BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

১৩ বছরের আলোচনা শেষে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে অসামরিক পরমাণু চুক্তি ভারতের

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: July 15, 2020 1:49 pm|    Updated: July 15, 2020 1:51 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রায় ১৩ বছর ধরে চলা আলোচনার পর মঙ্গলবার অসামরিক পরমাণু চুক্তি স্বাক্ষর করল ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)। বুধবার, দুই পক্ষের মধ্যে অনলাইন সামিটে এই চুক্তির রূপরেখা ঘোষণা করা হবে।

[আরও পড়ুন: আশার আলো! ‘করোনা ভ্যাকসিনে’র প্রথম পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সফল, দাবি মার্কিন সংস্থার]

জানা গিয়েছে, অসামরিক ক্ষেত্রে আণবিক শক্তি নিয়ে সহযোগিতা করতে রাজি হয়েছে ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এর জন্যই ইতিমধ্যে ‘framework agreement’ তৈরি করে ফেলেছে তারা। এদিনের সামিটে (India-European Union summit) ভারতের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি দলটির শীর্ষে থাকবেন ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট চার্লস মিশেল ও ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন। ব্রেক্সিটের (ব্রিটেনের EU থেকে বেড়িয়ে যাওয়া) পরও ২৭টি দেশের মিলিত গোষ্ঠী ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভারতের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৮ সালে ভারতের সবথেকে বড় বাণিজ্যিক সহযোগী ছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ২০১৮-১৯ সালে দু’পক্ষের মধ্যে প্রায় ১১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের বাণিজ্যও হয়েছে। এর মধ্যে ভারত রপ্তানি করেছে প্রায় ৫৭ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য।

ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে অসামরিক পরমাণু চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় আণবিক জ্বালানি ও শক্তি উৎপন্ন করার ক্ষেত্রে দু’পক্ষের মধ্যে সম্পর্ক আরও মজবুত হবে। উল্লেখ্য, পরমাণু চুক্তি ছাড়াও এদিন নয়াদিল্লি ও ব্রাসেলসের মধ্যে আন্তর্জাতিক জলসীমার সুরক্ষা, সন্ত্রাসবাদ, মুক্ত বাণিজ্যও-সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা ও সমঝোতা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে এই সমস্ত বিষয়ে দুই পক্ষের কী পদক্ষেপ হবে এদিন তার একটি রূপরেখাও প্রকাশ করা হবে। সূত্রের খবর, ইউরোপিয়ান পুলিশ ও সিবিআইয়ের মধ্যে সন্ত্রাসবাদ ও সংগঠিত অপরাধের সঙ্গে যৌথভাবে লড়াইয়ের জন্য একটি চুক্তি হতে পারে। এছাড়াও, মুক্ত বাণিজ্যও বা ‘Free Trade Agreement’–এর ক্ষেত্রে দু’পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত থাকা একাধিক বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে এই অসামরিক চুক্তির শ্রেয় অনেকটাই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের। ২০০৮ সালে অসামরিক পরমাণু বিষয়ে ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। যদিও ২০১০ সালে পরমাণু দায়বদ্ধতা আইনের জটে গোটা বিষয়টিই থমকে যায়। ওই আইনে বলা হয়েছিল, কোনও রকম দুর্ঘটনা ঘটলে তার দায় নিয়ে বিশাল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে ইউরেনিয়াম সরবরাহকারী মার্কিন সংস্থাগুলিকে। এই শর্ত মেনে নিতে রাজি হয়নি আমেরিকা। কিন্তু তারপর এগিয়ে আসে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

[আরও পড়ুন: আশার আলো! ‘করোনা ভ্যাকসিনে’র প্রথম পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল সফল, দাবি মার্কিন সংস্থার]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement