Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬

নজরে চিন, সিকিমে ১৫ হাজার ফুট উঁচুতে চালু পেট্রল পাম্প

সময় ও অর্থের অপচয় কমবে, মত সেনা কর্তাদের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৪, ২০১৭, ১৬:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৪, ২০১৭, ১৬:১৪

options
link
নজরে চিন, সিকিমে ১৫ হাজার ফুট উঁচুতে চালু পেট্রল পাম্প zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সেনাবাহিনীর স্বার্থে ভারত-চিন সীমান্তের প্রত্যন্ত এলাকায় পেট্রল পাম্প খুলল রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থা ভারত পেট্রলিয়াম। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৫ হাজার ফুট উচ্চতায় উত্তর সিকিমের ইয়ংডি এলাকায় সম্প্রতি এই পেট্রল পাম্পটির উদ্বোধন করা হয়েছে।

[ডোকলামে ফের মুখোমুখি ভারত ও চিনের সেনা, সতর্ক করলেন রাওয়াত]

Advertisement

উদ্বোধনের পর তা ব্যবহারের জন্য সেনা কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভারত পেট্রলিয়ামের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর বিমল নাথন। পাম্পটি স্থাপন হওয়ায় খুশি সেনা কর্তৃপক্ষও। সিকিম সীমান্তে প্রহরারত ৪৪ আর্মার রেজিমেন্টের ব্রিগেডিয়ার এস এস দেওসির বক্তব্য, এই প্রত্যন্ত এলাকায় পাম্পটি বসানোয় টহলদারির ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা হবে। বাড়ানো যাবে টহলদারি গাড়ি। সেনাবাহিনীর ৪৪ আর্মার রেজিমেন্টের অধীনে উত্তর সিকিমের ইয়ংডি এলাকাটি চিনা সীমান্ত থেকে মাত্র ২২ কিলোমিটার দূরে। সম্প্রতি ভারত-চিন সম্পর্কে নতুন করে জলঘোলা হওয়ায় সিকিমের চিন সীমান্ত এলাকায় তৎপরতা বাড়িয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। এর জেরে বেড়েছে সেনা টহলও।

[‘মুকুল নয়, তৃণমূল ভাঙবে আমার হাত ধরেই’]

এতদিন টহলদারির জন্য গাড়িতে পেট্রল ভরতে অনেকটাই নিচে নামতে হত সেনার গাড়িগুলিকে। এতে সময় ও অর্থের অপচয় হত বলে জানাচ্ছেন সেনাকর্তারা। এই সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসে ভারত পেট্রলিয়াম। ‘এনার্জি ফর নেশন’ স্কিমে এই প্রত্যন্ত এলাকায় পেট্রল পাম্পের পরিকাঠামো গড়ে দিতে সম্মত হয় তারা। এটি দেশের দ্বিতীয় উচ্চতম প্রত্যন্ত এলাকা যেখানে এধরনের পেট্রল পাম্প স্থাপন করা হল।  এখানেই ২০ ফুট গভীরে মাটির নিচে সাতটি ট্যাঙ্ক বসানো হয়েছে। এই ট্যাঙ্কগুলির মোট তেল ধারণ ক্ষমতা ১৪ হাজার কিলোলিটার। সেনাবাহিনীর দাবি, তেলের সমস্যা মেটায় এলাকায় নজরদারি আরও নিবিড় করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি ডোকলাম পর্ব থেকে চিন যেভাবে আন্তর্জাতিক সীমান্তে নিঃশ্বাস ফেলার চেষ্টা করছে তা আটকাতে এই উদ্যোগ কাজে আসবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.