Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
Iran USA war

ইজরায়েলকে সমর্থন করুক ইরান! যুদ্ধ থামাতে পাকিস্তানকে কঠিন শর্ত ট্রাম্পের, আদৌ হবে শান্তিচুক্তি?

ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ট্রাম্প। যুদ্ধ থামানোর এমন শর্ত দিয়েছেন তিনি, যার পরে পাকিস্তানের এখন জলে কুমির ডাঙায় বাঘ দশা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০২৬, ১০:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৬, ২০২৬, ১০:৩২

options
link
ইজরায়েলকে সমর্থন করুক ইরান! যুদ্ধ থামাতে পাকিস্তানকে কঠিন শর্ত ট্রাম্পের, আদৌ হবে শান্তিচুক্তি? zoom
ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে সরাসরি কোনও আলোচনা হচ্ছে না, যাবতীয় আলোচনা চলছে পাকিস্তানের মাধ্যমে।
Advertisement

প্রেসিডেন্ট হিসাবে নিজের প্রথম দফায় আব্রাহাম অ্যাকর্ড বাস্তবায়িত করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের আবহে সেই চুক্তিকে হাতিয়ার করে কার্যত মাস্টারস্ট্রোক দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সূত্রের খবর, ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের (Iran USA war) মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ট্রাম্প। যুদ্ধ থামানোর এমন শর্ত দিয়েছেন তিনি, যার পরে পাকিস্তানের এখন জলে কুমির ডাঙায় বাঘ দশা।

ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে সরাসরি কোনও আলোচনা হচ্ছে না, যাবতীয় আলোচনা চলছে পাকিস্তানের মাধ্যমে। রবিবার খবর ছড়ায়, মার্কিন শর্তমাফিক ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে রাজি ইরান। মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিও জানান, কয়েকঘণ্টার মধ্যেই হয়তো শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে। কিন্তু সময় যত গড়িয়েছে, ধীরে ধীরে মাথাচাড়া দিয়েছে একগুচ্ছ জটিলতা। সূত্রের খবর, যুদ্ধ থামানোর শর্ত হিসাবে ইরানের বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পদ ফেরাতে রাজি হয়েছিল আমেরিকা। কিন্তু সেই কথার খেলাপ করেছেন ট্রাম্প। ওই শর্ত না মানলে ইরান কিছুতেই আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা করবে না, পাকিস্তানকে একথা সাফ জানিয়ে দিয়েছে তেহরান।

Advertisement

এই অ্যাকর্ড যদি পাকিস্তান এবং ইরানের মতো দেশগুলি মেনে নেয়, তাহলে নিজের দেশেই প্রবল জনরোষের মুখে পড়তে হবে এই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বকে। কারণ ইজরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার অর্থ প্যালেস্টাইনের সংগ্রাম এবং অস্তিত্বকে কার্যত অস্বীকার করা।

অন্যদিকে ট্রাম্পও জানিয়েছেন, যুদ্ধ থামিয়ে শান্তিচুক্তি নিয়ে তাঁর কোনও তাড়া নেই। সময় নিয়ে কাজ করুক প্রতিনিধি দল। একইসঙ্গে পাকিস্তানকে বিরাট ‘নির্দেশ’ দিয়েছেন তিনি। জানিয়েছেন, যুদ্ধ থামানোর শর্ত হিসাবে আরও বেশি মুসলিম দেশগুলিকে আব্রাহাম অ্যাকর্ডে যোগ দিতে হবে। ২০২০ সালে আব্রাহাম অ্যাকর্ড সই করে ইজরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। কয়েক দশকের বিবাদ মিটিয়ে ইজরায়েলকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দেয় আরব দেশটি। অন্যদিকে, ওয়েস্ট ব্যাঙ্ক দখলের দাবি থেকে সরে আসে ইজরায়েল। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানকেও আব্রাহাম অ্যাকর্ডে যুক্ত করাটা ট্রাম্পের ইচ্ছা।

এই অ্যাকর্ড যদি পাকিস্তান এবং ইরানের মতো দেশগুলি মেনে নেয়, তাহলে নিজের দেশেই প্রবল জনরোষের মুখে পড়তে হবে এই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বকে। কারণ ইজরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার অর্থ প্যালেস্টাইনের সংগ্রাম এবং অস্তিত্বকে কার্যত অস্বীকার করা। মুসলিমপ্রধান দেশগুলি বরাবর থেকেছে প্যালেস্টাইনের পাশে। যুদ্ধের জেরে দীর্ঘদিনের অবস্থান বদলে ফেলা পাকিস্তানের পক্ষে অত্যন্ত কঠিন। অতীতে মার্কিন চাপের মুখেও তৎকালীন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এই চুক্তিতে যোগ দেননি। এবার শাহবাজ শরিফ কী করবেন? ইরান বা অন্যান্য মুসলিম দেশগুলিকেই বা কী করে ‘ইজরায়েলপন্থী’ চুক্তিতে রাজি করাবে ইসলামাবাদ? ট্রাম্পের প্রস্তাবে সবমিলিয়ে মহাসংকটে পাকিস্তান।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.