BREAKING NEWS

১৪ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

মনমোহন জমানায় রেকর্ড হারে ‘গরিবি’ কমেছে ভারতে, অক্সফোর্ডের গবেষণায় মিলল তথ্য

Published by: Paramita Paul |    Posted: July 18, 2020 10:28 am|    Updated: July 18, 2020 11:21 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দারিদ্র (Poverty) কমিয়ে বিশ্বে রেকর্ড গড়েছে ভারত। কিন্তু সেই রেকর্ড মোটেই স্বস্তি দিচ্ছে না মোদি সরকারকে। কারণ, অক্সফোর্ড (Oxford) ও ইউনাইটেড নেশনের (United Nation) যৌথ সমীক্ষা বলছে, ২০০৫ থেকে ২০১৬ সাল, অর্থাৎ ১১ বছরের মধ্যে ২৭ কোটি ভারতবাসী গরিবি মুক্ত হয়েছেন। অর্থাৎ দারিদ্র সীমার বাইরে এসেছেন তাঁরা। আর এই সময়কালের মধ্যে প্রথম ১০ বছর ক্ষমতায় ছিল ইউপিএ (UPA) সরকার। ফলে এই সমীক্ষাকে হাতিয়ার করে কংগ্রেস যে মোদি সরকারকে কোণঠাসা করবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

প্রতি বছর গরিব মানুষদের বেঁচে থাকার সমস্যাগুলিকে পরিমাপ করা হয় গ্লোবাল মালটিডাইমেনশনাল পভার্টি ইন্ডেক্স বা এমপিআই (MPI)-এর নিরিখে। সেই মাপকাঠিতে ৭৫টি দেশকে বিচার করা হয়েছে। পূর্ব, মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়া, ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা, সাব-সাহারান আফ্রিকা ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় একাধিক দেশকে এই গবেষণার আওতায় নিয়ে আসা হয়। এই গবেষণার মূল লক্ষ্য ছিল, বিশ্বব্যাপী দারিদ্রের হার কতটা কমেছে তা খতিয়ে দেখা। অক্সফোর্ড পভার্টি অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ ও ইউনাইটেড নেশনস ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের যৌথ গবেষণায় বিস্তারিত তথ্য উঠে এসেছে। রাষ্ট্রপুঞ্জের তরফে ‘চার্টিং পাথওয়েজ আউট অফ মালটিডাইমেনশনাল পভার্টিঃ অ্যাচিভিং দ্য এসডিজিস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দারিদ্র কমিয়ে বিশ্বে রেকর্ড গড়েছে ভারত।

[আরও পড়ুন : দেশে একদিনে ফের করোনা আক্রান্ত প্রায় ৩৫ হাজার, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সুস্থতার হারও]

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ভারত, আর্মেনিয়া, নিকারাগুয়া ও উত্তর ম্যাসিডনিয়া, এই চারটি দেশে সাড়ে পাঁচ থেকে সাড়ে ১০ বছরের মধ্যে এমপিআই অর্ধেক বা তার বেশি কমেছে। ৫০টি দেশে দারিদ্র সীমায় থাকা মানুষের সংখ্যাও কমেছে। জানা গিয়েছে, ভারতে ২০০৫ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে অর্থাৎ ১১ বছরে প্রায় ২৭ কোটি ৩০ লাখ মানুষ দারিদ্র সীমার বাইরে এসেছে। ২০০৫ সালের আগে ভারতের ৫৫.১ শতাংশ মানুষ এমপিআই ভ্যালুর নিচে বাস করত। ২০১৬ সালে সেই পরিমাণ ২৭.৯ শতাংশ। ২০১৬ সালে সিভিয়ার এমপিআই ভ্যালুর নিচে বসবাসকারী জনসংখ্যার পরিমাণ ৮.৮ শতাংশ।

[আরও পড়ুন : তোলাবাজির ‘ভুয়ো’ অভিযোগে গ্রেপ্তার সাংবাদিক, ‘আতঙ্কে’ মৃত্যু বাবার, প্রতিবাদের ঝড় অসমে]

সাধারণত পুষ্টির ঘাটতি, শিক্ষা, জ্বালানি, পরিচ্ছন্নতা, পানীয় জল, বাসস্থান ও সম্পত্তি, এই বিষয়গুলির উপর ভিত্তি করে এমপআই বা মালটিডাইমেনশনাল পভার্টি ইন্ডেক্স তৈরি করা হয়। তবে কোভিড সংক্রমণের কারণে আপাতত তাঁদের গবেষণা বন্ধ রাখতে হয়েছে। এই সংক্রমণের জেরে বিশ্ব জুড়ে দারিদ্রে ছবিটা বদলে যেতে পারে বলে মনে করছেন গবেষকরা।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement