সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে অধিকৃত কাশ্মীরের চিলাস এলাকায় সিন্ধু নদের উপর বাঁধ তৈরি করছে পাকিস্তান। চিনের সাহায্যে তৈরি হতে চলা ডায়মের ভাষা নামে ওই বাঁধের ফলে জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হবে বলেই মনে করছেন বিশেযজ্ঞরা। আর তাই বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানালেন ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব।
এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের সরকার যে ডায়মের ভাষা ( Diamer Basha) বাঁধ তৈরি করছে ভারত তার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে। এর ফলে ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়বে। অবৈধভাবে ভারতীয় ভূখণ্ড দখল করার পর পাকিস্তান যেভাবে তার পরিবর্তন করছে আমরা তার তীব্র নিন্দা করি। এভাবে ভারতের এলাকা দখল করে পাকিস্তানের বেআইনি নির্মাণের বিষয়ে আমরা আগেও অনেকবার চিন ও ইসলামাবাদের কাছে প্রতিবাদ জানিয়েছি। তারপরও তাদের স্বভাবে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। ‘
[আরও পড়ুন: দক্ষিণ চিন সাগর কারও একার সম্পত্তি নয়, বেজিংকে চাপে রেখে বার্তা ভারতের ]
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, পাকিস্তানের অধিকৃত গিলগিট-বালটিস্তান প্রদেশের চিলাস এলাকায় সিন্ধু নদ (Indus river) -এর উপর দীর্ঘদিন ধরেই বাঁধ বানানোর পরিকল্পনা ছিল ইসলামাবাদের। ৪৫০০ মেগাওয়াটের জলবিদ্যুৎ তৈরি জন্য ওই বাঁধটি নির্মাণ করা হচ্ছে বলে দাবি পাকিস্তানের। এর জন্য মে মাসে চিনের একটি সরকারি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তিও করেছে ইমরানের সরকার। কিন্তু, তারপর থেকেই এই বাঁধ নির্মাণের বিরোধিতায় প্রবল বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দারা। এর ফলে সাময়িকভাবে বাঁধ তৈরির কাজ আটকেও যায়। কিন্তু, জোর করে সেই বিক্ষোভ দমন করে বুধবার বাঁধটির নির্মাণ কাজের সূচনা করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তারপরই এর বিরুদ্ধে গর্জে উঠল ভারত।
[আরও পড়ুন: শুক্রবার থেকে চালু হতে পারে আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা, ইঙ্গিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর]
সর্বশেষ খবর
-
মার্ক্স মুছে ‘ফ্রি পিওকে’, মুখ্যমন্ত্রীর দাবি মেনে যাদবপুরে ‘বিদ্রোহে’র দেওয়াল সাজাল এবিভিপি
-
বাবার স্মৃতিতে বিশেষ উদ্যোগ শচীনের, শিক্ষক দিবসে চালু করলেন ফেলোশিপ
-
একা হাতে নদী সাফাই! নেদারল্যান্ডসের পরিবেশ সংস্থায় চাকরির প্রস্তাব পেলেন ‘ভাইরাল’ বিট্টু
-
অস্পষ্ট পৃথিবীতে আলো দেখালেন স্যর! ১৩ বছর পর নতুন জীবন পেল বর্ধমানের রামকৃষ্ণ
-
‘যুব শক্তিই ভবিষ্যৎ’, এসআরসিসি-র শতবর্ষের অনুষ্ঠানে জেন জির মন জয় মোদির