সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতকে রক্তাক্ত করতে মরিয়া পাকিস্তান৷ এবার গুজরাট উপকূল ও স্থলসীমার ফাঁকফোকর দিয়ে কমান্ডো বাহিনী অনুপ্রবেশ করানোর চেষ্টা করছে পাক সেনা৷ তবে গোড়াতেই এই চক্রান্তের কথা জেনে গিয়েছে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি৷ এই মর্মে উপকূলরক্ষী বাহিনী (কোস্টগার্ড) ও বিএসএফকে চূড়ান্ত সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে৷
[আরও পড়ুন: বদলা নিল ভারতীয় সেনা, নিকেশ অভিনন্দনের উপর অত্যাচার চালানো পাক কমান্ডো]
গোয়েন্দা সূত্রে খবর, কচ্ছ উপকূল ও স্যার ক্রিক (গুজরাটে ভারত-পাক সীমান্ত) দিয়ে অনুপ্রবেশ চালানোর ছক কষেছে পাক সেনা৷ নাশকতা চালাতে বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত এসএসজি কমান্ডো ও জঙ্গিদের একাধিক দল প্রস্তুত হচ্ছে৷ কচ্ছ উপকূলে মুম্বই হামলার ধাঁচে ছোট নৌকায় করে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাতে পারে পাক জেহাদিরা৷ প্রায় জনবসতি শূন্য কচ্ছের রণ বছরের অর্ধেক সময় জলের তলায় থাকে৷ ফলে ঐ অঞ্চলে চুপিসারে ঢুকে পড়া সম্ভব৷ সেই মতোই পরিকল্পনা করেছে পাক সেনা৷ ইতিমধ্যে এই বিষয় গুজরাট পুলিশ, বিএসএফ, উপকূলরক্ষী বাহিনী ও নৌসেনাকে সতর্ক করা হয়েছে৷ সন্দেহজনক নৌকা ও যানবাহনের চলাচলের উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে৷ আদানি গ্রুপ পরিচালিত মুন্দরা বন্দরকেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও মজবুত করতে বলা হয়ছে৷
এদিকে, স্যার ক্রিকের ওপারে ইকবাল বাজওয়া পোস্টেও এসএসজি কমান্ডো ও জঙ্গিদের উপস্থিতির কথা জানা গিয়েছে৷ সব মিলিয়ে, কারগিলের ধাঁচে ফের ভারতীয় ভূখণ্ডে থাবা বসাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে পাকিস্তান৷ ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা রদ করার পর থেকেই কাশ্মীর নিয়ে সুর চড়িয়েছে পাকিস্তান৷
এদিন ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে ফের যুদ্ধের হুমকি দিয়েছে দেশটি৷ টুইটারে ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণের কথা ঘোষণা করেছে পাক সেনা। তবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে এক চিন ছাড়া ইসলমাবাদের পাশে দাঁড়ায়নি কোনও দেশ৷ এমনকী ইমরান খানের সমর্থনে আসেনি মুসলিম দুনিয়ায়৷ সব মিলিয়ে এই মুহূর্তে নিষ্ফল অক্রোশে ফুঁসছে পাকিস্তান৷
[আরও পড়ুন: শহরে জঙ্গি হামলা রুখতে এবার কলকাতা পুলিশের কমান্ডোদের হাতেও ‘স্টান গ্রেনেড’]
সর্বশেষ খবর
-
‘কলাকুশলীরা বেশি ভুগেছেন…’, স্বরূপের গ্রেপ্তারিতে কী বলছেন ‘বাজিগর’ অনির্বাণ?
-
তামিলনাড়ুতে বিজেপিতে মহাভাঙন! আন্নামলাই, নাগার্জুনের পর দল ছাড়লেন সুমতি
-
অস্তাচলে তৃণমূলের সূর্য! ২৮ বছর পর ‘ছুটি’ পেলেন মমতার ‘বক্সীদা’
-
সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে যাচ্ছেন রোহিত, ইংল্যান্ড সিরিজেও কোহলিকে নিয়ে অনিশ্চয়তা
-
প্রকৃতির ডাকেই মিলবে ভবিষ্যতের দিশা, বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বার্তা ‘ইউনিসেফ’-এর