Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১০ জুলাই ২০২৬
Rafale fighter jet

‘অদৃশ্য’ চিনা বিমানে প্রশিক্ষণ পাক পাইলটদের, সিঁদুরে মেঘে তড়িঘড়ি ১১৪ রাফালে কিনছে দিল্লি!

১১৪টি রাফালে বিমানের মধ্যে ২৪টি ফ্রান্স থেকে তৈরি হয়ে ভারতে আসবে, বাকি ৯০টি যুদ্ধবিমান ভারতের মাটিতেই তৈরি করা হবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৫, ২০২৬, ১৩:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৫, ২০২৬, ১৩:৪২

options
link
‘অদৃশ্য’ চিনা বিমানে প্রশিক্ষণ পাক পাইলটদের, সিঁদুরে মেঘে তড়িঘড়ি ১১৪ রাফালে কিনছে দিল্লি! zoom
৪.৫ জেনারেশনের ১১৪টি রাফালে যুদ্ধবিমান কিনছে ভারত।

‘বুড়ো মিগ’ অবসর নিয়েছে। বাকি যারা রয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির জমানায় আকাশযুদ্ধে সেগুলি ‘বুড়ো ঘোড়া’র শামিল। এদিকে ঘাড়ের উপর নিশ্বাস ফেলছে চিন-পাকিস্তানের মতো দেশগুলি। শোনা যাচ্ছে, চিনে পঞ্চম প্রজন্মের এফ-৩৫ স্টেলথ যুদ্ধবিমান (রাডারে অদৃশ্য)-এ প্রশিক্ষণ নিচ্ছে পাক সেনা। অনুমান, শীঘ্রই এই বিমান কিনবে পাকিস্তান। যা ভারতের জন্য সিঁদুরে মেঘ। গুরুতর এই পরিস্থিতিতে স্কোয়াড্রেনগুলির ঘাটতি মিটিয়ে সেগুলিকে আরও আধুনিক করতে ৪.৫ জেনারেশনের ১১৪টি রাফালে যুদ্ধবিমান কিনছে ভারত। সেই লক্ষ্যে ‘অনুরোধপত্র’ বা ‘লেটার অফ রিকোয়েস্ট’ চূড়ান্ত করা হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সেটি ফ্রান্সের কাছে পাঠানো হবে।

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ৩ লক্ষ ২৫ হাজার কোটি টাকার এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে, তা হবে স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম প্রতিরক্ষা চুক্তি। ইতিমধ্যেই প্রস্তাবিত প্রকল্পের মূল্যায়ন করেছে প্রতিরক্ষা সচিবের নেতৃত্বাধীন ‘সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় পর্ষদ’ (‘ডিফেন্স প্রোকিওরমেন্ট বোর্ড’ বা ডিআরবি)। তারা ছাড়পত্রও দিয়ে দিয়েছে। এরপর রীতি মেনে যুদ্ধবিমান কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে ‘প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ পরিষদ’ বা ‘ডিএসি’। এরপরই আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অনুরোধপত্র’ বা ‘লেটার অফ রিকোয়েস্ট’ চূড়ান্ত করা হয়েছে। যা পাঠানো হবে ফ্রান্সে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা যাচ্ছে, এই মেগা চুক্তিতে ভারতের তরফে ফ্রান্সের কাছে বড়সড় দাবি রাখা হয়েছে। তা হল, এই রাফালে যুদ্ধ বিমানগুলিতে ৫০ শতাংশ দেশীয় যন্ত্রাংশ ও সরঞ্জাম রাখতে হবে। যার অর্থ হল, বিমানটির রাডার, অস্ত্র, ইলেকট্রনিক্স এবং অন্যান্য যন্ত্রাংশের অর্ধেক অবশ্যই ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ হতে হবে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্রান্স এই শর্ত মানতে রাজি হয়েছে এবং তারা তাদের বৈশ্বিক উৎপাদনে ভারতীয় সংস্থাগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার কথাও বিবেচনা করছে। জানা যাচ্ছে, ১১৪টি রাফালে বিমানের মধ্যে ২৪টি ফ্রান্স থেকে তৈরি হয়ে ভারতে আসবে, বাকি ৯০টি যুদ্ধবিমান ভারতের মাটিতেই তৈরি করা হবে।

প্রায় ৩ লক্ষ ২৫ হাজার কোটি টাকার এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে, তা হবে স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম প্রতিরক্ষা চুক্তি।

প্রসঙ্গত, এক দশক আগে ফরাসি সংস্থা দাসো অ্যাভিয়েশনের সঙ্গে রাফাল চুক্তির সময়ই বায়ুসেনা জানিয়েছিল, তাদের দরকার ১২৬টি যুদ্ধবিমান। কিন্তু সেই সময় ফরাসি সংস্থা রাফালকে বরাত দেওয়া হয় ৩৬টি যুদ্ধবিমান। অন্য দিকে, ধাপে ধাপে মিগ-২১, মিগ-২৩ বাতিল হওয়ায় ভারতীয় বায়ুসেনার যুদ্ধবিমানের ভাঁড়ারে সংখ্যার ঘাটতি তৈরি হয়েছে। শুধুমাত্র ৩৬টি রাফাল বা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ‘হিন্দুস্থান অ্যারোনটিকস লিমিটেড’(হ্যাল) তৈরি তেজসের নয়া সংস্করণ ‘মার্ক-১এ’-র সাহায্যে তা পূরণ করা সম্ভব নয়।

বস্তুত, চুক্তি অনুযায়ী ২০২৩ সালের শেষ থেকেই ধাপে ধাপে ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে ‘তেজস মার্ক-১এ’ তুলে দেওয়ার কথা ছিল ‘হ্যাল’-এর। কিন্তু সেই সময়সীমা পার হওয়ার প্রায় দু’বছর পরেও একটিও ‘তেজস মার্ক-১এ’ হাতে আসেনি বায়ুসেনার। সরকারি তথ্য বলছে, ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে ৪২টি ফাইটার স্কোয়াড্রন থাকার কথা। কিন্তু তা এখন ৩২-এ নেমে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে পুরনো প্রতিরক্ষা সহযোগী ফ্রান্সের সহযোগিতায় দ্রুত ঘাটতি পূরণের কথা ভাবছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। ৪.৫ প্রজন্মের রাফালের পাশাপাশি রাশিয়ায় তৈরি পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান ‘সুখোই এসইউ-৫৭’ (ফেলন নামেও যা পরিচিত)-এর দিকেও নজর রয়েছে নয়াদিল্লি। ইতিমধ্যেই মস্কোর তরফে এসইউ-৫৭ই’ (এসইউ-৫৭-র এক্সপোর্ট ভ্যারিয়েন্ট) যুদ্ধবিমানের ‘যৌথ উৎপাদন’ এবং ‘সম্পূর্ণ প্রযুক্তি হস্তান্তরে’র প্রস্তাব এসেছে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.