Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
China

বিনিয়োগের টোপ দিয়ে জাতীয় নিরাপত্তায় সিঁধ! বেজিংয়ের চাল ভেস্তে দিল দিল্লি

ভারতের গাড়ি শিল্পে থাবা বসাতে চাইছে চিন!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০২৩, ১৭:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৪, ২০২৩, ১৭:৩৬

options
link
বিনিয়োগের টোপ দিয়ে জাতীয় নিরাপত্তায় সিঁধ! বেজিংয়ের চাল ভেস্তে দিল দিল্লি zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পরিকাঠামো উন্নয়ন তথা বিনিয়োগের নামে ঋণের ফাঁদ পাতছে চিন। টোপ দিয়ে জাতীয় নিরাপত্তায় সিঁধ কাটছে কমিউনিস্ট দেশটি। চক্রান্তে পা দিয়ে কার্যত দেউলিয়া শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান। এই প্রেক্ষাপটে এবার নাকি ভারতের গাড়ি শিল্পে থাবা বসাতে চাইছে চিন। শুধু তাই নয়, ভারত থেকে তথ্যচুরির ষড়যন্ত্রও করছে দেশটি।

ইকোনোমিক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে ১০০ কোটি ডলারের বিনিয়োগের একটি প্রস্তাব পেশ করেছে চিনা সংস্থা ‘বিওয়াইডি কো’। হায়দরাবাদের ‘মেঘা ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ইন্ফ্রাস্ট্রাকাচার লিমিটেড’ নামের একটি ভারতীয় সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ইলেক্ট্রিক ভেহিক্যাল বা ব্যাটারিচালিত গাড়ি তৈরিতে আগ্রহী তারা। এর জন্য ভারতে কারখানা তৈরি করতে প্রায় ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে চাইছে চিনা সংস্থাটি। তবে সেই প্রস্তাব খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই নাকি এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

তাৎপর্যপুর্ণ ভাবে, যে দেশগুলি ভারতের সঙ্গে সীমান্ত ভাগ করে তারা চাইলে ভারতের অটোমোবাইল সেক্টর বা গাড়ি নির্মাণ শিল্পে বিনিয়োগ করতে পারে। এক্ষেত্রে বিশেষ কোনও বিধিনিষেধ আরোপ করা নেই। তবে বিদেশমন্ত্রক ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। এই সুযোগে ভারতে কারখানা তৈরি করতে প্রায় ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে চাইছে চিনা সংস্থাটি। সূত্রের খবর, চিনা সংস্থাটির এই বিনিয়োগ প্রস্তাবে ভুরু কুঁচকে গিয়েছে নয়াদিল্লির। মনে করা হচ্ছে এতে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। দেশের জমিতে চিনা প্রযুক্তির ব্যবহার বিপদ বাড়াতে পারে। ভারত থেকে গোপনে চিনে তথ্য পাচার হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: মণিপুর নিয়ে আলোচনায় রাজি সরকার, বিরোধী চাপের মুখে লোকসভায় জানালেন অমিত শাহ]

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালেই ভারতের বাজারে প্রবেশ করে চিনা সংস্থা ‘বিওয়াইডি কো’। ব্লুমবার্গকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সংস্থাটির ভারতীয় শাখার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সঞ্জয় গোপালকৃষ্ণণ জানান, ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতে ইলেক্ট্রিক ভেহিক্যালের ৪০ শতাংশ বাজার ধরতে চায় সংস্থাটি। তবে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে বড় ধাক্কা খেয়েছে ‘বিওয়াইডি কো’।

[আরও পড়ুন: অভিষেক জায়া রুজিরার বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস কেন? সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্নের মুখে ED]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.