Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

আর নয় দু’হাজারি নোট! ছাপা বন্ধের সিদ্ধান্ত রিজার্ভ ব্যাংকের

দুর্নীতি দমন করতেই এই সিদ্ধান্ত!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০১৯, ২১:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০১৯, ২১:২৯

options
link
আর নয় দু’হাজারি নোট! ছাপা বন্ধের সিদ্ধান্ত রিজার্ভ ব্যাংকের zoom
ছবি:প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নোট বাতিলের পর ২০০০ টাকার নোট বাজারে আনা হয়েছিল তাৎক্ষণিক চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে। বাজারে যাতে অর্থসংকট না হয়, তা নিশ্চিত করতেই বেশি অংকের নোট ছেপেছিল কেন্দ্র। কিন্তু, বড় নোট যে কোনও অর্থনীতির পক্ষেই অশনি সংকেত, সেই যুক্তি দিয়ে তখনই দু’হাজার টাকার নোট আনার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিল কংগ্রেস-সহ অন্য দলগুলি। তাদের দাবি ছিল, বড় নোট চালু হলে দুর্নীতি কমার পরিবর্তে বাড়বে। এতদিন বাদে হলেও কেন্দ্র তথা রিজার্ভ ব্যাংকও সেই অভিযোগ স্বীকার করে নিল। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ২০০০ টাকার নোট ছাপা বন্ধ করে দিয়েছে রিজার্ভ ব্যাংক। বড় নোটের সার্কুলেশনে রাশ টানতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমটির দাবি, মোদি সরকার মনে করছে, ২০০০ টাকার নোট  কর ফাঁকি, আর্থিক তছরুপ, ঘুষের মতো কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। যে কারণে, বড় নোটে রাশ টানতে চায় সরকার। ইতিমধ্যেই ২০০০ টাকার নোট ছাপা বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছে ওই সংবাদমাধ্যমটি। সরকার দ্রুত দু’হাজারি নোট কমাতে চাইছে। যে কারণেই নতুন করে নোট ছাপা হচ্ছে না। তবে এতে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই, এখনও বাজারে যে নোটগুলি রয়েছে সেগুলি বৈধই থাকবে। যদিও এ বিষয়ে সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি। আরবিআইয়ের এক আধিকারিক অবশ্য বলছেন, ২০০০ টাকার নোট ছাপা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন ছাপার পরিমাণ একেবারে নগণ্য। দুর্নীতিতে রাশ টানতেই এই সিদ্ধান্ত।

Advertisement

[ম্যাগিতে রয়েছে বিষাক্ত সিসা, আদালতে স্বীকার করল নেসলে]

২০১৬ সালে নোটবাতিলের পরপর ২০০০ টাকার নোট চালু করে কেন্দ্র। গতবছর মার্চ মাসে বাজারে মোট নগদের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা। যার মধ্যে দু’হাজারি নোটেই ছিল ৬ লক্ষ ৭৩ হাজার কোটি টাকা, মোট নগদের প্রায় ৩৭ শতাংশ। আগামী দিনে এই সংখ্যাটা কমানোই লক্ষ্য মোদি সরকারের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.