BREAKING NEWS

১৪ মাঘ  ১৪২৮  শুক্রবার ২৮ জানুয়ারি ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

মার্কিন দুগ্ধজাত পণ্যে ‘না’ ভারতের, ট্রাম্পের দুধের স্বাদ কি ঘোলে মিটবে?

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: February 24, 2020 1:26 pm|    Updated: February 24, 2020 1:26 pm

India-US trade pact hit a wall over dairy access tussle

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ ও মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’। বিশ্বায়নের যুগে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের নীতিই ‘অন্তর্মুখী’। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, দু’জনেই আগে ‘নিজের আখের’ গুছিয়ে নিতে চাইছেন। ফলে দর কষাকষির জেরে আপাতত অধরা প্রস্তাবিত ইন্দো-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি। 

ভারতের সঙ্গে ‘ট্রেড ডেফিসিট’ বা বাণিজ্যিক ঘাটতি কমাতে এ দেশে দুগ্ধজাত পণ্য রপ্তানি করতে বিশেষ জোর দিচ্ছিল আমেরিকা। তবে ভারত সাফ জানিয়েছে, কয়েকটি শর্ত না মানলে মার্কিন দুগ্ধজাত পণ্যের জন্য দেশের বাজার খোলা হবে না। নয়াদিল্লির পক্ষ জানানো হয় যে, আমেরিকার গবাদি পশু অনেক ক্ষেত্রেই আমিষ খাদ্য গ্রহণ করে। ফলে সেই গবাদি পশুর দুধও আমিষ বলে বিবেচিত হবে। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। তাই মার্কিন দুধ ‘নিরামিষ’ বলে সে দেশের পশুপালন আধিকারিকরা শংসাপত্র দিলেই রপ্তানির বিষয়টি ভেবে দেখা হবে। উল্লেখ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড তাদের দুগ্ধজাত পণ্যের ক্ষেত্রে এহেন শংসাপত্র দেয়।

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দুধ উৎপাদনকারী দেশ হচ্ছে ভারত। ফলে দেশের দুগ্ধজাত পণ্যের বাজার আমেরিকার কাছে খুলে দেওয়া ততটা সহজ নয়। বিরোধী থেকে শুরু করে পশুপালক সম্প্রদায়ের প্রচণ্ড চাপ রয়েছে মোদি সরকারের উপর। এই পরিস্থিতিতে ভারতে আমেরিকার দুগ্ধজাত পণ্যের আমদানি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির চূড়ান্ত রূপ দিতে ভারতে আসার কথা ছিল মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি রবার্ট লাইটহাইজারের। তাঁর সেই নির্ধারিত সফরের মাত্র চার দিন আগে ওয়াশিংটন তা বাতিল করায় বহুচর্চিত বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, ট্রাম্পের দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর চেষ্টা করবে নয়াদিল্লি। ফলে দুগ্ধজাত পণ্যের জন্য বাজার না খুললেও, হারলে-ডেভিডসন বাইকের আমদানিতে শুল্ক কিছুটা কমাতে পারে মোদি সরকার। এছাড়াও, রয়েছে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বেশ কিছু চুক্তি। ওয়াশিংটনে ‘আর্মস লবি’ বা ‘অস্ত্র ব্যবসায়ী’দের প্রতিপত্তির কথা সর্বজনবিদিত। ফলে প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচনের আগে এহেন ভারতের অস্ত্র বাজারে প্রতিপত্তি বাড়াতে পারলে আখেরে লাভ হবে ট্রাম্পের। ফলে ট্রাম্পের ভারত সফরে বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর হোক বা না হোক, কূটনৈতিক ও কৌশলগত ক্ষেত্রে সহযোগিতা বজায় রাখবেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান।         

[আরও পড়ুন: ‘হাম রাস্তে মে হ্যায়’, ‘উড়ন্ত দূর্গ’ থেকে হিন্দিতে টুইট প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে