Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২০ জুলাই ২০২৬
Russian Oil

আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য সমঝোতা চূড়ান্ত হতেই ‘বন্ধু’ রাশিয়ার থেকে তেল কেনা কমাচ্ছে ভারত! দাবি রিপোর্টে

ভারতের পণ্যে শুল্ক কমানো এবং বাণিজ্যচুক্তির নেপথ্যে অন্যতম শর্তই ছিল, রুশ তেল কেনা বন্ধ করতে হবে নয়াদিল্লিকে। গত সপ্তাহে দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তির বিষয়টি ঘোষণা করার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবিও করেছিলেন, ভারত রাশিয়ার তেল না কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলেই শুল্কহার কমানো হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ১৮:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ১৮:৩৭

options
link
আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য সমঝোতা চূড়ান্ত হতেই ‘বন্ধু’ রাশিয়ার থেকে তেল কেনা কমাচ্ছে ভারত! দাবি রিপোর্টে zoom
(বাঁ দিক থেকে ডান দিকে) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ফাইল চিত্র।
Advertisement

আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য সমঝোতা চূড়ান্ত হতেই ‘বন্ধু’ রাশিয়ার থেকে অপরিশোধিত তেল কেনা কমানোর চিন্তাভাবনা করছে ভারত। সম্প্রতি  একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে এমনটাই জানিয়েছে পিটিআই। তবে তেল কেনা কমালেও এখনই পুরোপুরি বন্ধ করা হবে না বলেও দাবি করেছে ওই সূত্র। কারণ, ভারতের কিছু তেল শোধনাগারের কাছে তেল ক্রয়ের বিকল্প কিছু নেই।

ভারতের পণ্যে শুল্ক কমানো এবং বাণিজ্যচুক্তির নেপথ্যে অন্যতম শর্তই ছিল, রুশ তেল কেনা বন্ধ করতে হবে নয়াদিল্লিকে। গত সপ্তাহে দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তির বিষয়টি ঘোষণা করার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবিও করেছিলেন, ভারত রাশিয়ার তেল না কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলেই শুল্কহার কমানো হয়েছে। কিন্তু কেন্দ্র বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট করে এখনও কিছু জানায়নি। শনিবার রুশ তেলা কেনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিদেশমন্ত্রক তা কার্যত এড়িয়ে গিয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ভারতের পণ্যে শুল্ক কমানো এবং বাণিজ্যচুক্তির নেপথ্যে অন্যতম শর্তই ছিল, রুশ তেল কেনা বন্ধ করতে হবে নয়াদিল্লিকে।

সূত্রের খবর, ভারতের তেল শোধনাগারগুলি রুশ কেনা বন্ধের বিষয়ে এখনও কোনও অনুষ্ঠানিক নির্দেশ পায়নি। তবে কয়েকটি তৈল শোধনাগার জানিয়েছে, বেসরকারিভাবে তাদের রাশিয়া থেকে তেল কেনা কমিয়ে আনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, বাণিজ্য সমঝোতার আগে রুশ তেল সংস্থাগুলির সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছিল, সেগুলিতে কোনও পরিবর্তন হবে না। তবে নতুন করে তাদের কোনও বরাত দেওয়া হবে না বলেও জানা গিয়েছে।

গত বছর রুশ তেল রপ্তানিকারক সংস্থাগুলির উপর আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর একাধিক রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার যেমন হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড (এইচপিসিএল), ম্যাঙ্গালোর রিফাইনারি পেট্রোকেমিক্যালস লিমিটেড (এমআরপিএল), এইচপিসিএল-মিত্তল এনার্জি লিমিটেড রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করে দিয়েছে।

সূত্রের খবর, গত বছর রুশ তেল রপ্তানিকারক সংস্থাগুলির উপর আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর একাধিক রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার যেমন হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড (এইচপিসিএল), ম্যাঙ্গালোর রিফাইনারি পেট্রোকেমিক্যালস লিমিটেড (এমআরপিএল), এইচপিসিএল-মিত্তল এনার্জি লিমিটেড রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করে দিয়েছে। অন্যদিকে, ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (আইওসি) এবং ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড (বিপিসিএল) ধাপে ধাপে রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি কমানোর পরিকল্পনা করছে বলে জানা গিয়েছে।   

টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, রুশ সংস্থাকে বরাত দেওয়া ১ লক্ষ ৫০ হাজার ব্যারেল তেল হাতে পাওয়ার পরই রাশিয়া থকে তেল আমদানি বন্ধ করে দেবে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ। তারাই ভারতে রুশ তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা।

তবে একমাত্র ব্যতিক্রম হল নায়ারা এনার্জি। গুজরাটের এই শোধনাগারের প্রায় ৪৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে রুশ সংস্থা রসনেফ্টের কাছে। ফলে তাদের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ব্রিটেন। তাই তাদের বাণিজ্য করতে কোনও সংস্থাই রাজি নয়। ফলে একরকম বাধ্য হয়েই তাদের রুশ সংস্থাগুলি থেকে অপরিশোধিত কিনতে হবে।

ভারতের রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি ধারাবাহিকভাবে কমেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের মে মাসে ভারত রাশিয়া থেকে দৈনিক প্রায় ২১ লক্ষ ব্যারেল তেল আমদানি করত। ২০২৫-এর ডিসেম্বরে তা কমে দাঁড়ায় ১২ লক্ষ ব্যারেলে।

সূত্রের খবর, ভারতের রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি ধারাবাহিকভাবে কমেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের মে মাসে ভারত রাশিয়া থেকে দৈনিক প্রায় ২১ লক্ষ ব্যারেল তেল আমদানি করত। ২০২৫-এর ডিসেম্বরে তা কমে দাঁড়ায় ১২ লক্ষ ব্যারেলে। এরপর চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে আমদানি আরও কমে হয়ে যায় ১১ লক্ষ ব্যারেল। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই প্রবণতা বজায় থাকলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই ভারতের রুশ তেল আমদানি দৈনিক ১০ লক্ষ ব্যারেলের নিচে নেমে যেতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.