Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
হেলিকপ্টার

চিন্তায় চিন, ভারতের হাতে আসছে সাবমেরিন ধ্বংসকারী মার্কিন হেলিকপ্টার

২৪ টি MH-60R হেলিকপ্টার কিনছে ভারত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২০, ১৫:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২০, ১৫:১২

options
link
চিন্তায় চিন, ভারতের হাতে আসছে সাবমেরিন ধ্বংসকারী মার্কিন হেলিকপ্টার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আরও শক্তিশালী হল ভারতীয় ফৌজ। এবার সমুদ্রে চিন ও পাকিস্তানকে হেলায় টেক্কা দেওয়ার ক্ষমতা হাতে আসতে চলেছে নৌসেনার। প্রতিরক্ষা ক্ষত্রে আরও একধাপ এগিয়ে শীঘ্রই সাবমেরিন ধ্বংসকারী MH-60R হেলিকপ্টার পাচ্ছে ভারতীয় নৌবাহিনী।

[আরও পড়ুন: সীমান্ত সুরক্ষায় প্রভাব ফেলবে না করোনা, সংঘাতের পরিস্থিতিতে আশ্বাস সেনাপ্রধানের]

জানা গিয়েছে, মার্কিন সংস্থা লকহিড মার্টিনের সঙ্গে ইতিমধ্যেই ৯০ কোটি ৫০ লক্ষ মার্কিন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়ে গিয়েছে ভারতের। এই চুক্তির আওতায় মোট ২৪ টি MH-60R হেলিকপ্টার কেনা হচ্ছে। আগামী বছরের শুরুতেই এর মধ্যে বেশ কয়েকটি হাতে পাবে ভারতীয় নৌবাহিনী। সমুদ্রের যত গভীরেই শত্রুপক্ষের সাবমেরিন ঘাপটি মেরে থাকুক না কেন, সেগুলিকে খুঁজে বার করে গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম এই হেলিকপ্টারগুলি। বর্তমানে ১৯৭১ সালে ব্রিটেন থেকে কেনা ‘সি কিং’ হেলিকপ্টারগুলিই ডুবোজাহাজ খুঁজে বের করতে ব্যবহার করছে ভারতীয় নৌবাহিনী। কিন্তু তার মধ্যে বেশিরভাগই কার্যক্ষমতার শেষ সীমায় পৌঁছে গিয়েছে। তাই নয়া হেলিকপ্টারগুলি হাতে পেলে ভারত মহাসাগরে চিন ও পাকিস্তানের মোকাবিলা করা সহজ হবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

Advertisement

২০১৯ সালেই ওয়াশিংটনের সঙ্গে নয়াদিল্লির এই হেলিকপ্টার চুক্তির কথা ঘোষণা হয়। সেইসময় মার্কিন বিদেশমন্ত্রক জানায়, ২৬০ কোটি ডলারের বিনিময়ে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হচ্ছে। সেইসময় হেলিকপ্টারের সঙ্গে সেন্সর, কমিউনিকেশন প্রযুক্তি, হেলফায়ার মিসাইল-সহ একাধিক অস্ত্রশস্ত্র প্রযুক্তি, এমকে-৫৪ টর্পেডো এবং রকেট প্রযুক্তিও বিক্রি করা হবে বলে জানানো হয়। এই চুক্তিতে মার্কিন নৌবাহিনীরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাদের কাছ থেকেই ভারতে প্রথম তিনটি MH-60R হেলিকপ্টার এসে পৌঁছানোর কথা, হেলিকপ্টারগুলি নৌবাহিনীর হাতে পৌঁছনোর আগেই সেগুলি চালানোর প্রশিক্ষণ পেয়ে যান ভারতীয় নৌবাহিনীর পাইলটরা।

উল্লেখ্য, ভারত মহাসাগরে লাগাতার গতিবিধি বাড়িয়ে চলেছে চিন। গত বছর শ্রীলঙ্কার হামবানটোটা বন্দরে একটি চিনা সাবমেরিন দেখা যায়। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের করাচি বন্দরেও নোঙর করেছিল দু’টি চিনা রণতরী। ফলে ওই অঞ্চলে নিজেদের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে তৎপর হয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনী। এবার আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি করে সেই পথেই এগিয়েছে নৌসেনা।

[আরও পড়ুন: চলবে বাস, বিমান! কেমন হবে চতুর্থ দফার লকডাউনের রূপরেখা?]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.