৩ মাঘ  ১৪২৮  সোমবার ১৭ জানুয়ারি ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

পুলওয়ামার পর আণবিক সাবমেরিন অরিহন্ত মোতায়েন করেছিল ভারত   

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: March 19, 2019 5:54 pm|    Updated: March 19, 2019 5:54 pm

India deployed nuclear submarine during Pulwama tension

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পুলওয়ামায় সন্ত্রাসবাদী হামলার পর প্রায় আণবিক যুদ্ধের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান৷ এহেন উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে পারমাণবিক মিসাইলে সজ্জিত সক্ষম সাবমেরিন আইএনএস অরিহন্ত ও আইএনএস চক্রকে  মোতায়েন করেছিল ভারতীয় নৌসেনা৷ এমনটাই সূত্রের খবর৷ 

[লন্ডনে গ্রেপ্তার হতে পারেন নীরব মোদি, জারি পরোয়ানা]

ভারতীয় নৌসেনার তরফে জানানো হয়েছে, পাকিস্তানের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়তেই এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার আইএনএস বিক্রমাদিত্য-সহ অন্যান্য রণতরী, সাবমেরিন, যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টারগুলিকে আসন্ন যুদ্ধ পরিস্থিতির মোকাবিলায় তৈরি রাখা হয়। ওই সময় আফ্রিকার উপকূল থেকে মালাক্কা প্রণালী পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলে ট্রোপেক্স মহড়ায় অংশ নিয়েছিলবিক্রমাদিত্য-সহ প্রায় ৬০টি ভারতীয় রণতরী ও সাবমেরিন৷ কিন্তু পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠায় তাদের যুদ্ধের জন্য তৈরি থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়৷ যদিও বিশাখাপত্তনম থেকে আইএনএস অরিহন্ত ও চক্রকে আরব সাগরে মোতায়েন করা হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট করেনি নৌসেনা৷ যদিও প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, অরিহন্ত ও চক্রকে আরব সাগরে মোতায়েন করেছিল নৌসেনা৷ আণবিক শক্তিতে চলা সাবমেরিন দু’টি কয়েক মাস ধরে জলের নীচে থাকতে সক্ষম। ভিতরে থাকা সেনাদের জন্য ততদিনের বরাদ্দ খাবার ও অন্যান্য সামগ্রী রাখার মতো যথেষ্ট জায়গাও রয়েছে এই ডুবোজাহাজের মধ্য। পারমাণবিক মিসাইলে সজ্জিত সাবমেরিন আইএনএস অরিহন্ত ও আইএনএস চক্র৷ অরিহন্তে রয়েছে ‘কে-১৫’ (সাগরিকা) আণবিক মিসাইল৷ প্রায় ৭৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত নিখুঁতভাবে লক্ষ্যে আঘাত হানতে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র৷ তাই করাচি বন্দরকে আওতায় আনতে গেলে আরব সাগর থেকেই হামলা চালাতে হবে অরিহন্তকে৷ তবে অনকেই মনে করছেন ইতিমধ্যে ‘কে-৪’ আণবিক বোমা বহনে সক্ষম কে-৪ মিসাইল নৌসেনার হাতে চলে এসেছে৷ এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ৩৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হামলা চালাতে পারে৷ সেক্ষেত্রে বঙ্গোপসাগর থেকেও পাকিস্তানে হামলা চালাতে সক্ষম আইএনএস অরিহন্ত৷                             

রয়টার্স জানিয়েছে, এহেন পরিস্থিতিতে পালটা মিসাইল হামলার হুমকিও দিয়েছিল পাকিস্তান৷ তারপরই উত্তেজনা প্রশমনে আসরে নামে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দু’পক্ষের সংঘাত এড়াতে মার্কিন আধিকারিকদের পাশাপাশি আলোচনায় বসেন সেদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন। সব মিলিয়ে শেষমেশ শান্ত হয় পরিস্থিতি৷  

[জন্মের আগেই সন্তানের নাম দিয়ে তৈরি বার্থ সার্টিফিকেট, ন্যাশনাল মেডিক্যালে তৎপরতা]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে