সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘চরম দারিদ্র’ (Extreme Poverty) দেশ থেকে প্রায় মুছে দিয়েছে মোদি সরকার। মার্কিন ‘থিঙ্ক ট্যাঙ্ক’ ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের এক রিপোর্টে এমনই দাবি করা হল। সুরজিৎ ভাল্লা ও করণ ভাসিন, দুই অর্থনীতিবিদের লেখা এই রিপোর্ট আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির (BJP) বড় হাতিয়ার হতে পারে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। কংগ্রেস অবশ্য এই রিপোর্টকে কার্যত ‘অবাস্তব’ বলে তোপ দেগেছে।
কী করে এই সাফল্য পেল ভারত? রিপোর্টে এবিষয়ে মোদি সরকারকেই কৃতিত্ব দেওয়া হয়েছে। দাবি, গত এক দশকে অর্থনৈতিক পুনর্বণ্টনে জোর দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার। আর তার ফলেই দেশের ‘চরম দারিদ্রে’র হার এখন মাত্র ২ শতাংশ।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কেন্দ্র ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে সরকারি খরচের সমীক্ষা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করেছিল। আর সেই তথ্য থেকে দেখা গিয়েছিল, ২০১১-১২ সাল থেকে প্রতি বছর মাথাপিছু খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে ২.৯ শতাংশ। আর সেক্ষেত্রে শহরের বৃদ্ধি (২.৬ শতাংশ) থেকে গ্রামের বৃদ্ধি (৩.১ শতাংশ) উল্লেখযোগ্য ভাবেই বেশি।
[আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য বন্ধ স্কুলের পঠনপাঠন, কমিশনকে চিঠি ব্রাত্য বসুর]
মার্কিন রিপোর্টের দাবি, দারিদ্রের হার এক দশক আগে যেখানে ছিল ১২.২ শতাংশ। সেখানে এখন তা ২ শতাংশে নেমে এসেছে। হাত শিবিরের অবশ্য দাবি, রিপোর্টটি বাস্তব ছবি তুলে ধরছে না। কেননা মোদি সরকার ৮১ কোটি মানুষকে বিনামূল্য রেশন দিচ্ছে। যা এই রিপোর্টের পরিপন্থী। কেননা রিপোর্ট সত্যি হলে খুব বেশি ৭ কোটি দরিদ্র মানুষকে বিনামূল্যে রেশন দেওয়া যেত।
[আরও পড়ুন: লক্ষ্য প্রত্যেক শহরে শাখা স্থাপন, সমবায় ব্যাঙ্কের যৌথ সংগঠন NUCFDC-র উদ্বোধন অমিত শাহর]
সর্বশেষ খবর
-
যৌনগন্ধী মন্তব্য বিতর্ক অতীত, জন্মদিনে প্রেমিকার সঙ্গে মহাকালের দরবারে ‘শাপমোচন’ রণবীরের
-
বিশ্বকাপের আগে মেসির মুকুটে নতুন পালক, প্রথম ফুটবলার হিসাবে জিতলেন এই পুরস্কার
-
কলকাতা পুরসভা বাঁচানোর মরিয়া চেষ্টা! ১৯ জুন অধিবেশনের ডাক ‘পুরনো তৃণমূলে’র
-
আইসক্রিম ভেবে ‘ক্ষতিকর’ ফ্রোজেন ডেজার্ট খাচ্ছেন না তো? পার্থক্য না বুঝলেই মুশকিল
-
মমতার দুর্দিনে বেসুরে গাইছেন বাবুলও! রাজনীতিতে সবই ন্যায্য দেখছেন সুপ্রিয়?