Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৯ জুন ২০২৬
India

প্রসবকালে বেঁচে যাওয়া কন্যাসন্তানের সংখ্যা বৃদ্ধি, জানাল কেন্দ্র সরকার

প্রসবকালীন শিশুমৃত্যুর হার বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, বেঁচে যাওয়া কন্যাসন্তানের সংখ্যা যেখানে ২০১৭-'১৯ এ ছিল ৯০৪, সেখানে ২০২১-'২৩-এ তা বেড়ে হয়েছে ৯১৭।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২, ২০২৬, ১৩:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২, ২০২৬, ১৩:২৪

options
link
প্রসবকালে বেঁচে যাওয়া কন্যাসন্তানের সংখ্যা বৃদ্ধি, জানাল কেন্দ্র সরকার zoom
প্রতীকী ছবি।

নারী-পুরুষ সংখ্যার আনুপাতিক হারে উন্নতি হয়েছে দেশে। পরিসংখ্যান দিল কেন্দ্রীয় সরকার। প্রসবকালীন শিশুমৃত্যুর হার বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, বেঁচে যাওয়া কন্যাসন্তানের সংখ্যা যেখানে ২০১৭-‘১৯ এ ছিল ৯০৪, সেখানে ২০২১-‘২৩-এ তা বেড়ে হয়েছে ৯১৭। ‘ভারতে মহিলা ও পুরুষ ২০২৫-নির্বাচিত সূচক ও পরিসংখ্যান’ শীর্ষক একটি রিপোর্ট বের করেছে কেন্দ্র। ‘লিঙ্গ সংক্রান্ত বৈষম্য ও উন্নয়নমূলক ট্রেন্ড আরও গভীর ভাবে বুঝতে’ যাতে সুবিধা হয়, সেজন্যই প্রকাশিত হয়েছে ওই রিপোর্ট। তাতে একাধিক থিমের উপর লিঙ্গ বিশ্লেষণ সংক্রান্ত তথ্য পরিসংখ্যান রয়েছে।

সরকারি পরিসংখ্যানে রয়েছে, পুত্র ও কন্যাসন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার সময় মৃত্যুর হার ধারাবাহিক ভাবে কমেছে ২০০৮ থেকে ২০২৩-এর মধ্যে। পাশাপাশি উচ্চশিক্ষার জন্য সার্বিক নথিভুক্তিকরণের ক্ষেত্রেও ছেলে, মেয়ে-উভয়েরই সংখ্যা বেড়েছে। ২০২১-‘২২ ও ২০২২-‘২৩ এর মধ্যে মেয়েদের ক্ষেত্রে সংখ্যাটা ২৮.৫ থেকে বেড়ে হয়েছে ৩০.২। ছেলেদের ক্ষেত্রে একই সময়কালে সংখ্যাটা ২৮.৩ থেকে বেড়ে ২৮.৯ হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কাজের দুনিয়াতেও ১৫ বছর ও তার বেশি বয়সের পুরুষ, মহিলার অংশগ্রহণ বেড়েছে। গ্রামীণ মেয়েদের সংখ্যা বেড়েছে সব চেয়ে বেশি। ২০২২ থেকে ২০২৫ এর মধ্যে শ্রমবাহিনীতে গ্রামের মেয়ের সংখ্যা সাড়ে ৩৭ থেকে বেড়ে সাড়ে ৪৯ শতাংশ হয়েছে। আবার ২০১৭ থেকে ২০২৫ এর মধ্যে ম্যানেজার স্তরের পদে পুরুষের সংখ্যা বেড়েছে ৭৩.৮০ শতাংশ। একই স্তরের পদে মহিলা সংখ্যা বৃদ্ধি হয়েছে ১০২.৫৪ শতাংশ।

কেন্দ্রের পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি রূপায়ণ মন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জনসংখ্যা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আর্থিক অংশগ্রহণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ, মেয়েদের উপর হিংসা ও আরও নানা লিঙ্গ সংক্রান্ত ইস্যুর মতো একাধিক মাপকাঠির ভিত্তিতে তথ্য পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.