করেছে লালফৌজ। তবে ১৯৬২-র যুদ্ধ থেকে শিক্ষা নিয়েছে ভারত। তাই অরুণাচলে সামরিক পরিকাঠামো মজবুত করতে মহাবাহু ব্রহ্মপুত্রের উপর পরপর দু’টি ব্রিজ তৈরি করে ফেলেছে দিল্লি। প্রসঙ্গত, ভারতীয় সেনার হাত রয়েছে রুশ নির্মিত টি-৭০, টি-৯০ ভীষ্ম ও অর্জুন ট্যাঙ্ক। এগুলির ওজন ৬০ টনের মধ্যেই। বগিবিল সেতুটি এই ধরনের ভারি সামরিক যানের কথা মাথায় রেখেই তৈরি করা হয়েছে। ফলে আদেশ পাওয়া মাত্র তিনসুকিয়া সেনাঘাঁটি থেকে লালফৌজের সঙ্গে টক্কর দিতে রওনা দেবে স্থলসেনার ঘাতক ট্যাঙ্কবাহিনী। একই সঙ্গে ওই সেতুটিতে নামতে পারবে বা উড়ান ভরতে পারবে বায়ুসেনার অত্যাধুনিক সুখোই, মিগ-২৯ ও জাগুয়ারের মতো যুদ্ধবিমানগুলি।

[আরও পড়ুন: ধোলা-শদিয়া সেতুতে উদ্বিগ্ন বেজিং হুঁশিয়ারি দিল ভারতকে]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement