Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গজনভি

অবাক কাণ্ড! গজনভি মিসাইল উৎক্ষেপণের কথা ভারতকে জানিয়েছিল পাকিস্তানই

এই ক্ষেপণাস্ত্রটি পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০১৯, ০৯:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০১৯, ০৯:৪৬

options
link
অবাক কাণ্ড! গজনভি মিসাইল উৎক্ষেপণের কথা ভারতকে জানিয়েছিল পাকিস্তানই zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার আবহেই ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘গজনভি’র পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করে পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার এই ‘মিশন’-এর কথা ঘোষণা করে পাক সরকার। বুধবার গভীর রাতে একটি প্রশিক্ষণ শিবির থেকে ভূমি এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করে পাক সেনাবাহিনী। ইন্টার সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনের ডিরেক্টর জেনারেল আসিফ গফুর এদিন জানিয়েছেন, এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ২৯০ কিমি দূরে আঘাত হানতে পারে। তবে আগে থেকেই এই উৎক্ষেপণের কথা জানত ভারত। শুনলে অবাক হতে হয় যে, পাকিস্তানই মিসাইল টেস্টের কথা আগেভাগে ভারতকে জানিয়ে দিয়েছিল। 

[আরও পড়ুন: কারগিলের কায়দায় হামলার ছক, গুজরাট উপকূলে ওঁৎ পেতে পাক কমান্ডো বাহিনী]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রাবিশ কুমার জানান, আগে থেকেই পাক মিসাইল উৎক্ষেপণের খবর ছিল ভারতের কাছে। ভুল বোঝাবুঝির দরুণ সামরিক সংঘাত এড়াতে দু’দেশই একে অপরকে মিসাইল টেস্টের কথা আগেভাগেই জানিয়ে দেয়। কাশ্মীর নিয়ে উত্তেজনা থাকলেও এবার নিয়ম মেনেই উৎক্ষেপণ করেছে পাকিস্তান। এদিকে, ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। শক্তিশালী এই ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে উৎক্ষেপণের জন্যে প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি ও প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান দেশের সেনাবাহিনীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। পাক সামরিক বাহিনীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ কমিটির (সিজিসিএসসি) চেয়ারম্যানও। ‘গজনভি’র বিশেষত্ব হল স্বল্পপাল্লার ওই  ক্ষেপণাস্ত্রটি আণবিক অস্ত্র বহন করতে পারে। তবে গত সোমবারই এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতকে জানিয়েছিল পাকিস্তান। কারণ ২০০৫ সালে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী দুই দেশকেই এ জাতীয় পরীক্ষার তিন দিন আগে বিষয়টা জানাতে হয়।

১৯৯৫ সালে প্রথম ‘স্কাড’-এর মতো ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ করে পাক সেনাবাহিনী। পরে তাতে আরও পরিবর্তন আনা হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যালাস্টিক মিসাইলের বিভিন্ন ব্যবহার রয়েছে। পাক প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের  মুখপাত্রের দাবি, এই বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্রে রয়েছে ব্যালিস্টিক মিসাইল ডিফেন্স প্রোগ্রাম। এর ফলে তা বহুদূর থেকে আসা মিসাইলকে প্রতিহতও করতে পারবে। গত জানুয়ারি মাসেও পাকিস্তান একটি ব্যালস্টিক মিসাইল পরীক্ষা করেছিল। ইতিমধ্যেই ভারত-পাক কূটনৈতিক কাজিয়া চরমে পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান  পরমাণু অস্ত্র বহণে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করে ভারতকেই বার্তা দিল বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। পাকিস্তান অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রক বুধবার থেকে করাচি আকাশ এলাকায় তিনটি রুটে উড়ান বন্ধ রাখে। তখনই কোনও কোনও মহল থেকে অনুমান করা হয়, বালোচিস্তান থেকে পাক সেনা ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করবে।

দেখুন ভিডিও: 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.